যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলে ‘ধ্বংসাত্মক’ হামলার হুঁশিয়ারি ইরানের
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগামী সপ্তাহগুলোতে ইরানকে বোমা মেরে ‘পাথর যুগে’ পাঠিয়ে দেওয়ার হুমকির দেওয়ার পর, বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) ইরানের সামরিক বাহিনী যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে ‘চূর্ণকারী’ হামলা চালানোর অঙ্গীকার করেছে। খবর আল-জাজিরার। তাসনিম নিউজে দেওয়া এক বিবৃতিতে অপারেশনাল কমান্ড খাতাম আল-আম্বিয়া জানায়, ইরানের সামরিক শক্তি সম্পর্কে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের কোনো বিস্তারিত ধারণা নেই।
মুখপাত্র আরও বলেন, “আশা করবেন না যে আপনারা আমাদের কৌশলগত ক্ষেপণাস্ত্র উৎপাদন কেন্দ্র, দূরপাল্লার আক্রমণাত্মক ও পিনপয়েন্ট ড্রোন, আধুনিক বিমান প্রতিরক্ষা ও ইলেকট্রনিক ওয়ারফেয়ার সিস্টেম এবং বিশেষ সরঞ্জামগুলো ধ্বংস করে ফেলেছেন।”
তিনি দাবি করেন, “আমাদের কৌশলগত সামরিক উৎপাদন এমন সব জায়গায় হয় যা সম্পর্কে আপনাদের কোনো ধারণা নেই এবং সেখানে আপনারা কখনোই পৌঁছাতে পারবেন না।” তিনি আরও যোগ করেন, এ পর্যন্ত যেসব কেন্দ্র লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে সেগুলো ছিল ‘নগণ্য’।
মুখপাত্রটি ‘আরও চূর্ণকারী, ব্যাপক এবং ধ্বংসাত্মক পদক্ষেপের’ সতর্কবাণী দিয়ে বলেন, “সর্বশক্তিমান আল্লাহর ওপর ভরসা রেখে, এই যুদ্ধ আপনাদের অপমান, লাঞ্ছনা, স্থায়ী ও নিশ্চিত অনুশোচনা এবং আত্মসমর্পণ না হওয়া পর্যন্ত চলবে।”
এর আগে খাতাম আল-আম্বিয়ার কেন্দ্রীয় সদর দপ্তরের মুখপাত্র সেকেন্ড ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ইব্রাহিম জোলফাগারি পৃথক একটি বিবৃতিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ইয়েমেনের নেতৃত্ব, সশস্ত্র বাহিনী ও জনগণ এবং লেবাননের হিজবুল্লাহর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
মুখপাত্র ইয়েমেনের নেতা আব্দুল-মালিক আল-হুতি এবং দেশটির সশস্ত্র বাহিনী ও নাগরিকদের ধন্যবাদ জানান। তিনি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মোকাবিলায় তাদের ‘অটল থাকা’ এবং ‘সত্যের ফ্রন্টে’ তাদের ‘শক্তিশালী উপস্থিতির’ প্রশংসা করেন।
বিবৃতিতে লেবাননের জনগণের ‘অসাধারণ সাহসিকতার’ প্রশংসা করা হয় এবং হিজবুল্লাহর অভিযানগুলোকে ‘গৌরবোজ্জ্বল’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়।


