July 23, 2026

আরজেএফ’র উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

0
NEWS PHOTO-2
image_pdfimage_print

বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, গণমাধ্যম ও মানবিক কর্মকাণ্ডের অঙ্গনে সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর শুভ জন্মদিন ১৮ জুন। এ উপলক্ষে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শুভানুধ্যায়ী, সহকর্মী ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

মানবিকতা, সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কাজে নিবেদিতপ্রাণ অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু ১৯৭৯ সালের ১৮ জুন ঢাকায় জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর গ্রামের বাড়ী মুন্সীগঞ্জ জেলার রামপাল এলাকায়। পিতা দেওয়ান মোঃ সাইদুর রহমান এবং মাতা লুৎফা বেগম। বর্তমানে তিনি ঢাকার সায়দাবাদে নিজ বাসভবনে বসবাস করছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন ভ্রমণপ্রিয় মানুষ। বাংলাদেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের পাশাপাশি বিশ্বের নানা দেশের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান পরিদর্শন করেছেন। ভ্রমণের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়া তাঁর অন্যতম আগ্রহের বিষয়।

অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী একজন সফল সংগঠক ও সমাজসেবী। তিনি রুর‌্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ)-এর উপদেষ্টা, বিটিএসএফ-এর উপদেষ্টা, এস আর মাল্টিমিডিয়া প্রোডাকশন হাউজের স্বত্বাধিকারী, এস আর ক্রীড়া সংঘ-এর সভাপতি, এস আর “ল” অ্যাসোসিয়েট-এর হেড অফ চেম্বার, লায়ন ক্লাবের মেম্বার, ফিল্ম ক্লাবের মেম্বার, টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের মেম্বারসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি একজন সফল রাজনীতিবিদ। এছাড়াও তিনি সমাজসেবিকা, শিক্ষানুরাগী, ক্রীড়া সংগঠক, সাংবাদিক, কবি, মানবাধিকারকর্মী ও সফল প্রযোজক হিসেবে সুপরিচিত। পাশাপাশি সফল প্রযোজক হিসেবে গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ এই ব্যক্তিত্ব দীর্ঘদিন ধরে অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। তাঁর দানশীলতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। মানুষের জন্য কাজ করাকেই তিনি জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা বলে মনে করেন।

অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু শুধু একটি নাম নন; তিনি মানবিকতা, সততা, সাহস, সৃজনশীলতা ও সমাজসেবার এক উজ্জ্বল প্রতীক। তাঁর কর্মময় জীবন ও মানবকল্যাণে নিবেদিত অবদান আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

জন্মদিনে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, সুখ, শান্তি এবং উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছেন সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষ। মানবতার পথে তাঁর এই আলোকিত যাত্রা আরও দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ হোক, এটাই সবার প্রত্যাশা।

About Post Author

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *