বিএনপির কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশ ভূরাজনৈতিক ঝুঁকিতে পড়তে পারে: পাটওয়ারী

ঢাকা

বুধবার

৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং

১৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে ক্রমেই দুর্বল ও অকার্যকর করে তুলছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তাঁর দাবি, এর ফলে বাংলাদেশ বিভিন্ন পরাশক্তির ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ক্ষেত্র হয়ে পড়ার ঝুঁকিতে রয়েছে।

 

ফেসবুক পোস্টে মন্তব্য

 

বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী এসব মন্তব্য করেন।

 

পোস্টে তিনি বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে বলেন, এর প্রভাবে বাংলাদেশ রাষ্ট্র ক্রমেই দুর্বল ও অকার্যকর হয়ে পড়ছে।

 

ভূরাজনৈতিক ঝুঁকির কথা উল্লেখ

 

নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী তাঁর বক্তব্যে আরও দাবি করেন, রাষ্ট্রের দুর্বলতার সুযোগে বাংলাদেশ বিভিন্ন পরাশক্তির ভূরাজনৈতিক প্রতিযোগিতার ‘খেলার মাঠে’ পরিণত হওয়ার ঝুঁকিতে পড়তে পারে।

 

তবে জাগোনিউজ২৪-এর প্রতিবেদনে এ বিষয়ে বিএনপির কোনো প্রতিক্রিয়া উল্লেখ করা হয়নি।

 

তারারদেশ নিউজ




দাবি না মানলে আট দফা থেকে এক দফার আন্দোলনের হুঁশিয়ারি শফিকুরের

ঢাকা

শনিবার

১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং

৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট  | তারারদেশ নিউজ:

 

কৃষকের সারসংকট, বেকারত্ব, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি ও জননিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে সরকারের সমালোচনা করেছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান।

 

শনিবার ১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চে অংশ নিয়ে বগুড়ার শেরপুরে আয়োজিত এক পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

সংকটে সাধারণ মানুষ

 

শফিকুর রহমান বলেন, কৃষকের কাছে সার নেই, মানুষের পেটে ভাত নেই, যুবকদের কর্মসংস্থান নেই, ঘরে নিরাপত্তা নেই এবং ব্যাংকেও অর্থের সংকট রয়েছে। অথচ একটি পক্ষ কেবল নিজেদের স্বার্থ হাসিলের চিন্তায় ব্যস্ত।

 

নিত্যপণ্যের উচ্চমূল্য, কৃষি খাতের সংকট, বেকারত্ব ও আর্থিক দুরবস্থায় সাধারণ মানুষ দিশেহারা বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এ পরিস্থিতি থেকে দেশকে রক্ষা করতে জনগণের ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের বিকল্প নেই বলে দাবি করেন জামায়াত আমির।

 

গ্যাস-বিদ্যুৎ সংকট নিয়েও ক্ষোভ

 

বগুড়া শহরের মাটিডালি মোড়ের পথসভায় শফিকুর রহমান বলেন, সরকার গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহের প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে সংকট কাটেনি। এ কারণেই ১১-দলীয় ঐক্য লংমার্চ কর্মসূচি পালন করছে বলে জানান তিনি।

 

তিনি আরও বলেন, জনগণের সঙ্গে প্রতারণা না হলে এ ধরনের কর্মসূচির প্রয়োজন হতো না। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন না করার বিষয়েও সরকারের সমালোচনা করেন তিনি।

 

দাবি না মানলে আন্দোলন জোরদারের হুঁশিয়ারি

 

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় এক পথসভায় শফিকুর রহমান বলেন, তাদের আন্দোলন কোনো নির্দিষ্ট দল বা গোষ্ঠীর জন্য নয়; এটি ১৮ কোটি মানুষের দাবি আদায়ের আন্দোলন।

 

সরকার দাবি মেনে না নিলে আট দফা কর্মসূচি ভবিষ্যতে আরও বিস্তৃত হয়ে এক দফার আন্দোলনে রূপ নিতে পারে বলেও সতর্ক করেন তিনি। তবে এখনো সরকারকে সময় দেওয়া হচ্ছে বলে জানান জামায়াত আমির।

 

লংমার্চে যেসব দাবি

 

১১-দলীয় ঐক্যের ঢাকা-রংপুর লংমার্চের ঘোষিত দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে গণভোটের রায় বাস্তবায়ন, সাংবিধানিক সংস্কার কাউন্সিল গঠন, জুলাই গণহত্যার বিচার, তেল-গ্যাস-বিদ্যুৎ ও সারসংকটের সমাধান, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজি বন্ধ, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন এবং তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন।

 

এদিকে বগুড়ার পৃথক পথসভায় এনসিপির আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম গণভোটের রায় বাস্তবায়নের দাবি জানান। একই সঙ্গে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদত্যাগও দাবি করেন তিনি।

 

তারারদেশ নিউজ




কয়েক কোটি টাকাতেই পুরো রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা কিনে ফেলা সম্ভব: আসিফ মাহমুদ

ঢাকা

মঙ্গলবার

১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং

৩১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

দেশের রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থায় দুর্নীতি ও প্রভাব বিস্তারের অভিযোগ তুলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, কয়েক কোটি টাকা খরচ করলেই পুরো ব্যবস্থা নিজের নিয়ন্ত্রণে নেওয়া সম্ভব। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন।

 

‘সালামি-গিফট দিলেই অভিযোগ চাপা পড়ে’

 

আসিফ মাহমুদ তার পোস্টে দাবি করেন, অর্থের বিনিময়ে রাষ্ট্রীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে প্রভাব বিস্তার করা সম্ভব এবং যথাস্থানে ‘সালামি’ ও উপহার পাঠালে অনেক অভিযোগ তদন্তের পর্যায়েও যায় না। তিনি এ পরিস্থিতিতে সৎ থাকা কঠিন হয়ে পড়েছে বলেও মন্তব্য করেন।

 

নিজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ১১ হাজার কোটি টাকার নয়, এর এক শতাংশ অর্থাৎ ১১০ কোটি টাকার দুর্নীতিও যদি তিনি করতেন, তাহলে দুর্নীতি দমন কমিশনসহ রাষ্ট্রীয় কোনো প্রতিষ্ঠান তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিত না—এমন মন্তব্য করেন তিনি। এটি তার নিজের বক্তব্য ও দাবি।

 

রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের উদাহরণ টানলেন

 

পোস্টে আসিফ মাহমুদ তার রাজনৈতিক অবস্থানের কয়েকটি উদাহরণ তুলে ধরেন। তিনি দাবি করেন, প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের সন্তানদের সঙ্গে সমঝোতা করে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডে পরিচালক না হওয়া, বিতর্কিত এক খেলোয়াড়কে দেশে ফিরিয়ে না আনা এবং সিটি করপোরেশনে কাউকে বসানোর বিষয়ে সহযোগিতা না করাসহ বিভিন্ন বিষয়ে তিনি আপস করেননি।

 

এ ছাড়া তরুণদের সামরিক প্রশিক্ষণ শুরু করা এবং ভারতীয় দূতাবাসসহ কূটনৈতিক এলাকার গুরুত্বপূর্ণ একটি সড়কের নাম ফেলানীর নামে করার বিষয়ও নিজের নেওয়া সিদ্ধান্ত হিসেবে উল্লেখ করেন তিনি।

 

‘নীতির প্রশ্নে মাথানত করিনি’

 

আসিফ মাহমুদ বলেন, রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব ও জনকল্যাণের প্রশ্নে তিনি কখনো আপস করেননি। তার অনেক শুভাকাঙ্ক্ষী আপস না করে কঠোর অবস্থান নেওয়াকে ভুল সিদ্ধান্ত মনে করলেও, তার দাবি—রাজনীতিতে সমঝোতা করে চললে হয়তো ব্যক্তিগতভাবে আরও ভালো থাকতে পারতেন, কিন্তু তাতে নিজের বিবেকের কাছে দায়বদ্ধ থাকতে হতো।

 

তিনি আরও দাবি করেন, এমন কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান ও রাষ্ট্রের সঙ্গেও তিনি আপস করেননি, যাদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ার সাহস অনেকের নেই।

 

তারারদেশ নিউজ




বিদেশে সম্পদের প্রমাণ মিললে রাজনীতি ছাড়ার ঘোষণা আসিফ মাহমুদের

ঢাকা

সোমবার

১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং

৩০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

বিদেশে নিজের কোনো বিনিয়োগ, ব্যাংক হিসাব, জমি বা সম্পদ থাকার প্রমাণ পাওয়া গেলে রাজনীতি ছেড়ে দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র ও সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। সোমবার রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ কথা জানান।

 

‘প্রমাণ দিতে পারলে রাজনীতি ছেড়ে দেব’

 

আসিফ মাহমুদ বলেন, দেশের বাইরে তার এক পয়সার বিনিয়োগ বা ব্যাংকে অর্থ রাখা, এমনকি ভিলা কিংবা জমি থাকার প্রমাণ কেউ দিতে পারলে তিনি সঙ্গে সঙ্গে রাজনীতি ছেড়ে দেবেন। একই সঙ্গে এ ধরনের প্রমাণ পাওয়া গেলে যে শাস্তি হবে, সেটিও মেনে নেওয়ার কথা জানান তিনি।

 

এআই দিয়ে তৈরি তথ্য নিয়ে প্রশ্ন

 

নিজের বক্তব্যে আসিফ মাহমুদ দাবি করেন, দেশের বাইরে রাজনীতিবিদ ও ব্যবসায়ীদের সম্পদের তথ্য অতীতেও অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা ও সরকারি উদ্যোগে বের হয়েছে। তাই এ ধরনের অনুসন্ধান করা সম্ভব বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

 

তিনি অভিযোগ করেন, তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে ব্যর্থ হয়ে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দিয়ে তৈরি একটি কথিত ভুয়া সংবাদমাধ্যমের পুরোনো ফেসবুক পোস্ট ব্যবহার করে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।

 

সরকারের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ

 

আসিফ মাহমুদ আরও অভিযোগ করেন, বিরোধী দলকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলায় ব্যর্থতা এবং দেশ পরিচালনায় ব্যর্থতার বিষয় থেকে মানুষের দৃষ্টি সরাতেই বিভিন্ন ধরনের আলোচনা তৈরি করা হচ্ছে।

 

এ ছাড়া বিরোধী দলের বিরুদ্ধে বর্তমান সরকারের কথিত দমন-পীড়নের সঙ্গে আওয়ামী লীগ সরকারের আমলের দমন-পীড়নের পার্থক্য নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। তবে এসব বক্তব্য ও অভিযোগ আসিফ মাহমুদের নিজের।

 

তারারদেশ নিউজ




ঢাকা উত্তরে আসিফ, দক্ষিণে পাটওয়ারীকে মেয়র প্রার্থী করল এনসিপি

ঢাকা

রবিবার

১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং

২৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট  | তারারদেশ নিউজ:

 

ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীকে মেয়র প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। রোববার (১৩ সেপ্টেম্বর) বিকেলে দলীয় কার্যালয়ে এক সমন্বয় সভায় আনুষ্ঠানিকভাবে এ ঘোষণা দেওয়া হয়।

 

কাউন্সিলর প্রার্থী বাছাইয়ে জোর

 

ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটির বিভিন্ন ওয়ার্ডের সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থীদের সঙ্গে আয়োজিত ওই সভায় সভাপতিত্ব করেন এনসিপির আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম। সভায় আসন্ন সিটি নির্বাচনকে সামনে রেখে মহানগর পর্যায়ে দলটির সাংগঠনিক প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা হয়।

 

সম্ভাব্য কাউন্সিলর প্রার্থী বাছাইয়ের পাশাপাশি প্রতিটি ওয়ার্ডের নাগরিক সমস্যা চিহ্নিত করে সেগুলোর সমাধানে কার্যকরভাবে কাজ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়। জুলাইয়ের শহীদ ও আহতদের পরিবারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখার বিষয়েও গুরুত্ব দেন নাহিদ ইসলাম।

 

ওয়ার্ড পর্যায়ে সংগঠন শক্তিশালী করার পরিকল্পনা

 

সভায় ঢাকা মহানগরের বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক ও সাংগঠনিক কার্যক্রম আরও জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়। পাশাপাশি কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের নাশকতামূলক তৎপরতার বিষয়ে ওয়ার্ড পর্যায়ে সতর্ক নজরদারি রাখার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

 

এনসিপি নেতারা জানান, সিটি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মহানগরের ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত সাংগঠনিক প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় নাগরিক সমস্যা নিয়ে কাজ করা এবং তৃণমূল পর্যায়ে সংগঠনকে আরও শক্তিশালী করার মাধ্যমে নির্বাচনি প্রস্তুতি সম্পন্ন করার পরিকল্পনা রয়েছে।

 

তারারদেশ নিউজ




রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমের সংস্কৃতি আর ফিরতে দেওয়া যাবে না: নাহিদ ইসলাম

ঢাকা

রোববার

৩০ আগস্ট ২০২৬ ইং

১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

বাংলাদেশে আর কখনো যেন রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুমের সংস্কৃতি ফিরে না আসে, তা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

 

আন্তর্জাতিক গুম প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে শনিবার রাতে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় তিনি এ দাবি জানান। গুমের শিকার ব্যক্তি ও তাঁদের স্বজনদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়ে নাহিদ ইসলাম বলেন, অতীতের সরকারের সময়ে গুমকে রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছিল বলে তিনি মনে করেন।

 

‘আয়নাঘরে’ নির্যাতনের অভিযোগ

 

নাহিদ ইসলাম অভিযোগ করেন, শেখ হাসিনার দীর্ঘ শাসনামলে বিরোধী মতের অসংখ্য নাগরিক গুমের শিকার হয়েছেন। তাঁদের অনেকে এখনো নিখোঁজ এবং তাঁদের পরিবার দীর্ঘদিন ধরে স্বজনদের ফিরে আসার অপেক্ষায় রয়েছে।

 

তিনি বলেন, ‘আয়নাঘর’ নামে পরিচিত স্থানে আটকে রেখে অনেককে নির্যাতনের অভিযোগ রয়েছে। তাঁর দাবি, এসব ঘটনার সত্য উদঘাটন এবং ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর কাছে জবাবদিহি নিশ্চিত করা জরুরি।

 

মিরাজ শেখের ঘটনায় উদ্বেগ

 

মোংলার মিরাজ শেখের গুমের অভিযোগ নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এনসিপির আহ্বায়ক।

 

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে গুমের শিকার হওয়া সব ব্যক্তিকে খুঁজে বের করতে হবে এবং তাঁদের পরিবারের কাছে প্রকৃত তথ্য তুলে ধরতে হবে।

 

নতুন গুমবিরোধী আইন নিয়ে প্রশ্ন

 

বর্তমান সরকারের সংসদে উত্থাপিত গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার বিল এবং জাতীয় মানবাধিকার কমিশন বিল নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন নাহিদ ইসলাম।

 

তাঁর আশঙ্কা, এসব উদ্যোগে গুমের মতো গুরুতর অপরাধের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পরিবর্তে দায়মুক্তির সুযোগ থেকে যেতে পারে।

 

তিনি বলেন, গুমের প্রতিটি ঘটনার স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্ত নিশ্চিত না হলে দেশে গুমের সংস্কৃতির স্থায়ী অবসান সম্ভব নয়।

 

স্বাধীন তদন্ত ও দ্রুত বিচারের দাবি

 

নাহিদ ইসলাম গুমের প্রতিটি ঘটনার দ্রুত বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি গুম প্রতিরোধ আইনে স্বাধীন, নিরপেক্ষ ও কার্যকর তদন্তের সুস্পষ্ট বিধান রাখার দাবি জানান।

 

তিনি বলেন, গুমের শিকার প্রতিটি পরিবারের কান্নার জবাব দিতে হবে। সত্য উদঘাটন, ন্যায়বিচার ও জবাবদিহির মাধ্যমেই একটি মানবিক ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।

 

তারারদেশ নিউজ




ছয় মাসেই অজনপ্রিয় হয়ে পড়েছে বিএনপি সরকার: সারজিস আলম

ঢাকা

বৃহস্পতিবার

২৭ আগস্ট ২০২৬ ইং

১২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যেই জনগণের কাছে অজনপ্রিয় হয়ে পড়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তাঁর অভিযোগ, বিএনপি জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করছে এবং নিজেদের ঘোষিত ৩১ দফা বাস্তবায়ন থেকেও সরে গেছে।

 

বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেনীর একটি গণমিলনায়তনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

 

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন হয়নি

 

সারজিস আলম বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন তো দূরের কথা, বিএনপি নিজেদের ঘোষিত ৩১ দফার সঙ্গেও প্রতারণা করেছে। তাঁর দাবি, সরকারের ছয় মাসের কার্যক্রমে জনগণের মধ্যে হতাশা তৈরি হয়েছে।

 

তিনি আরও অভিযোগ করেন, দেশের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে দলীয়করণ ও স্বজনপ্রীতি চলছে। ইউনিয়ন পরিষদেও প্রশাসক বসানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে দাবি করে তিনি এটিকে দেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ার জন্য লজ্জাজনক উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেন।

 

দ্রব্যমূল্য ও জ্বালানি সংকট নিয়ে সমালোচনা

 

সারজিস আলমের অভিযোগ, নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি, জ্বালানি সংকট এবং দীর্ঘ সময়ের লোডশেডিংয়ে সাধারণ মানুষ দুর্ভোগে রয়েছে। এসব সমস্যার সমাধানে সরকার প্রত্যাশিত ভূমিকা রাখতে পারেনি বলেও তিনি দাবি করেন।

 

স্থানীয় নির্বাচনে একক প্রার্থী দেবে এনসিপি

 

স্থানীয় সরকার নির্বাচন প্রসঙ্গে সারজিস আলম জানান, আগামী সব স্থানীয় নির্বাচনে এনসিপি একক প্রার্থী দেবে। দলটি স্থানীয় পর্যায়েও নিজেদের সাংগঠনিক অবস্থান শক্তিশালী করার প্রস্তুতি নিচ্ছে বলে জানান তিনি।

 

মতবিনিময় অনুষ্ঠানে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক সরোয়ার তুষার, যুগ্ম সদস্যসচিব সালেহ উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম সুজাউদ্দিনসহ দলটির স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

 

তারারদেশ নিউজ




২০২৭ সালে চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার ‘নাটক’ আর দেখতে চাই না: সারজিস

ঢাকা

মঙ্গলবার

২৫ আগস্ট ২০২৬ ইং

১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া না হলে আগামী বর্ষায় জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের লোকদেখানো তৎপরতার সমালোচনা করা হবে বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম।

 

তিনি বলেন, বর্ষা শেষ হওয়ার পর চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার কথা অনেকেরই মনে থাকবে না। কিন্তু ২০২৭ সালে আবার নগর ডুবে গেলে হাঁটু বা কোমরসমান পানিতে নেমে ছবি তোলার মতো কর্মকাণ্ড দেখতে চান না তাঁরা।

 

সোমবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের স্টেশন রোডের একটি হোটেলে এনসিপির সাংগঠনিক সমন্বয় সভা ও রাজনৈতিক কর্মশালা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে সারজিস আলম এসব কথা বলেন। সভাটি চট্টগ্রাম মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা শাখার উদ্যোগে আয়োজন করা হয়।

 

জলাবদ্ধতা নিয়ে ক্ষোভ

 

সারজিস আলমের বক্তব্য, বর্ষা শেষ হয়ে গেলে সিটি করপোরেশনের প্রশাসক, জনপ্রতিনিধি ও সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতার ভয়াবহ পরিস্থিতির কথা ভুলে যেতে পারেন। তাঁর আশঙ্কা, আগামী বর্ষায় একই পরিস্থিতি আবারও দেখা দিতে পারে।

 

এনসিপির এই নেতা বলেন, জলাবদ্ধতা মোকাবিলায় সাময়িক তৎপরতার পরিবর্তে দীর্ঘমেয়াদি ও কার্যকর সমাধান প্রয়োজন।

 

রাউজানের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও অভিযোগ

 

সংবাদ সম্মেলনে এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়েও অভিযোগ করেন।

 

তাঁর দাবি, রাউজানে দলীয় বিরোধ, দখল ও আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সহিংসতা এবং গুলির ঘটনা ঘটছে। বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর এসব ঘটনায় ২০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন বলেও তিনি দাবি করেন। তবে তাঁর এসব বক্তব্যের স্বাধীন যাচাই তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি।

 

সারোয়ার তুষার আরও বলেন, চট্টগ্রামের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও প্রশাসনের আরও সক্রিয় ভূমিকা প্রয়োজন।

 

মালয়েশিয়ায় জনশক্তি রপ্তানি নিয়ে প্রশ্ন

 

মালয়েশিয়ায় বাংলাদেশ থেকে জনশক্তি পাঠানোর বিষয়েও অভিযোগ তোলেন সারজিস আলম।

 

তিনি দাবি করেন, পাঁচ লাখ বাংলাদেশি কর্মী নেওয়ার সম্ভাব্য উদ্যোগকে কেন্দ্র করে একটি নতুন সিন্ডিকেট গড়ে উঠছে, যেখানে অতীতের একটি সিন্ডিকেটের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের পাশাপাশি বর্তমান সরকারের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরও সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে তাঁরা শুনেছেন।

 

এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী এবং তাঁর ঘনিষ্ঠ কয়েকজনের সম্পৃক্ততার অভিযোগও তোলেন সারজিস। তবে এসব অভিযোগের পক্ষে তিনি কোনো নথি বা নির্দিষ্ট প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন কি না, প্রতিবেদনে তা উল্লেখ নেই।

 

দ্রুত পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবি

 

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন কাঠামো নিয়েও কথা বলেন সারজিস আলম। তাঁর দাবি, বর্তমান বেতন কাঠামোয় অনেক সরকারি কর্মচারীর মাসের মাঝামাঝি সময়ের পর সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ে।

 

তিনি সরকারের প্রতি দ্রুত নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে দীর্ঘসূত্রতার সমালোচনা করেন।

 

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, জনশক্তি রপ্তানি ও সরকারি কর্মচারীদের বেতন কাঠামো নিয়ে এনসিপির নেতাদের এসব বক্তব্য মূলত সরকারের বিভিন্ন নীতির সমালোচনা ও পরিবর্তনের দাবিকে সামনে এনেছে।

 

তারারদেশ নিউজ




১৮০ দিনে সরকার ব্যর্থ, দেশে পুরোনো রাজনৈতিক কাঠামো ফিরছে: নাহিদ ইসলাম

ঢাকা

সোমবার

২৪ আগস্ট ২০২৬ ইং

৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম ১৮০ দিনকে অদক্ষতা, অব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনাহীনতার সময় হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।

 

তিনি অভিযোগ করেছেন, সরকার পুরোনো স্বৈরতান্ত্রিক কাঠামোর দিকে ফিরে যাচ্ছে এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেশ পরিচালনায় সুস্পষ্ট পরিকল্পনার অভাব রয়েছে।

 

সোমবার রাজধানীর বাংলামোটরে এনসিপির অস্থায়ী কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন নাহিদ ইসলাম। বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের কর্মকাণ্ড মূল্যায়ন করে এনসিপির পলিসি ও রিসার্চবিষয়ক উপকমিটি সংবাদ সম্মেলনটির আয়োজন করে।

 

তিন অগ্রাধিকারেই ব্যর্থতার অভিযোগ

 

নাহিদ ইসলামের উপস্থাপিত মূল্যায়ন প্রতিবেদনে বলা হয়, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, আইনশৃঙ্খলার উন্নতি এবং বিদ্যুৎ-জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখাকে অগ্রাধিকার দিয়েছিল।

 

এনসিপির দাবি, ছয় মাসের বাস্তবতায় এই তিন ক্ষেত্রেই সরকার প্রত্যাশা পূরণ করতে পারেনি। জ্বালানি সংকটে শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হচ্ছে, শ্রমিকদের কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়ছে এবং কৃষকেরাও বাড়তি দামে সার কিনতে বাধ্য হচ্ছেন বলে অভিযোগ করা হয়।

 

অর্থনীতি ও বাজার ব্যবস্থাপনা নিয়ে সমালোচনা

 

নাহিদ ইসলাম বলেন, জ্বালানি তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের সংকট শিল্প, কৃষি ও সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। একই সঙ্গে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি, ব্যাংকিং খাতে অনিয়ম এবং বাজারে পুরোনো সিন্ডিকেটের সক্রিয়তা নিয়েও তিনি সরকারের সমালোচনা করেন।

 

এনসিপির মূল্যায়নে দুর্নীতি দমন কমিশনের কার্যক্রম, বাজার ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক খাতের জবাবদিহি নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

 

সংস্কার ও বিচার নিয়ে প্রশ্ন

 

নাহিদ ইসলামের অভিযোগ, অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে নেওয়া বিভিন্ন প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার পরবর্তী সময়ে দুর্বল হয়ে পড়ছে। মানবাধিকার কমিশন, গুম প্রতিরোধ আইন ও সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়ের মতো উদ্যোগের ভবিষ্যৎ নিয়েও তিনি উদ্বেগ প্রকাশ করেন।

 

জুলাইয়ের সহিংসতার বিচার, নিহতদের পরিবার এবং আহতদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন সরকারের অগ্রাধিকার তালিকায় যথেষ্ট গুরুত্ব পাচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

বিরোধী দল ও সাংবাদিকদের ওপর হামলার অভিযোগ

 

বিরোধী রাজনৈতিক দল, মত ও সাংবাদিকদের ওপর হামলা এবং মামলা বাড়ছে বলে দাবি করেন এনসিপির আহ্বায়ক। তাঁর অভিযোগ, অনেক ক্ষেত্রে হামলাকারীদের পরিবর্তে হামলার শিকার ব্যক্তিদেরই আইনি হয়রানির মুখে পড়তে হচ্ছে।

 

পুলিশকে আবার রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করার প্রবণতা দেখা যাচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

আরও কঠোর কর্মসূচির হুঁশিয়ারি

 

সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রতিরোধ জোরদারের ঘোষণা দিয়ে নাহিদ ইসলাম জানান, ১১ দলীয় ঐক্যের উদ্যোগে দেশের পাঁচ থেকে ছয়টি বিভাগে লংমার্চ আয়োজনের পরিকল্পনা রয়েছে। এরপর ঢাকায় একটি মহাসমাবেশ করার কথা রয়েছে।

 

সরকার বর্তমান নীতিতে অগ্রসর হলে ভবিষ্যতে আরও কঠোর আন্দোলনের কর্মসূচি দেওয়া হতে পারে বলেও জানান তিনি।

 

ভারত প্রসঙ্গেও সরকারের অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন

 

সংবাদ সম্মেলনে ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক নিয়েও বক্তব্য দেন নাহিদ ইসলাম। তাঁর দাবি, দিল্লিতে শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড এবং বাংলাদেশে তাঁর বিরুদ্ধে চলমান বিচারপ্রক্রিয়া দুই দেশের সম্পর্কের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

 

ভারতের সঙ্গে ভবিষ্যৎ সম্পর্কের ক্ষেত্রে সীমান্ত হত্যা বন্ধ, পানির ন্যায্য হিস্যা, পুশ-ইন বন্ধ এবং শেখ হাসিনাকে ঘিরে বাংলাদেশের বিচারিক অবস্থানের প্রতি সম্মান দেখানোর মতো বিষয়গুলোকে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।

 

নাহিদ ইসলাম আরও বলেন, এসব বিষয়ে অগ্রগতি না ঘটিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিল্লি সফর হলে তা বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে প্রশ্ন তৈরি করতে পারে।

 

তারারদেশ নিউজ




রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে নাহিদ ইসলামের ক্ষোভ, দ্রুত জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি

ঢাকা

২০আগস্ট ২০২৬ইং
০৫ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,
মাহমুদ নয়ন | তারারদেশ নিউজ :

 

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, প্রত্যাশা ছিল গণভোটের রায় বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। কিন্তু সেটি হয়নি। স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার সুযোগ থাকলে রাষ্ট্রপতি পদটি আরও সম্মানিত হতো।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরুর আগে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রবেশের সময় সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
নাহিদ ইসলাম বলেন, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ সংস্কারের কথা থাকলেও তা করা হয়নি। দ্রুত সময়ের মধ্যে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করতে হবে। বিএনপি সরকার গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা বললেও বাস্তবে তারা তা করছে না।
তিনি আরও বলেন, প্রতিযোগিতামূলক গণতান্ত্রিক চর্চা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তারা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন। তবে বিএনপি মুখে এক কথা বললেও কাজে ভিন্ন অবস্থান নিয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
নাহিদ ইসলামের দাবি, বিএনপি জুলাই সনদ ও গণভোটের বিপক্ষে কাজ করছে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনসহ রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান ও প্রক্রিয়ায় জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন নিশ্চিত করতে গণতান্ত্রিক সংস্কার দ্রুত বাস্তবায়নের প্রয়োজন বলেও তিনি মন্তব্য করেন।