‘বিএনপি-আওয়ামী লীগের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে’: সাদিক কায়েম

ঢাকা

বুধবার

২১ অক্টোবর ২০২৬ ইং

৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে রাজনৈতিক সমঝোতা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) সহসভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম। তাঁর দাবি, এই সমঝোতার ভিত্তি হলো ভাগাভাগি করে সুবিধা নেওয়ার পুরোনো রাজনৈতিক ব্যবস্থা।

 

বুধবার (২১ অক্টোবর) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ‘গোয়েন্দা তথ্য’ সংক্রান্ত বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন তিনি।

 

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন নিয়ে প্রশ্ন

 

ফেসবুক পোস্টে সাদিক কায়েম বিএনপি সরকারের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি জানতে চান, জুলাই সনদ কতটা বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং রাষ্ট্র সংস্কারের পক্ষে গণভোটে দেওয়া জনগণের রায় কার্যকরে সরকার কী পদক্ষেপ নিয়েছে।

 

এ ছাড়া জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত হত্যাকাণ্ডের বিচারপ্রক্রিয়া এবং বিদেশে অবস্থানরত অভিযুক্তদের দেশে ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

 

আওয়ামী লীগ নেতাদের পুনর্বাসনের অভিযোগ

 

সাদিক কায়েমের অভিযোগ, বিএনপি ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন ক্ষেত্রে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। নারায়ণগঞ্জে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের নেতাদের মধ্যে বৈঠক, ব্যবসায়িক স্বার্থের ভাগবাঁটোয়ারা এবং বিভিন্ন জেলায় দলীয় পদে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়গুলোও তাঁর পোস্টে উঠে আসে।

 

এ ছাড়া রাজধানীতে তারেক রহমানের নির্বাচনী এলাকায় আওয়ামী লীগের কর্মসূচি এবং চট্টগ্রামে দুর্গাপূজার অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ-সংশ্লিষ্ট নেতাদের ভূমিকার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে বিএনপির রাজনৈতিক অবস্থানের সমালোচনা করেন তিনি।

 

প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গোয়েন্দা তথ্যসংক্রান্ত বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই সাদিক কায়েমের এই মন্তব্য সামনে এসেছে। তাঁর পোস্টে বিএনপি সরকারের রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিচার এবং রাষ্ট্র সংস্কার নিয়ে একাধিক প্রশ্ন তোলা হয়েছে।

 

তবে বিএনপি ও আওয়ামী লীগের মধ্যে সমঝোতার বিষয়ে সাদিক কায়েমের অভিযোগের পক্ষে স্বাধীনভাবে যাচাই করা কোনো প্রমাণ প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর বক্তব্যও প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

 

তারারদেশ নিউজ




মাদক নির্মূলে সামাজিক সংগঠন গড়তে চান ইশরাক হোসেন

ঢাকা

বুধবার

২১ অক্টোবর ২০২৬ ইং

৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

রাজধানীর ঢাকা-৬ আসনে মাদকের বিস্তার রোধে স্থানীয় বাসিন্দাদের সম্পৃক্ত করে একটি সামাজিক সংগঠন গড়ে তোলার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তাঁর লক্ষ্য, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার পাশাপাশি চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজি প্রতিরোধেও কার্যকর ভূমিকা রাখা।

 

বুধবার (২১ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে এ পরিকল্পনার কথা জানান তিনি। ইশরাক বলেন, মাদক নির্মূলে স্থানীয় জনগণের অংশগ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে সংগঠনটি স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করবে।

 

অপরাধ প্রতিরোধে জনগণের অংশগ্রহণ

 

ইশরাক হোসেন বলেন, ঢাকা-৬ এলাকা অত্যন্ত ঘনবসতিপূর্ণ হওয়ায় শুধু কোনো একটি সংস্থার পক্ষে মাদক নির্মূল করা কঠিন। তাই সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তুলতে চান তিনি।

 

তাঁর পরিকল্পনা অনুযায়ী, মাদকের পাশাপাশি চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির মতো অপরাধ প্রতিরোধেও সংগঠনটি কাজ করবে। প্রতিটি পদক্ষেপ নেওয়া হবে থানা-পুলিশের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে।

 

গণমাধ্যমের সমালোচনা, নতুন উদ্যোগের ঘোষণা

 

নিজের স্ট্যাটাসে কয়েকটি গণমাধ্যমের সমালোচনা করেন ইশরাক। তাঁর অভিযোগ, কিছু সংবাদমাধ্যম ও অনলাইন প্ল্যাটফর্ম তাঁদের উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করতে পারে। তবে এসব বাধা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যাওয়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

 

একই সঙ্গে দেশপ্রেমিক ও মেধাবী তরুণ প্রজন্মকে নিয়ে নতুন ধারার গণমাধ্যম গড়ে তোলার ইচ্ছার কথাও জানান ঢাকা-৬ আসনের এই সংসদ সদস্য।

 

প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের পর নতুন পরিকল্পনা

 

এর আগে সোমবার (১৯ অক্টোবর) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করেন ইশরাক হোসেন। সংবাদ সম্মেলনে তিনি জানান, স্বেচ্ছায় অব্যাহতি চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন করেছিলেন এবং প্রধানমন্ত্রী তাতে সম্মতি দিয়েছেন।

 

সম্প্রতি রাজধানীর গেন্ডারিয়া এলাকায় রেললাইনসংলগ্ন একটি বস্তিতে মাদকবিরোধী অভিযানে অংশ নেন তিনি। অভিযানের সময় তাঁর হাতে আগ্নেয়াস্ত্র দেখা যাওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়।

 

তারারদেশ নিউজ




‘জামায়াত যে জান্নাতের পথ দেখাতে চায়, সেটা দাজ্জালের জান্নাত’

ঢাকা

বুধবার

২১ অক্টোবর ২০২৬ ইং

৫ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর রাজনৈতিক বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করে দলটির দেখানো ‘জান্নাতের পথ’ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তাঁর অভিযোগ, ধর্মীয় আবেগকে সামনে রেখে জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান ও কর্মকাণ্ডে অসংগতি রয়েছে।

 

বুধবার (২১ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব মন্তব্য করেন। জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানের একটি বক্তব্যের প্রসঙ্গ টেনে রাশেদ খাঁন তাঁর সমালোচনা করেন।

 

জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন

 

স্ট্যাটাসে রাশেদ খাঁন বলেন, জামায়াতের আমির মানুষকে জান্নাতে যাওয়ার পথ দেখানোর কথা বলেছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি ধর্মীয় বর্ণনার উদাহরণ টেনে দলটির বক্তব্য নিয়ে প্রশ্ন তোলেন।

 

জামায়াতের রাজনৈতিক অবস্থান, শরিয়াহ আইন প্রতিষ্ঠা নিয়ে বক্তব্য এবং বিভিন্ন বিতর্কিত ঘটনায় দলটির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি। এসব বিষয়ে নিজের আপত্তি তুলে ধরে দলটির বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডের মধ্যে সামঞ্জস্য আছে কি না, তা নিয়ে সমালোচনা করেন রাশেদ খাঁন।

 

ধর্মীয় ও রাজনৈতিক বক্তব্যের সমালোচনা

 

রাশেদ খাঁন তাঁর পোস্টে শহীদ আবরার ফাহাদের হত্যা মামলায় আসামিপক্ষের আইনজীবীদের ভূমিকা, রোজা ও পূজা নিয়ে করা মন্তব্য এবং হিন্দু সম্প্রদায়ের রাজনৈতিক সমর্থন নিয়ে জামায়াতের অবস্থানের প্রসঙ্গ উল্লেখ করেন।

 

এ ছাড়া দলটির প্রার্থী মনোনয়ন এবং ধর্মীয় আবেগকে রাজনৈতিক বক্তব্যে ব্যবহারের বিষয়েও সমালোচনা করেন তিনি। এসব অভিযোগ ও মন্তব্যের পক্ষে পোস্টে একাধিক প্রসঙ্গ তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রীর এই রাজনৈতিক সহকারী।

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থান নিয়েও সমালোচনা

 

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর আওয়ামী লীগের বিচার ও দায়বদ্ধতার প্রশ্নে জামায়াতের অবস্থান নিয়েও সমালোচনা করেন রাশেদ খাঁন। তাঁর অভিযোগ, দলটির কিছু রাজনৈতিক অবস্থান গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশার সঙ্গে সাংঘর্ষিক।

 

স্ট্যাটাসের শেষাংশে জামায়াতের সমালোচনা করে তিনি লেখেন, দলটি মিথ্যা ও প্রতারণার মাধ্যমে মানুষকে যে জান্নাতের পথ দেখাতে চায়, সেটি ‘দাজ্জালের জান্নাত’।

 

তবে এসব বক্তব্য রাশেদ খাঁনের ব্যক্তিগত রাজনৈতিক সমালোচনা। তাঁর উত্থাপিত অভিযোগগুলোর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য এই প্রতিবেদনে পাওয়া যায়নি।

 

তারারদেশ নিউজ




তারেক জিয়াকে ‘আরেক জিয়া’ বললেন চিফ হুইপ

ঢাকা

রবিবার

১৮ অক্টোবর ২০২৬ ইং

৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক দর্শন, কর্মপদ্ধতি ও সাধারণ মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধের প্রশংসা করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ ও বরগুনা-২ আসনের সংসদ সদস্য নুরুল ইসলাম মণি। তিনি বলেছেন, তারেক রহমানকে ‘তারেক জিয়া’ না বলে ‘আরেক জিয়া’ বলাই যথার্থ।

 

শনিবার (১৭ অক্টোবর) বরগুনা সার্কিট হাউসের সম্মেলনকক্ষে স্থানীয় সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

 

প্রতিশোধ নয়, দেশ গঠনে গুরুত্ব

 

তারেক রহমানের রাজনৈতিক অবস্থান তুলে ধরে নুরুল ইসলাম মণি বলেন, তিনি প্রতিশোধের রাজনীতির পরিবর্তে দেশ গঠনের ওপর গুরুত্ব দিচ্ছেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, দেশের মানুষের জন্য অনেক কাজ বাকি রয়েছে। তাই অতীতের বিরোধ নিয়ে ব্যস্ত না থেকে দেশের উন্নয়ন ও মানুষের কল্যাণে মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন।

 

প্রধানমন্ত্রীর কর্মস্পৃহা ও সাধারণ মানুষের প্রতি দায়িত্ববোধের প্রশংসা করে চিফ হুইপ বলেন, তারেক রহমান গ্রামেগঞ্জে ঘুরে মানুষের জীবনযাপন ও দুর্ভোগ বোঝার চেষ্টা করেন।

 

কৃষিঋণ মওকুফ ও সামাজিক কর্মসূচি

 

সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে নুরুল ইসলাম মণি বলেন, কৃষকদের আর্থিক চাপ কমাতে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত কৃষিঋণের সুদসহ মওকুফের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

এ ছাড়া দরিদ্র ও অসহায় নারীদের জন্য ফ্যামিলি কার্ড চালু করে মাসে আড়াই হাজার টাকা সহায়তা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেন তিনি। শিশুদের পুষ্টি নিশ্চিত করতে মিড-ডে মিল, বিনা মূল্যে বই বিতরণ, শিক্ষার্থীদের ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা বৃদ্ধি এবং কারিগরি শিক্ষার প্রসারেও বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান চিফ হুইপ।

 

তিনি আরও বলেন, মেয়েদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণে স্নাতকোত্তর পর্যায় পর্যন্ত পড়াশোনার ব্যয় বহনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

 

জিয়াউর রহমানের উন্নয়ন উদ্যোগের উল্লেখ

 

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে নুরুল ইসলাম মণি কৃষি, খাল খনন, তৈরি পোশাকশিল্প এবং হাঁস-মুরগি পালনের মতো কর্মসূচির উল্লেখ করেন। তাঁর দাবি, এসব উদ্যোগ দেশের অর্থনীতি ও কৃষি খাতের বিকাশে ভূমিকা রেখেছিল।

 

ধর্মীয় সম্প্রীতি বজায় রাখার আহ্বান

 

শারদীয় দুর্গোৎসব প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী দেশের সব নাগরিকের অধিকার সমান। ধর্মীয় পরিচয় নির্বিশেষে সবার অধিকার নিশ্চিত করা এবং পারস্পরিক সম্প্রীতি ও ঐক্য বজায় রাখা জরুরি।

 

তিনি জানান, দুর্গাপূজার আয়োজনের জন্য হিন্দু সম্প্রদায়ের পক্ষ থেকে চার কোটি টাকা চাওয়া হলেও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এক কোটি টাকা বাড়িয়ে পাঁচ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। এ ছাড়া এবার দুর্গাপূজা উপলক্ষে পাঁচ দিনের ছুটি দেওয়া হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

 

মতবিনিময় সভায় জেলার বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিকেরা উপস্থিত ছিলেন।

 

তারারদেশ নিউজ




দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থেকেও সংকটে মানুষের পাশে ছিলেন তারেক রহমান: রিজভী

ঢাকা

রবিবার

১৮ অক্টোবর ২০২৬ ইং

২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

দীর্ঘ ১৭ বছর প্রবাসে থেকেও দেশের বিভিন্ন সংকট ও দুর্যোগে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এমন মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।

 

রোববার (১৮ অক্টোবর) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও ফাতেহা পাঠ শেষে তিনি এ কথা বলেন। জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের (জেডআরএফ) ২৭তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সংগঠনের নেতাকর্মীদের নিয়ে সেখানে শ্রদ্ধা জানান রিজভী।

 

সংকটে মানুষের পাশে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন

 

রিজভী বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন জাতীয় পর্যায় থেকে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত কার্যক্রম বিস্তৃত করেছে। করোনা মহামারি, অতিবৃষ্টি, বন্যা ও শীতের মতো বিভিন্ন দুর্যোগে তারেক রহমান প্রবাসে থেকেও নির্দেশনা দিয়েছেন এবং মানুষের কাছে মানবিক সহায়তা পৌঁছে দিতে ভূমিকা রেখেছেন বলে দাবি করেন তিনি।

 

শিক্ষা ও মানবিক কার্যক্রম

 

বিএনপির এই নেতা বলেন, প্রতিকূল রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যেও জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশন তরুণ ও কিশোরদের বিজ্ঞান ও শিক্ষার প্রতি আগ্রহী করতে অনলাইনে বিজ্ঞান প্রদর্শনীসহ বিভিন্ন কর্মসূচি পরিচালনা করেছে।

 

এ ছাড়া দুর্ঘটনায় শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তিদের কৃত্রিম পা সংযোজন, বৃক্ষরোপণ এবং চিকিৎসাসেবা দেওয়ার মতো মানবিক কার্যক্রমও পরিচালনা করে আসছে সংগঠনটি। এসব উদ্যোগের মাধ্যমে অসহায় মানুষের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন

 

অনুষ্ঠানে জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের নির্বাহী পরিচালক ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার, ড. মোর্শেদ হাসান খানসহ চিকিৎসক, প্রকৌশলী, শিক্ষক ও জ্যেষ্ঠ পেশাজীবীরা উপস্থিত ছিলেন।

 

তারারদেশ নিউজ




আত্মরক্ষার জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলাম: ইশরাক হোসেন

ঢাকা

রবিবার

১৮ অক্টোবর ২০২৬ ইং

৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

রাজধানীর গেন্ডারিয়ায় মাদকবিরোধী অভিযানের সময় ব্যক্তিগত লাইসেন্সকৃত আগ্নেয়াস্ত্র উঁচিয়ে ধরার বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ও ঢাকা-৬ আসনের সংসদ সদস্য ইশরাক হোসেন। তাঁর দাবি, হামলার আশঙ্কা থেকে আত্মরক্ষার প্রয়োজনে তিনি ও তাঁর সরকারি নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেছিলেন।

 

রোববার (১৮ অক্টোবর) প্রতিমন্ত্রীর প্রেস কর্মকর্তা মাহফুজ কবির মুক্তার স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ ব্যাখ্যা দেওয়া হয়। এতে বলা হয়, গত ১৭ অক্টোবর গেন্ডারিয়া রেললাইনসংলগ্ন এলাকায় মাদকবিরোধী সামাজিক প্রতিরোধ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে।

 

হামলার আশঙ্কার কথা জানালেন প্রতিমন্ত্রী

 

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অভিযানে যাওয়ার আগে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও নিজস্ব গোয়েন্দা সূত্র থেকে নিরাপত্তাঝুঁকি সম্পর্কে সতর্ক করা হয়েছিল। মাদক কারবারিদের পক্ষ থেকে ভবনের ছাদ থেকে গুলি চালানোর আশঙ্কার কথাও জানানো হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

ইশরাক হোসেনের ভাষ্য অনুযায়ী, কর্মসূচি চলাকালে একটি অস্থায়ী আস্তানার কাছে পৌঁছালে ৩০ থেকে ৩৫ জন ব্যক্তি তাঁদের গাড়িবহরের দিকে মারমুখী ভঙ্গিতে এগিয়ে আসেন। এ পরিস্থিতিতে সম্ভাব্য হামলা ও জানমালের নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে তিনি এবং তাঁর নিরাপত্তারক্ষীরা অল্প সময়ের জন্য অস্ত্র উঁচিয়ে ধরেন। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে অস্ত্র যথাস্থানে রাখা হয় বলে বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়েছে।

 

অভিযানে ছয়জন আটক, মাদক ও সরঞ্জাম জব্দের দাবি

 

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গেন্ডারিয়া এলাকায় মাদক কেনাবেচা এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে মাদকের বিস্তার নিয়ে স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে অভিযোগ পেয়ে আসছিলেন প্রতিমন্ত্রী। এসব অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে সমন্বয় সভাও করেছেন বলে জানানো হয়।

 

প্রতিমন্ত্রীর কার্যালয়ের দাবি, ১৭ অক্টোবরের কর্মসূচিতে গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশকে অবহিত করার পর তাদের উপস্থিতি ও সহায়তায় কয়েকটি সন্দেহভাজন মাদকের আস্তানায় অভিযান চালানো হয়। এ সময় চার থেকে পাঁচটি অবৈধ ও অস্থায়ী আস্তানা উচ্ছেদ এবং হেরোইন বা হেরোইনজাতীয় মাদক, বিদেশি মদ, মাদক সেবনের সরঞ্জাম, ধারালো অস্ত্র, নগদ অর্থ ও ছিনতাই করা মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

 

এ ঘটনায় ছয়জনকে আটক করে জব্দ করা আলামতসহ গেন্ডারিয়া থানা-পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানানো হয়। তবে জব্দ করা মাদকের রাসায়নিক পরীক্ষার ফল এবং আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ সম্পর্কে বিজ্ঞপ্তিতে বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়নি।

 

গণমাধ্যমের প্রতিবেদন নিয়ে আপত্তি

 

অস্ত্র হাতে অভিযানে অংশ নেওয়ার ছবি ও সংবাদ প্রকাশের বিষয়ে আপত্তি জানিয়েছেন ইশরাক হোসেন। তাঁর অভিযোগ, কয়েকটি গণমাধ্যম ঘটনার খণ্ডিত তথ্য প্রকাশ করে অভিযানের প্রেক্ষাপট, পুলিশের ভূমিকা এবং আটকের বিষয়গুলো যথাযথভাবে তুলে ধরেনি।

 

তিনি সংবাদ প্রকাশের আগে তথ্য যাচাই এবং ঘটনার পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট তুলে ধরার আহ্বান জানিয়েছেন।

 

মাদকবিরোধী অভিযান অব্যাহত রাখার ঘোষণা

 

বিজ্ঞপ্তিতে মাদকের বিরুদ্ধে সরকারের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন প্রতিমন্ত্রী। ঢাকা-৬ আসনকে মাদকমুক্ত করার অঙ্গীকার জানিয়ে তিনি বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে সামাজিক প্রতিরোধ গড়ে তোলার কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

 

তারারদেশ নিউজ




গোপনে শিবির, প্রকাশ্যে ছাত্রলীগ করে বজ্রকণ্ঠ অর্জন সম্ভব নয়: রাশেদ খাঁন

ঢাকা

শুক্রবার

১৬ অক্টোবর ২০২৬ ইং

১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতাদের রাজনৈতিক অবস্থান নিয়ে সমালোচনা করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী মো. রাশেদ খাঁন। তিনি বলেছেন, গোপনে শিবির ও প্রকাশ্যে ছাত্রলীগের রাজনীতি করে বিরোধী রাজনীতিতে তেজস্বী ও বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর তৈরি করা যায় না।

 

বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) রাতে নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

 

জামায়াত ও এনসিপির নেতৃত্ব নিয়ে সমালোচনা

 

রাশেদ খাঁন তাঁর পোস্টে দাবি করেন, বিরোধী রাজনীতিতে জনসমর্থন অর্জনকারী বলিষ্ঠ নেতৃত্ব গড়ে উঠতে দীর্ঘদিনের সংগ্রাম, জেল-জুলুম ও রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা প্রয়োজন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, জামায়াত ও এনসিপিতে এ ধরনের নেতৃত্বের ঘাটতি রয়েছে।

 

তিনি আরও অভিযোগ করেন, গোপন রাজনৈতিক পরিচয় বজায় রেখে ভিন্ন সংগঠনের প্রকাশ্য রাজনীতি করার মাধ্যমে প্রকৃত সংগ্রামী নেতৃত্বের অবস্থান অর্জন করা সম্ভব নয়।

 

নুরুল হক নুরের বক্তব্যের প্রশংসা

 

নিজের পোস্টে প্রতিমন্ত্রী নুরুল হক নুরের বক্তব্যেরও প্রশংসা করেন রাশেদ খাঁন। তিনি বলেন, সরকারে যাওয়ার পর নুরের বক্তব্য আগের তুলনায় কিছুটা নমনীয় হয়ে পড়েছিল। তবে জামায়াত ও এনসিপির বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক বক্তব্যে তিনি আবারও আগের মতো তেজস্বী অবস্থান তুলে ধরেছেন।

 

রাশেদ খাঁন আরও হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, নুরকে ক্ষুব্ধ করার পরিণতি জামায়াত, শিবির ও এনসিপিকে ভোগ করতে হতে পারে। নুরের দীর্ঘদিনের সহযোদ্ধা হিসেবে তাঁর রাজনৈতিক দৃঢ়তার বিষয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

 

তারারদেশ নিউজ




সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় বিএনপির নেতাকর্মীদের ঢল

ঢাকা

বুধবার

১৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং

২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

বিএনপির বাণিজ্যবিষয়ক সম্পাদক ও ঢাকা-৪ এবং ঢাকা-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদের দ্বিতীয় জানাজা রাজধানীর নয়াপল্টনে অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতাদের পাশাপাশি ঢাকা মহানগর, থানা ও ওয়ার্ড পর্যায়ের বিপুলসংখ্যক নেতাকর্মী অংশ নেন।

 

বুধবার (১৪ অক্টোবর) দুপুর ২টার পর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে এ জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

 

জানাজায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতারা

 

জানাজায় অংশ নেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন, সড়ক, রেল ও নৌপথ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুস সালাম, বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, ভাইস চেয়ারম্যান বরকতউল্লাহ বুলুসহ দলের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা।

 

জানাজা শেষে দলীয় নেতারা ও নেতাকর্মীরা সাবেক এই সংসদ সদস্যের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।

 

বাবার কবরের পাশে দাফন

 

এর আগে মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাত ৮টা ১০ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে মারা যান সালাহউদ্দিন আহমেদ।

 

নয়াপল্টনে দ্বিতীয় জানাজার পর রাজধানীর শ্যামপুরের লাল মসজিদে তাঁর তৃতীয় জানাজা অনুষ্ঠিত হওয়ার কর্মসূচি ছিল। এরপর জুরাইন কবরস্থানে বাবার কবরের পাশে তাঁকে দাফনের কথা জানানো হয়।

 

তারারদেশ নিউজ




দুর্গাপূজায় ২৪ ঘণ্টা মণ্ডপ পাহারায় থাকবেন বিএনপির নেতাকর্মীরা

ঢাকা

মঙ্গলবার

১৩ অক্টোবর ২০২৬ ইং

২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে ২৪ ঘণ্টা পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় সহযোগিতা করবেন বিএনপির নেতাকর্মীরা। পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে বলে জানিয়েছেন দলটির দুর্গাপূজা পর্যবেক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক ও যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন।

 

পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয়

 

মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দুর্গাপূজা পর্যবেক্ষণ কমিটির বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান খোকন।

 

তিনি বলেন, বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল ও শ্রমিক দলের নেতাকর্মীরা পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে সমন্বয় করে নিরাপত্তা নিশ্চিতে সহযোগিতা করবেন। ইতোমধ্যে বিভিন্ন জেলায় দলের নেতারা এ বিষয়ে উদ্যোগ নিয়েছেন। প্রতিটি ওয়ার্ডের পূজামণ্ডপে স্থানীয় নেতাকর্মীরা দায়িত্ব পালন করবেন।

 

পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গেও যোগাযোগ

 

খোকন জানান, পূজামণ্ডপের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে স্থানীয় বিএনপি নেতারা পূজা উদযাপন কমিটি ও পুলিশ প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করবেন। হিন্দু সম্প্রদায়ের মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ধর্মীয় উৎসব উদযাপন করতে পারেন, সে জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়া হবে।

 

তিনি বলেন, দুর্গাপূজা বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব। শান্তিপূর্ণ পরিবেশে এ উৎসব উদযাপনের সুযোগ নিশ্চিত করা সবার দায়িত্ব। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সব মানুষের ধর্মীয় অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পক্ষে বিএনপি।

 

অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে সতর্কতা

 

অতীতেও পূজামণ্ডপের নিরাপত্তায় বিএনপির নেতাকর্মীরা দায়িত্ব পালন করেছেন বলে উল্লেখ করেন খোকন। এবারও যাতে কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা না ঘটে, সে বিষয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।

 

বৈঠকে বিএনপির দুর্গাপূজা পর্যবেক্ষণ কমিটির সদস্যসচিব ও যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্সসহ কমিটির অন্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

 

তারারদেশ নিউজ




অতীতের আর্থিক অব্যবস্থাপনা কাটিয়ে অর্থনীতি পুনর্গঠনের চেষ্টা চলছে: রিজভী

ঢাকা

মঙ্গলবার

১৩ অক্টোবর ২০২৬ ইং

২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক  | তারারদেশ নিউজ:

 

অতীতের আর্থিক অনিয়ম, অর্থপাচার ও বিভিন্ন খাতের অব্যবস্থাপনা কাটিয়ে দেশের অর্থনীতি পুনর্গঠনে সরকার কাজ করছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ নিচ্ছে বলে দাবি করেন তিনি।

 

তরুণদের ভূমিকার প্রশংসা

 

মঙ্গলবার রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে জনঅধিকার পার্টি আয়োজিত দীর্ঘ স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে রাজনীতিবিদ ও পেশাজীবীদের ভূমিকা নিয়ে আলোচনা সভা ও সম্মাননা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন রিজভী।

 

তিনি বলেন, দীর্ঘ আন্দোলন ও ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থানে তরুণেরা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও গণতন্ত্র নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও নিজেদের মতামত তুলে ধরার জন্য তরুণদের প্রশংসা করেন তিনি।

 

আর্থিক খাতের অব্যবস্থাপনার অভিযোগ

 

রিজভী অভিযোগ করেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে ব্যাংক, বিমা ও অন্যান্য আর্থিক খাতে লুটপাট, অর্থপাচার এবং অব্যবস্থাপনা তৈরি হয়েছিল। তাঁর দাবি, এসব সমস্যার প্রভাব বর্তমান সরকারকেও মোকাবিলা করতে হচ্ছে।

 

তিনি খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৬ লাখ ৭ হাজার কোটি টাকা বলে উল্লেখ করেন এবং আর্থিক খাতের অনিয়মের সঙ্গে সাবেক ক্ষমতাসীন দলের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিদের জড়িত থাকার অভিযোগ তোলেন। এসব বক্তব্যের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট পক্ষের কোনো প্রতিক্রিয়া প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

 

জ্বালানি সংকট মোকাবিলার উদ্যোগ

 

রিজভী বলেন, মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের কারণে জ্বালানি সরবরাহে বিঘ্ন ঘটেছে, যার প্রভাব পড়েছে কৃষি, শিল্প ও বিদ্যুৎ খাতে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, জ্বালানি সংকট মোকাবিলায় প্রচলিত উৎসের বাইরে মিয়ানমার, মালয়েশিয়া ও ইন্দোনেশিয়া থেকেও জ্বালানি সংগ্রহের চেষ্টা করছে সরকার।

 

তিনি দাবি করেন, গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহে তৈরি হওয়া সংকট ধীরে ধীরে কাটিয়ে ওঠার চেষ্টা চলছে।

 

অর্থপাচার ও অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির অভিযোগ

 

বিএনপির এই নেতা অভিযোগ করেন, অতীতে বিদেশে পাচার করা অর্থ এবং দেশের ভেতরে থাকা অবৈধ অর্থ ব্যবহার করে কিছু ব্যক্তি অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি ও নাশকতার চেষ্টা করছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে বোমাবাজি ও বিভিন্ন স্থানে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের চেষ্টার প্রসঙ্গও তুলে ধরেন তিনি।

 

এসব অভিযোগের পক্ষে বিস্তারিত প্রমাণ বা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য প্রতিবেদনে তুলে ধরা হয়নি।

 

দুর্গাপূজায় নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান

 

আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা নির্বিঘ্নে উদ্‌যাপনের জন্য পূজামণ্ডপগুলোতে সতর্ক নজরদারি রাখার আহ্বান জানান রিজভী। তিনি বলেন, সব ধর্মের মানুষের উৎসব পালনের অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

 

বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও বিভিন্ন ধর্মের মানুষের একসঙ্গে বসবাসের ঐতিহ্য রক্ষায় রাজনৈতিক দলসহ সব শ্রেণি-পেশার মানুষকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তিনি।

 

তারারদেশ নিউজ