কবি সংসদ বাংলাদেশ স্থায়ী পরিষদ গঠিত চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজী মহাসচিব রলি আক্তার

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান কবি, সমাজবিজ্ঞানী ও মানবতন্ত্র প্রবর্তক অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজীকে চেয়ারম্যান এবং কবি রলি আক্তারকে মহাসচিব করে কবি সংসদ বাংলাদেশ-এর স্থায়ী পরিষদ পুনর্গঠন করা হয়েছে।

১১ সদস্যবিশিষ্ট এই পরিষদে আরও রয়েছেন কবি কাপ্তান নূর, সাঈদা আজিজ চৌধুরী, হালিমা বেগম, কবি রাজু আলীম, কবি তৌহিদুল ইসলাম কনক, কবি প্রফেসর আমীর হোসেন, ড. আবু তাহের, কবি দূর্দান্ত ওবায়েদ ও মুহাম্মদ আবু তাহের।

৪ নভেম্বর সন্ধ্যা ৭টায় রাজধানীর কবি সংসদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এক বিশেষ সভায় এ কমিটি ঘোষণা করা হয়।

কমিটি গঠনের পর প্রতিক্রিয়ায় অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজী বলেন, “কবি সংসদ বাংলাদেশ শুধু কবিদের সংগঠন নয়, এটি একটি মানবিক চেতনার আন্দোলন। আমরা চাই কবিতা হোক জীবনের ভাষা, ন্যায় ও নন্দনের সংলাপ। নতুন প্রজন্মের কবিদের নিয়ে আমরা এমন এক সাহিত্যভুবন নির্মাণ করতে চাই, যেখানে কলমই হবে প্রতিরোধ ও পরিবর্তনের শক্তি।”

তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশের সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে কবি সংসদকে আমরা মানবতন্ত্রের আলোয় আলোকিত করতে চাই। প্রত্যেক কবির কণ্ঠে থাকুক সমাজমানবের মুক্তির গান।”

সভায় উপস্থিত ছিলেন দেশব্যাপী বিভিন্ন শাখা থেকে আগত কবিরা। তাঁরা নবগঠিত পরিষদের প্রতি অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানান এবং আগামী ডিসেম্বর মাসে জাতীয় কবি সম্মেলনের প্রস্তুতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।




মানবতন্ত্র চর্চা ও কবিদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠার দাবি জানিয়েছেন অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজী

মানবতন্ত্র চর্চা ও কবিদের যথাযথ মর্যাদা প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই সমাজে বৈষম্য দূর করা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন কবি সংসদ বাংলাদেশ স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান, কবি, সমাজবিজ্ঞানী ও মানবতন্ত্র (হোমোক্রেসি) তত্ত্বের প্রবর্তক অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজী।
শুক্রবার (২৪ অক্টোবর ২০২৫) বিকেল ৫টায় পুরনো ঢাকার ঐতিহ্যবাহী বিউটি বোর্ডিং প্রাঙ্গণে কবি সংসদ বাংলাদেশ-এর ২৭তম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
অধ্যাপক ড. তামিজী বলেন, “মানবতন্ত্র চর্চা ও কবিদের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা পেলে সমাজে বৈষম্য থাকবে না। কবিরা মানবতার কণ্ঠস্বর—তাদের চিন্তা, সৃজন ও মূল্যবোধ সমাজকে আলোকিত করে।”
সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক কবি তৌহিদুল ইসলাম কনক এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে আরও উপস্থিত ছিলেন কবি রলি আক্তার, কবি সুবর্ণা দাস, কবি বাপ্পি সাহা, কবি রুবেল, কবি তাসলিমা আক্তার, আবৃত্তি শিল্পী জিনিয়া ঐশ্বর্যসহ কবি, সাহিত্যিক ও সংস্কৃতিকর্মীরা। তারা কবিতাপাঠ, আলোচনাসভা ও কেক কাটার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করেন।




সেজান ট্র্যাজেডিতে নিহত পরিবারকে ২০লাখ করে ক্ষতিপূরণের দাবি

ফয়সাল শেখঃ

১১ জুলাই রবিবার, সকাল ১১ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রূপগঞ্জে সেজান জুস কারখানায় অগ্নিকান্ডে নিহত শ্রমিকদের স্মরণে গার্মেন্ট শ্রমিক শিল্পরক্ষা জাতীয় মঞ্চের উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধনে সভাপতিত্ব করেন গার্মেন্ট শ্রমিক শিল্প রক্ষা জাতীয় মঞ্চের আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা বিশিষ্ট শ্রমিক নেতা আবুল হোসাইন। মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন মঞ্চের সদস্য সচিব শফিকুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় নেতা তপন সাহা, রফিকুল ইসলাম সুজন, লাভলী ইয়াসমিন, শামীমা আক্তার, গোলাম ফারুক, হুমায়ুন মুজিব, আজিজা সুলতানা প্রমুখ।

সমাবেশে নেতৃবৃন্দ রূপগঞ্জের অগ্নিকান্ডে নিহত ও আহত শ্রমিকদের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা প্রকাশ করেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, এটা নিছক অগ্নিদুর্ঘটনা নয়, এটা সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের অবহেলায় জড়িত হত্যাকান্ড। এই দুর্ঘটনার দায় যেমন মালিকের রয়েছে তেনমিতভাবে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরও এই দায় এড়াতে পারেন না। সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের দায়িত্ব হচ্ছে কারখানায় শ্রম আইনের বিধি-বিধান মানা হচ্ছে কিনা তা পরিবিক্ষণ করা। কিন্তু আমরা জানি সংশ্লিষ্ট দপ্তর এ ক্ষেত্রে অসাধু পন্থা অবলম্বন করে যার খেসারত হিসেবে এই অগ্নি দুর্ঘটনা।

শ্রমিক নেতৃবৃন্দ দাবি স্থাপন করেন দাবি সমূহ নিম্নে প্রদান করা হলো-
১। নিহত প্রতি শ্রমিক পরিবারকে ২০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও আহতদের সুচিকিৎসা ও বেঁচে থাকার ক্ষতিপূরণ প্রদান করতে হবে।
২। সরকার গঠিত তদন্ত কমিটির রিপোর্ট জনসম্মুখে প্রকাশ করতে হবে।
৩। ঘটনার সুষ্ঠ তদন্ত ও দোষীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ শাস্তি প্রদান করতে হবে।
৪। প্রতিটি শিল্প কারখানায় বিল্ডিং কোর্ট এবং কারখানা আইন মেনে চলছে কিনা তা পরিবিক্ষণ করতে হবে।




সোহেল তালুকদারের বই মোড়ক উন্মোচন করেন কবি আসলাম সানী

দিনবদল নিউজ ডেস্ক :

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে একুশের বই মেলার গ্রন্থ উন্মোচন মঞ্চে উন্মোচিত হলো কবি সোহেল তালুকদারের ৫ম প্রকাশনা “স্মৃতির আড়ালে”।

মেলার গ্রন্থ উন্মোচন মঞ্চে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক নতুন সময়ের ব্যবস্থাপনা সম্পাদক বিশিষ্ট সাংবাদিক ও সংগঠক সুমন চৌধুরী। উদ্ধোধক হিসাবে উপস্থিত ছিলেন একুশে পদক প্রাপ্ত ব্যক্তিত্ব কবি আসলাম সানী। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিবহন ব্যবসায়ী মোঃ নাসির। শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন কবি সোহেল তালুকদার ।

বইটির মোড়ক উন্মোচিত করেন কবি আসলাম সানী, তিনি তার বক্তব্যে সোহেল তালুকদারের জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন এবং উদীয়মান তারুন্যে উদ্দিপ্ত এই কবির লেখা যে তিনি স্বাগত জানিয়ে উপস্থিত সকলকে বইটি কেনার জন্য অনুরোধ করেন।

সুমন চৌধুরী প্রথমেই একুশে পদক প্রাপ্ত দেশের সুনামধন্য কবি আসলাম সানীকে তার আমন্ত্রনে উপস্থিত থেকে বইটির মোড়ক উন্মোচন করার জন্য ধন্যবাদ সহ বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন, তিনি বলেন, যে জাতি যত শিক্ষিত সে জাতি তত উন্নত তাই আসুন বেশী করে বই পড়ি।বই জ্ঞানের পরিধি বৃদ্ধি করে।

সকলের কাছে নতুন এই কবির জন্য দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে শেষ করেন। বইটি সাবলীল ভাষায় ছন্দের মাধুর্যে ভাবের স্বচ্ছলতায় ও বর্ণনায় সৌন্দর্য সুসংগঠিত ও জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ সনদপ্রাপ্ত অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০২১ প্রকাশিত হয়েছে সাহস পাবলিকেশন্স এ মোহাম্মদ সোহেল তালুকদার এর কাব্য গ্রন্থ “স্মৃতির আড়ালে ” এই বইটিতে থাকছে মুক্তিযুদ্ধের স্বাধীনতা, করোনা ও ধর্ষনসহ দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে কবিতা গ্রন্থ।

কবি মোহাম্মদ সোহেল তালুকদার বলেন, “স্মৃতি আড়ালে” বইটি আমার পঞ্চম প্রকাশিত বই। বইটির কবিতা গুলোতে বর্তমান পরিস্থিতিসহ মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও স্বাধীনতার চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। বইটি ৭৭ পৃষ্ঠায় প্রায় ৭২ টি কবিতা স্থান পেয়েছে।




পুনাক এর পক্ষ থেকে করোনাযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ।

দিনবদল নিউজ ডেস্কঃ

করোনা মহামারিতে মানুষের পাশে দাঁড়ানো অগ্রগামী যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা জানিয়েছে পুলিশ পরিবারের নারীদের সংগঠন ‘বাংলাদেশ পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতি (পুনাক)’।

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে পুনাক সভানেত্রী জীশান মীর্জার সভাপতিত্বে রাজধানীর রমনায় পুনাক ভবনের সম্মেলন কক্ষে এ সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়। এ অনুষ্ঠানে রহমতে আলম সমাজ সেবা ট্রাস্টের মোট ১৯ জন স্বেচ্ছাসেবীকে সম্মাননা স্মারক ও আর্থিক অনুদান দেয়া হয়।এসময় জীশান মীর্জা বলেন, করোনায় যখন সারা পৃথিবী স্থবির হয়ে ছিল, তখন প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আইজিপির দিকনির্দেশনায় সকল পুলিশ সদস্য রাস্তায় নেমে এসেছেন। তারা মানবসেবায় ব্রতী হয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন।

করোনায় দায়িত্ব পালনকালে এ পর্যন্ত পুলিশের ৮৬ জন সদস্য জীবন দিয়েছেন বলে জানান তিনি।

পুনাক সভানেত্রী বলেন, কোভিড চিকিৎসায় পুলিশ হাসপাতালের চিকিৎসক, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মীসহ সবাই অক্লান্ত পরিশ্রম করেছেন। কোভিড ব্যবস্থাপনায় কেন্দ্রীয় পুলিশ হাসপাতাল শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে।

করোনায় আক্রান্ত মৃত ব্যক্তির পাশে যখন আপনজনরা ছিল না, তখন পুলিশ সদস্যরাই মৃত ব্যক্তির জানাজা পড়িয়েছেন ও লাশ দাফন করেছেন বলে উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, স্বপ্রণোদিত হয়ে যারা করোনায় মৃত ব্যক্তিদের লাশ দাফন ও সৎকার করেছেন তাদের মত মহৎ ব্যক্তিদের সম্মাননা জানাতে পেরে পুনাক গর্ববোধ করছে।