সুরের মূর্ছনায় দর্শক মাতালেন প্রিয়াংকা ভট্টাচার্য!

মঙ্গলবার,

১৩ অক্টোবর ২০২৬ ।
২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
বিনোদন প্রতিনিধি । তারারদেশ নিউজ

রাজধানীর বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরে একক সংগীতানুষ্ঠানে ১৯টি রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেছেন শিল্পী, গবেষক ও শিক্ষক প্রিয়াংকা ভট্টাচার্য। সম্প্রতি শাহবাগে জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে রবীন্দ্রসংগীতের পাশাপাশি টপ্পাসহ অন্যান্য ধারার গানও পরিবেশন করেন তিনি।

‘নিভৃত প্রাণের দেবতা’ গান দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন প্রিয়াংকা। পরে তিনি পরিবেশন করেন ‘ওগো শেফালিবনের মনের কামনা’, ‘আলোর অমলকমলখানি’, ‘খাঁচার পাখি ছিল সোনার খাঁচাটিতে’, ‘মাঝে মাঝে তব দেখা পাই’, ‘গভীর রজনী নামিল হৃদয়ে’ ও ‘কৃষ্ণকলি আমি তারেই বলি’-সহ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জনপ্রিয় কয়েকটি গান।

অনুষ্ঠানে তাঁর পরিবেশিত গানগুলোতে প্রেম, বিরহ, প্রকৃতি ও জীবনবোধের নানা অনুষঙ্গ উঠে আসে। রবীন্দ্রসংগীতের পাশাপাশি অন্যান্য ধারার গান পরিবেশনের মধ্য দিয়ে নিজের সংগীতচর্চার বৈচিত্র্য তুলে ধরেন এই শিল্পী।
নির্ধারিত পরিবেশনার বাইরে দর্শক-শ্রোতাদের অনুরোধেও গান পরিবেশন করেন তিনি।

অনুষ্ঠানের মঞ্চসজ্জায় ছিল প্রিয়াংকা ভট্টাচার্যের নিজস্ব শিল্পভাবনার প্রতিফলন। মঞ্চের দুই পাশের উইংস ও পেছনের অংশে তাঁর নিজের হাতে আঁকা আল্পনা সাজসজ্জায় ভিন্নমাত্রা যোগ করে।

প্রতিকূল আবহাওয়া সত্ত্বেও অনুষ্ঠানে দর্শক-শ্রোতাদের উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তন ছিল পরিপূর্ণ। শরতের সন্ধ্যায় আয়োজিত এ সংগীতানুষ্ঠানে উপস্থিত শ্রোতারা প্রিয়াংকার কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত উপভোগ করেন।

 




রবীন্দ্রনাথের গান নিয়ে ৯ অক্টোবর একক সংগীতানুষ্ঠান, গাইবেন প্রিয়াংকা ভট্টাচার্য্য

ঢাকা প্রতিনিধি:

রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কালজয়ী গান নিয়ে আগামী ৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে একক সংগীতানুষ্ঠান। অনুষ্ঠানে একক সংগীত পরিবেশন করবেন রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী, শিক্ষক ও গবেষক প্রিয়াংকা ভট্টাচার্য্য।

 

বিকেল ৫টা ৩০ মিনিটে শুরু হতে যাওয়া এ আয়োজনে রবীন্দ্রনাথের গানের অন্তর্নিহিত ভাব, সৌন্দর্য ও সৃষ্টিশীলতার বিভিন্ন দিককে শিল্পীর নিজস্ব পরিবেশনায় তুলে ধরা হবে।

 

অনুষ্ঠানটি উপলক্ষে আয়োজকদের পক্ষ থেকে সংগীতপ্রেমী ও সংস্কৃতিমনা দর্শকদের আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

 

সংগীত ও গবেষণায় প্রিয়াংকা ভট্টাচার্য্য

 

প্রিয়াংকা ভট্টাচার্য্যের জন্ম বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায়। ছোটবেলা থেকেই বাবা প্রয়াত মৃণাল কুমার ভট্টাচার্য্য ও মা সীমা ভট্টাচার্য্যের অনুপ্রেরণায় সংগীতচর্চার সঙ্গে তাঁর পথচলা শুরু হয়।

 

শৈশবে তিনি ‘একুশে পদক’প্রাপ্ত পণ্ডিত শ্রী অমরেশ রায় চৌধুরীসহ স্থানীয় গুণী শিক্ষকদের কাছে সংগীতের তালিম নেন। ঢাকায় ছায়ানটে শিক্ষক হিসেবে পেয়েছেন ড. সন্‌জীদা খাতুন, মিতা হক, রেজওয়ান আলী লাভলু, লাইসা আহমেদ লিসাসহ দেশের খ্যাতিমান সংগীতজ্ঞদের।

 

বর্তমানে শাস্ত্রীয়সংগীত, রবীন্দ্রসংগীত, ঠাকুরবাড়ির গান, ব্রহ্মসংগীত, তিন কবির গান ও পুরাতনী বাংলা গানসহ বিভিন্ন ধারার সংগীতচর্চা করছেন তিনি। তাঁর সংগীতসাধনা পরিচালিত হচ্ছে বিদুষী রাজ্যশ্রী ঘোষ, ড. সুকান্ত চক্রবর্তী ও ড. অভিজিৎ মজুমদারের তত্ত্বাবধানে।

 

একাধিক বিষয়ে উচ্চশিক্ষা

 

প্রিয়াংকা ভট্টাচার্য্য ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর এবং রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের রবীন্দ্রসংগীত বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেছেন। উভয় ক্ষেত্রেই তিনি প্রথম বিভাগে কৃতিত্বের সঙ্গে শিক্ষাজীবন শেষ করেন।

 

ছায়ানট সংগীতবিদ্যায়তনের সংগীত-প্রবেশ পরীক্ষায় তিনি প্রথম মানে দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি ছায়ানট সংগীতবিদ্যায়তনে শিক্ষক সহযোগী হিসেবে কাজ করছেন। পাশাপাশি নালন্দা উচ্চ বিদ্যালয়ে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।

 

সংগীতের পাশাপাশি গবেষণার ক্ষেত্রেও রয়েছে তাঁর সক্রিয় পদচারণা। রবীন্দ্রসংগীতের রূপ, ভাব, রূপান্তর এবং রবীন্দ্রনাথের সৃষ্টিশীলতার বিভিন্ন দিক নিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পরিসরে গবেষণাপত্র উপস্থাপন ও বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করেছেন। কল্যাণী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে প্রকাশিত ‘রবীন্দ্রনাথ অসীমের চিরবিস্ময়’ গ্রন্থে তাঁর মৌলিক লেখা প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বিভিন্ন পিয়ার-রিভিউ জার্নালেও তাঁর মৌলিক গবেষণাধর্মী লেখা প্রকাশিত হয়েছে।

 

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি

 

জাতীয় শিশু পুরস্কার প্রতিযোগিতায় ২০০৬, ২০০৮ ও ২০০৯ সালে উচ্চাঙ্গসংগীত ও দেশাত্মবোধক গানে রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ পদক অর্জন করেন প্রিয়াংকা ভট্টাচার্য্য। ধ্রুব পরিষদ আয়োজিত দেশব্যাপী স্বর্ণপদক প্রতিযোগিতায়ও তিনি প্রথম স্থান অর্জন করেন।

 

তিনি বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারের তালিকাভুক্ত রবীন্দ্রসংগীত শিল্পী।

 

সংগীতের বিস্তৃত পরিসরকে বোঝার প্রয়াসে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের Berklee College of Music অনুমোদিত The Art of Music Production ও Music for Wellness এবং Duke University অনুমোদিত Music as Biology: What We Like to Hear and Why কোর্স সম্পন্ন করেছেন।

 

তাঁর পরিবেশিত গান বিভিন্ন অডিও সংকলন ও আর্কাইভাল রেকর্ডিং প্রকল্পে সংরক্ষিত হয়েছে। সামনে তাঁর একক গানের সিডি প্রকাশের কথাও রয়েছে।

 

সংগীতের পাশাপাশি ছবি আঁকার প্রতিও তাঁর বিশেষ আগ্রহ রয়েছে। বর্তমানে তিনি শ্রী সুধীরঞ্জন মুখার্জির কাছে আলপনার বিভিন্ন কোর্সে নিয়মিত যুক্ত আছেন।

 

রবীন্দ্রনাথের গানের অন্তর্নিহিত ভাব ও সৌন্দর্যকে নিজের কণ্ঠে ধারণ করে শ্রোতাদের কাছে পৌঁছে দেওয়া, সংগীতের ঐতিহ্যকে ধারণ করা এবং আগামী প্রজন্মের কাছে সেই ঐতিহ্যের উত্তরাধিকার পৌঁছে দেওয়াই প্রিয়াংকা ভট্টাচার্য্যের সংগীতসাধনার অন্যতম লক্ষ্য।

 

অনুষ্ঠানের সময় ও স্থান:

📅 ৯ অক্টোবর ২০২৬, শুক্রবার

🕠 বিকেল ৫:৩০ মিনিট

📍 কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তন, জাতীয় জাদুঘর, শাহবাগ, ঢাকা

 

রবীন্দ্রসংগীতপ্রেমীদের জন্য এই একক সংগীতানুষ্ঠানটি বিশেষ আকর্ষণের একটি আয়োজন হয়ে উঠবে বলে প্রত্যাশা করা হচ্ছে।




বিগবাজেটে নির্মিত আইটেমসং ‘পাত্রী চাই’, বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে হবে প্রধান আকর্ষণ!

ঢাকা | সোমবার

১৭ আগষ্ট ২০২৬ ইং | ২ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,

মাহমুদ নয়ন | তারারদেশ নিউজঃ

এই প্রজন্মের আলোচিত গীতিকার ও সুরকার শিমুল মাহমুদের লেখা ও সুরে আসছে নতুন কমেডি গান ‘পাত্রী চাই’। শালা-দুলাভাইয়ের মজার সম্পর্ককে কেন্দ্র করে নির্মিত গানটির ভিডিওতে অভিনয় করেছেন চিত্রনায়িকা পলি, চিত্রনায়ক রাসেল ও গীতিকার শিমুল মাহমুদ। নির্মাতাদের দাবি, গানটির শুটিং অতন্ত্য ব্যয়বহুল!

গানটির প্রযোজনা সংস্থা তারারদেশ লিমিটেড। ইতোমধ্যে প্রকাশিত গানটির পোস্টার ও প্রচারণা ঘিরে দর্শকদের মধ্যে আগ্রহ তৈরি হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রত্যাশা, গানটি মুক্তির পর বিশেষ করে বিয়ে ও পারিবারিক অনুষ্ঠানে এটি দর্শকদের বিনোদনের অন্যতম আকর্ষণ হয়ে উঠবে।

এক সাক্ষাৎকারে চিত্রনায়িকা পলি বলেন, “‘পাত্রী চাই’ একটি চমৎকার ফানি গান। গানটির গল্প, আয়োজন ও উপস্থাপনায় দর্শকদের জন্য রয়েছে বড় ধরনের চমক। আশা করছি, দর্শক গানটি উপভোগ করবেন।”

চিত্রনায়ক রাসেল বলেন, ২০২৬ সালে এ পর্যন্ত তার ২০টির বেশি গানে কাজ করা হয়েছে। তবে ‘পাত্রী চাই’ গানটির শুটিং ছিল অন্যগুলোর তুলনায় বড় আয়োজনের এবং ব্যয়বহুল। তার ভাষায়, “গানটি মুক্তির পর প্রতিটি বিয়ে বাড়ির অনুষ্ঠান আয়োজনের প্রধান গানগুলোর একটি হবে—এমনটাই আমি আশাবাদী।”

‘পাত্রী চাই’ গানের গীতিকার ও সুরকার শিমুল মাহমুদ। তিনি তারারদেশ লিমিটেডের কর্ণধার এবং একজন সৌখিন সংস্কৃতিকর্মী। বাংলাদেশ টেলিভিশনের বিভিন্ন অনুষ্ঠানের পরিকল্পনা ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও তিনি যুক্ত ছিলেন বলে সংশ্লিষ্টরা জানান। গানটিতে তার বিশেষ চরিত্রে অভিনয় দর্শকদের কাছে প্রশংসিত হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন গানটির ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টর বোরহান বাবু।

গানটির ভিডিও কোরিওগ্রাফি করেছেন মাইকেল বাবু। ভিডিও পরিচালনায় ছিলেন রিদম খান শাহীন। পাশাপাশি গানটির বিশেষ দুটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন নবাগত চিত্রনায়িকা মেহজাবিন ও সাবিহা।

গানটির সংগীতায়োজন, চিত্রগ্রহণ, সম্পাদনা ও রঙ সংশোধনসহ নির্মাণের বিভিন্ন পর্যায়ে পেশাদার একটি টিম কাজ করেছে। নির্মাতা দলের প্রত্যাশা, হাস্যরস, পারিবারিক আবহ এবং বিয়ের অনুষ্ঠানের উপযোগী বিনোদনধর্মী পরিবেশনার কারণে ‘পাত্রী চাই’ দর্শকদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাবে।

তারারদেশ লিমিটেডের প্রযোজনায় নির্মিত ‘পাত্রী চাই’ গানটি শিগগিরই তারারদেশ এন্টারটেইনমেন্ট ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশের কথা রয়েছে। গানটির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট শিল্পী ও কলাকুশলীরা মনে করছেন, মুক্তির পর এটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও ব্যাপক সাড়া ফেলতে পারে।




সালমান শাহ হত্যা মামলা: কারাগারে অভিনেতা ডন

ঢাকা

রবিবার

৯ আগস্ট ২০২৬ ইং

২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বিনোদন ডেস্ক | তারারদেশ নিউজ:

 

চিত্রনায়ক সালমান শাহ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার অভিনেতা আশরাফুল হক ওরফে ডনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

 

রোববার বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানা তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের ওপর শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। ৫৪ বছর বয়সী ডনকে একই দিন দুপুরে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

 

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক আরিফুর রহমান আদালতে ডনকে কারাগারে রাখার আবেদন করেন। আবেদনে বলা হয়, মামলার তদন্ত এখনো চলমান এবং আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। জামিনে মুক্তি পেলে তিনি তদন্তে বাধা সৃষ্টি করতে পারেন বা ফের আত্মগোপনে যেতে পারেন বলেও আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

 

রাষ্ট্রপক্ষের বক্তব্য

 

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ও ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের প্রধান পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী মামলাটিকে গুরুত্বপূর্ণ ও চাঞ্চল্যকর হিসেবে উল্লেখ করেন।

 

রাষ্ট্রপক্ষের দাবি, সালমান শাহর মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় ডনকে চার নম্বর আসামি করা হয়েছে। ইমিগ্রেশন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে তাঁকে আটক করা হয়, কারণ তাঁর বিদেশযাত্রার ওপর নিষেধাজ্ঞা ছিল।

 

শুনানিতে রাষ্ট্রপক্ষ মামলার এজাহার ও তদন্তে উঠে আসা বিভিন্ন অভিযোগ আদালতের সামনে তুলে ধরে। তাদের বক্তব্য অনুযায়ী, সালমান শাহকে হত্যার পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখানোর চেষ্টা করা হয়েছিল।

 

রাষ্ট্রপক্ষ আরও দাবি করে, মামলার আরেক আসামি রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদের দেওয়া কথিত স্বীকারোক্তিতে ডনের সঙ্গে সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হকের সম্পর্কের বিষয়টি উঠে এসেছে। একই সঙ্গে ডনসহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে হত্যার পরিকল্পনার অভিযোগও আদালতে তুলে ধরা হয়।

 

তবে এসব অভিযোগ এখনো আদালতে প্রমাণিত হয়নি। মামলার তদন্ত চলমান রয়েছে।

 

তিন দশক পর হত্যা মামলা

 

সালমান শাহ ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর মারা যান। তাঁর মৃত্যুর কারণ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা আলোচনা ও বিতর্ক রয়েছে।

 

মৃত্যুর প্রায় ২৯ বছর পর আদালতের নির্দেশে ২০২৫ সালে তাঁর মৃত্যুর ঘটনায় হত্যা মামলা করা হয়। সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীর পক্ষে তাঁর ভাই আলমগীর কুমকুম বাদী হয়ে ওই বছরের অক্টোবরে রাজধানীর রমনা থানায় মামলাটি করেন।

 

মামলায় সালমান শাহর সাবেক স্ত্রী সামিরা হক ও অভিনেতা ডনসহ মোট ১১ জনকে আসামি করা হয়েছে। মামলার অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন লতিফা হক, আজিজ মোহাম্মদ ভাই, ডেভিড, জাভেদ, ফারুক, রুবী, আব্দুস ছাত্তার, সাজু ও রেজভি আহমেদ ওরফে ফরহাদ।

 

মামলাটি বর্তমানে সিআইডি তদন্ত করছে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৩০ আগস্ট তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

তারারদেশ নিউজ




অপশাসন-দুর্নীতির জঞ্জাল দূর করার দায়িত্ব নিয়েছে সরকার

ঢাকা,

১৭ জুলাই ২০২৬ ইং,
০২ শ্রাবণ ১৪৩৩বঙ্গাব্দ,
সাজ্জাদ সদয়:

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী
সারাদেশে বিরাজমান অপশাসন ও দুর্নীতির জঞ্জাল দূর করতে বর্তমান সরকার দৃঢ়প্রতিজ্ঞ বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী।

তিনি বলেন, সারাদেশে, সব জায়গায় অপশাসন আর দুর্নীতির জঞ্জাল। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার এই জঞ্জাল দূর করার দায়িত্ব নিয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির পরিচিতি ও মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এফডিসি মিলনায়তনে আয়োজিত এ সভায় সভাপতিত্ব করেন প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মাসুমা তানি।

এফডিসির শিল্পী সমিতির অতীতের নির্বাচনের উদাহরণ টেনে তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, আপনারা আগে দেখেছেন এই নির্বাচন নিয়ে কত ধরনের অনিয়ম হয়েছে। কিন্তু বর্তমান সরকার নির্বাচনে কোনো হস্তক্ষেপ করতে চায়নি। সরকার চেয়েছে শিল্পীরা যাকে খুশি তাকে নির্বাচিত করবে এবং স্বাধীনভাবে ভোট দেবে। সেজন্য এবারের নির্বাচন নিয়ে কোনো বিতর্ক নেই।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু করার ব্যাপারে সরকার কঠোর ছিল। নির্বাচন যাতে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ হয়, সেজন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় সার্বিক সহযোগিতা করেছে।

মামলা দিয়ে নির্বাচন আটকে রাখার বিষয়ে পরিচালক সমিতির বক্তব্যের জবাবে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, সরকার কাউকে আইনের আশ্রয় নিতে বারণ করতে পারে না, কারণ সরকার আইনের রক্ষক। তবে আপনাদেরকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে—নিজেদের বিরুদ্ধে আপনারা মামলা করবেন কি না!

এফডিসির উন্নয়ন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার জনগণের অর্থ খরচ করে। সেই অর্থ আবার কীভাবে ফেরত আসবে, তা নিয়ে আপনাদেরও ভাবতে হবে। আমরা জনগণের টাকার রক্ষক। বিগত সরকারের মতো ইচ্ছেমতো খরচ করে দেউলিয়া হয়ে জনগণকে অবজ্ঞা করতে পারবো না।

এই প্রসঙ্গে সদ্য সমাপ্ত বিশ্বকাপ ফুটবলের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ৪৭ কোটি টাকা দিয়ে ফিফার কাছ থেকে স্বত্ব কিনে বিটিভি বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখিয়েছে। আমরা অত্যন্ত তৎপর ছিলাম, যার ফলে এ পর্যন্ত ৪৪ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে ফেরত দেওয়া সম্ভব হয়েছে।

২০ জুলাই কি এসএসসির ফল প্রকাশ হবে, কী বলছে শিক্ষা বোর্ড
এটিকে একটি ‌বিরল ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে এর আগে এমন উদাহরণ আর তৈরি হয়নি। বিগত ফ্যাসিবাদী সরকার আগের বিশ্বকাপ ফুটবল খেলা দেখাতে গিয়ে জনগণের প্রায় ১০০ কোটি টাকা লোপাট করেছিল।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ (পিপিপি) মডেলে চলচ্চিত্র নির্মাণ করা যায় কি না, সে বিষয়ে সরকার গুরুত্বের সঙ্গে চিন্তা-ভাবনা করছে। চলচ্চিত্র শিল্পকে আগের গৌরবময় অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে এফডিসির সঙ্গে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে এবং সরকার এ লক্ষ্যে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সভাপতি শিবা শানুর পরিচালনায় অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিশিষ্ট শিল্পী ইথুন বাবু, জাসাসের কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক হেলাল খান, চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি শাহীন সুমন, বাংলাদেশ ফিল্ম ক্লাবের সভাপতি সামছুল আলম, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জয় চৌধুরী প্রমুখ।




আরজেএফ’র উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন

বাংলাদেশের সামাজিক, সাংস্কৃতিক, গণমাধ্যম ও মানবিক কর্মকাণ্ডের অঙ্গনে সুপরিচিত ব্যক্তিত্ব অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকুর শুভ জন্মদিন ১৮ জুন। এ উপলক্ষে দেশ-বিদেশের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ, শুভানুধ্যায়ী, সহকর্মী ও বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ তাঁকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন।

মানবিকতা, সমাজসেবা ও জনকল্যাণমূলক কাজে নিবেদিতপ্রাণ অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু ১৯৭৯ সালের ১৮ জুন ঢাকায় জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর গ্রামের বাড়ী মুন্সীগঞ্জ জেলার রামপাল এলাকায়। পিতা দেওয়ান মোঃ সাইদুর রহমান এবং মাতা লুৎফা বেগম। বর্তমানে তিনি ঢাকার সায়দাবাদে নিজ বাসভবনে বসবাস করছেন।

ব্যক্তিগত জীবনে তিনি একজন ভ্রমণপ্রিয় মানুষ। বাংলাদেশের বিভিন্ন দর্শনীয় স্থান ভ্রমণের পাশাপাশি বিশ্বের নানা দেশের ঐতিহাসিক, সাংস্কৃতিক ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত স্থান পরিদর্শন করেছেন। ভ্রমণের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ ও সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হওয়া তাঁর অন্যতম আগ্রহের বিষয়।

অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু বহুমাত্রিক প্রতিভার অধিকারী একজন সফল সংগঠক ও সমাজসেবী। তিনি রুর‌্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ)-এর উপদেষ্টা, বিটিএসএফ-এর উপদেষ্টা, এস আর মাল্টিমিডিয়া প্রোডাকশন হাউজের স্বত্বাধিকারী, এস আর ক্রীড়া সংঘ-এর সভাপতি, এস আর “ল” অ্যাসোসিয়েট-এর হেড অফ চেম্বার, লায়ন ক্লাবের মেম্বার, ফিল্ম ক্লাবের মেম্বার, টেলিভিশন প্রোগ্রাম প্রডিউসার অ্যাসোসিয়েশনের মেম্বারসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি তিনি একজন সফল রাজনীতিবিদ। এছাড়াও তিনি সমাজসেবিকা, শিক্ষানুরাগী, ক্রীড়া সংগঠক, সাংবাদিক, কবি, মানবাধিকারকর্মী ও সফল প্রযোজক হিসেবে সুপরিচিত। পাশাপাশি সফল প্রযোজক হিসেবে গণমাধ্যম ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন।

মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ এই ব্যক্তিত্ব দীর্ঘদিন ধরে অসহায়, সুবিধাবঞ্চিত ও অবহেলিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে মানবতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে চলেছেন। তাঁর দানশীলতা, সামাজিক দায়বদ্ধতা ও কল্যাণমূলক কর্মকাণ্ড সর্বমহলে প্রশংসিত হয়েছে। মানুষের জন্য কাজ করাকেই তিনি জীবনের সবচেয়ে বড় সার্থকতা বলে মনে করেন।

অ্যাডভোকেট শাহিদা রহমান রিংকু শুধু একটি নাম নন; তিনি মানবিকতা, সততা, সাহস, সৃজনশীলতা ও সমাজসেবার এক উজ্জ্বল প্রতীক। তাঁর কর্মময় জীবন ও মানবকল্যাণে নিবেদিত অবদান আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।

জন্মদিনে তাঁর সুস্বাস্থ্য, দীর্ঘায়ু, সুখ, শান্তি এবং উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করেছেন সহকর্মী, শুভানুধ্যায়ী ও সর্বস্তরের মানুষ। মানবতার পথে তাঁর এই আলোকিত যাত্রা আরও দীর্ঘ ও সমৃদ্ধ হোক, এটাই সবার প্রত্যাশা।




লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল-এর কবিতা মা

দশ মাস দশদিন করেছে গর্ভে ধারণ
ছিন্ন হবার নয় তার বত্রিশ নাড়ির বাঁধন,
তাইতো তিনি সুখ-দুঃখে ভাগী, সমব্যথী
তিনি যে সহমর্মী, মা, জননী, জন্মদাত্রী।

ভালোবাসায় পরিপূর্ণ তার হৃদয় ভেতর বাহির
সন্তানের সুখ চায় যদিও হয় সে কাহিল,
মায়ের স্নেহ মমতায় রয়েছে পৃথিবী চলমান
মা শুধু চায় সন্তানের সুখ শান্তি ও সম্মান।

সন্তানের বেহেশত মায়ের পদতলে নবীজির উক্তি
আজীবন মায়ের সেবা, মনতুষ্টি সন্তানের মুক্তি,
সকল সুখ শান্তি লাভের সোপান মাতৃভক্তি
মহান আল্লাহর কাছে চায় সে সুযোগ ও শক্তি।

লেখক পরিচিত:
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
(শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক)




লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর শুভ জন্মদিন ৬ মে বুধবার

সাহিত্যিক, সমাজসেবক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর শুভ জন্মদিন ৬ মে বুধবার। উল্লেখ্য লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল ৮০’র দশক থেকে জাতীয় সংবাদপত্রসহ বিভিন্ন গণমাধ্যমে কবিতা, ছড়া, প্রবন্ধ ও কলাম লিখে ইতিমধ্যে যথেষ্ট পরিচিতি লাভ করেছেন। তার প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ছোটদের শিক্ষামূলক ছড়া ও গল্প, শুভ্রতা চলে গেছে নীড়ে, একটি কবিতা, ভালবাসতে বাসতে, সিডর বিধ্বস্ত বকুলতলা, নীলজলে প্রেম, একটি বক্তৃতার পংক্তিমালা, নবম শ্রেণীর কৃষি শিক্ষা সহায়ক বই, কিছু কথা, কৃষি ডিপ্লোমা ভর্তি সহায়ক বই উল্লেখযোগ্য।
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল ১৯৭১ সালের ৬ মে গাজীপুর জেলার শ্রীপুরের টেপিরবাড়ী গ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। বিশিষ্ট সমাজসেবক মোঃ ইসমাইল হোসেন এর ঔরসে ও মহিয়সী নারী আয়েশা খাতুন এর গর্ভের গৌরবান্বিত সন্তান তিনি। তাঁর নিজ এলাকায় তিনি মসজিদ, মাদ্রাসা, স্কুল-কলেজ, শিশু গণশিক্ষা কেন্দ্র, পাঠাগার প্রভৃতি জনহিতকর প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করেছেন। তিনি ১৯৮৭ সাল থেকে সাংবাদিকতার সাথে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন। সংবাদপত্র ও সংবাদকর্মীদের পৃষ্ঠপোষকতায় তার রয়েছে বিশেষ অবদান। তিনি গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান উপদেষ্টা, গাজীপুর প্রেসক্লাবের অন্যতম দাতা সদস্য, জাতীয় সাংবাদিক সংস্থার সাথে তিনি ১৯৯৩ সাল থেকে সক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট হয়েছেন। তিনি এই সংস্থার কেন্দ্রীয় প্রধান উপদেষ্টা, কেন্দ্রীয় কার্যকরী সভাপতি, স্থায়ী পরিষদ চেয়ারম্যান ও বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে বিভিন্ন সময়ে প্রশংসার সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি নিরাপদ নিউজের যুগ্মসম্পাদক, বাংলাদেশ সংবাদ এর সম্পাদক ও প্রকাশক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) এর যুগ্মমহাসচিব হিসেবে তিনি দীর্ঘদিন যাবত প্রশংসার সাথে স্বীয় দায়িত্ব পালন করছেন। চলতি ২০২৬-২৭ মেয়াদের নিসচা’র নির্বাহী কমিটিতে তিনি অষ্টমবারের মতো যুগ্মমহাসচিব হিসেবে নির্বাচিত হয়ে স্বীয় দায়িত্ব প্রশংসার সাথে পালন করছেন। তিনি কবি সংসদ বাংলাদেশ-এর সাথে প্রায় ২৬ বছর যাবত নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন। তিনি ২০০৪ সাল থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত কবিসংসদ বাংলাদেশের স্থায়ী পরিষদের চেয়ারম্যান এবং ২০০৮ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত তিনি কবিসংসদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় সভাপতি পদে স্বীয় দায়িত্ব প্রশংসার সাথে পালন করেছেন। পরবর্তীতে ২০১৪ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত তিনি কবিসংসদ বাংলাদেশের স্থায়ী পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি দ্বিতীয়বারের মতো ২০২৫ সালে কবিসংসদ বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় নির্বাহী সভাপতি পদে স্বীয় দায়িত্ব প্রশংসার সাথে পালন করেন। তিনি লেখক উন্নয়ন কেন্দ্রের কেন্দ্রীয় চেয়ারম্যান ও প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও তিনি বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন ও সাহিত্য সংগঠনের সাথে সক্রিয়ভাবে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন।
তিনি সমাজসেবায় বিশেষ অবদান রাখায় লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল কর্তৃক প্রদত্ত আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মেলভিন জোন ফেলো- এমজেএফ সম্মাননা পদকসহ শ্রেষ্ঠ সংগঠক হিসেবে দুই শতাধিক সম্মাননা পদকে ভূষিত হয়েছেন। শিক্ষা বিস্তারে তার রয়েছে বিশেষ অবদান। বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনের মাধ্যমে সমাজ উন্নয়নে কাজ করার পাশাপাশি অসহায় মানুষের সহায়তায় তিনি নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন।
তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক ও সাংবাদিক সংগঠন ৬ মে বুধবার দিনব্যাপি বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করবে।




লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল এর কবিতা- নারী অধিকার

মানবতার আকাশ জুড়ে ন্যায়ের গান
নারীর অধিকার রক্ষায় জাগুক সকল প্রাণ,
সমতার পৃথিবীতে নেই কোনো বিভাজন
নারীর সম্মান রক্ষায় মানবতার আয়োজন।

মায়ের কোলে শুরু হয় জীবনের পথচলা
তার ভালোবাসায় চলমান পৃথিবীরই ভেলা,
তবু কেনো অবহেলা, কেনো এত বাঁধা
সমতার সমাজে নর নারী আধা আধা।

নারী মানে সাহস নারী মানে প্রাণ
দুঃসময়ে পথ দেখায় অমলিন সম্মান,
নারী মানে শক্তি নারী মানে আলো
নারীর হাতে গড়ে উঠে ভবিষ্যতের ভালো।

নারীর হাসিতে জাগে সুখের আকাশ
তার চোখের জলে দুঃখেরই সর্বনাশ,
নারী পুরুষ পরস্পর বিবাদ নয়
জীবনে সুখ-শান্তি সফলতা আসবে নিশ্চয়।

লেখক পরিচিত:
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
(শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক)
প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি, বাংলাদেশ সরকারি মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি (কৃষি) কেন্দ্রীয় কমিটি
যুগ্ম মহাসচিব, নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) কেন্দ্রীয় কমিটি




বৈশাখ– লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

বৈশাখ মিশে আছে হৃদয়ে অন্তরে
বাঙালির সুখে-দুঃখে চেতনা জুড়ে,
জীর্ণতা ছেড়ে নতুনের কেতন উড়িয়ে
অতীতের পঙ্কিলতাকে ধুয়ে-মুছে,
নতুন বার্তা নিয়ে বৈশাখ আসে
নব নব উদ্দীপনায় মানুষের কাছে।

ঝড় বৃষ্টি দূরন্ত মেঘমালা
পুতুল নাচ সার্কাস নাগরদোলা,
গ্রাম গ্রামান্তরে বৈশাখী মেলা
ধর্মবর্ণের পরিচয় ভুলে একত্রে চলা।

বৈশাখ কৃষ্টি সংস্কৃতি ইতিহাসের পাতা
বাঙালির উৎসাহ প্রেরণা শুভ হালখাতা,
ধর্ম নিরপেক্ষতা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা
গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় মানুষে মানুষে একতা।

সংস্কৃতিতে বোনের স্নেহ মায়ের মমতা
ভেদাভেদ ভুলে ধনী গরীবের সমতা,
বৈশাখ বাঙালির কাছে চির সুখের
অতি আপন অমলিন সকল মানুষের।

লেখক পরিচিত:
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
(শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক)