ঈদ আনন্দ – লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

রোজার শেষে ঈদ এসেছে
দেশে দেশে হেসে হেসে,
খুশী আজ বিশ্ব জুড়ে
ঈদ আনন্দ ঘরে ঘরে।

ঈদ আনন্দে জাগে প্রাণ
ভালোবাসার নতুন গান,
ধনী গরীব ভেদাভেদ ভুলে
সম্প্রীতি ঐক্য গড়ে তুলে।

ঈদ আনন্দ নতুন পোশাকে
শিশুর মুখে হাসি ফোটে,
সেমাইয়ের ঘ্রাণ ভেসে আসে
মিষ্টি স্বাদে স্নিগ্ধ বাতাসে।

ঈদ আনন্দ মানবতার সমতার
সম্প্রীতি ঐক্য ভাতৃত্ব জনতার,
আনন্দ থাকুক সবার সবসময়
ঈদ উৎসব হোক আনন্দময়।

লেখক পরিচিতি:
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
(শিক্ষক, কবি,কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক)




বাচসকস এর পবিত্র ঈদুল ফিতরের শুভেচ্ছা; ১১ বছর পে-স্কেল নেই, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে সরকারি কর্মচারীদের ঈদ যেন ‘চোখের জলে’

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দেশের সকল সরকারি কর্মচারীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ। তবে শুভেচ্ছা বার্তার পাশাপাশি নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের মানবেতর জীবনযাপনের চিত্র তুলে ধরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তারা।
শনিবার (১৫ মার্চ) এক যৌথ বিবৃতিতে সংগঠনের সভাপতি মোঃ আজিম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোক্তার হোসেন এই শুভেচ্ছা জানান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, “দীর্ঘ ১১ বছর যাবত বহু প্রত্যাশিত নবম পে-স্কেল না পাওয়ায় এবং বর্তমানে বাজারে দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতির কারণে নিম্ন আয়ের চতুর্থ শ্রেণির সরকারি কর্মচারীদের ঈদ আনন্দ এখন কেবল দুঃখে পরিণত হয়েছে। বেতন ও বোনাস দিয়ে পরিবারের ন্যূনতম চাহিদাও পূরণ করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেকের ঘরে ঈদ মানেই এখন চোখের জলে।”
নেতৃবৃন্দ আরও উল্লেখ করেন যে, বর্তমান বাজার পরিস্থিতির সঙ্গে বর্তমান বেতন কাঠামোর কোনো সামঞ্জস্য নেই। জীবনযাত্রার ব্যয় কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেলেও কর্মচারীদের বেতন বাড়েনি। ফলে দৈনন্দিন চাহিদা মেটাতেই হিমশিম খেতে হচ্ছে, সেখানে ঈদের আনন্দ উদযাপন করা নামান্তর হয়ে দাঁড়িয়েছে।
বিবৃতিতে বাংলাদেশ চতুর্থ শ্রেণী সরকারি কর্মচারী সমিতির সভাপতি মোঃ আজিম ও সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোক্তার হোসেন সরকারি কর্মচারীদের এই চরম আর্থিক সংকট থেকে মুক্তি দিতে এবং জীবনযাত্রা উন্নয়নে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানান। তারা অবিলম্বে ‘নবম পে স্কেল’ এর গেজেট প্রকাশ করে কর্মচারীদের মুখে হাসি ফোটানোর জোরালো দাবি জানান।
নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, মানবিক দিক বিবেচনা করে সরকার দ্রুত এই বিষয়ে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবে, যাতে আগামীতে সরকারি কর্মচারীরা সপরিবারে সুন্দরভাবে ঈদ উদযাপন করতে পারেন।




অধ্যাপক কামরুন নাহার পলিনের দৃষ্টিতে এলো অসহায় তিন শিশুর পরিবারের জীবনসংগ্রাম-উপহার পেলো নতুন ঘর ও দুধেল গরু

সালাম মাহমুদ: আমরা হয়তো অনেক কিছু নিয়েই অভিযোগ করি, কিন্তু কারও কারও জীবনে বিলাসিতা তো দূরের কথা—বেঁচে থাকাটাই প্রতিদিনের যুদ্ধ। এমনই এক অসহায় তিন শিশুর পরিবারের গল্প সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি পোস্টের মাধ্যমে দৃষ্টিগোচর হয় হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ-এর সিনিয়র পরিচালক (উন্নয়ন, পরিকল্পনা এবং বিক্রয় ও বিপণন) অধ্যাপক কামরুন নাহার পলিনের।
পোস্টে পরিবারটির করুণ অবস্থার কথা উল্লেখ থাকলেও সেখানে সঠিক ঠিকানা ছিল না। কমেন্টের মাধ্যমে ঠিকানা জানতে চেয়েও কোনো সাড়া না পেয়ে তিনি তাঁর নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবী টিমকে বিষয়টি অনুসন্ধানের দায়িত্ব দেন। পরবর্তীতে টিমের মাধ্যমে জানা যায়, পরিবারটির ঠিকানা ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার গোপালপুর ইউনিয়নের সিন্দুরনা নদী পাড়া গ্রাম।
ঠিকানা পাওয়ার পর অধ্যাপক কামরুন নাহার পলিন সরেজমিনে লোক পাঠিয়ে পরিবারের অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত খোঁজখবর নেন। সবকিছু যাচাই শেষে এক সপ্তাহের মধ্যেই পরিবারটির জন্য একটি নতুন ঘর নির্মাণের ব্যবস্থা করা হয়। পাশাপাশি জীবিকা নির্বাহের জন্য একটি দুধ দেওয়া গরু এবং এক মাসের বাজার সামগ্রী উপহার দেওয়া হয়।
এর আগেও অধ্যাপক কামরুন নাহার পলিন মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে বহু অসহায় পরিবারকে ঘর উপহার দিয়েছেন। মানবিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য তাঁর নিজস্ব একটি স্বেচ্ছাসেবী টিম রয়েছে, যারা নিয়মিতভাবে অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে কাজ করে যাচ্ছে।
মানুষের দুঃখ-কষ্ট তাঁর দৃষ্টিতে এলেই পাশে দাঁড়ানোই যেন তাঁর নীরব অঙ্গীকার—যেখানে মানবিকতাই হয়ে ওঠে সবচেয়ে বড় পরিচয়।




তারেক রহমানের একান্ত সচিব হলেন সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার: সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিনন্দন

তারেক রহমানের একান্ত সচিব হলেন সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার: সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিনন্দন
অদ্য ৩ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব এবং বৈষম্য বিরোধী কর্মচারী ঐক্য ফোরামের সভাপতি জনাব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান এর একান্ত সচিব নিযুক্ত করায় বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন জানানো হয়।

শনিবার এক অভিনন্দন বার্তায় সংগঠনের মহাসচিব মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন, আপনার ভবিষ্যৎ কর্মজীবন এবং ব্যক্তিগত ও পারিবারিক জীবন দেশের কল্যানে সাফল্যে-কৃতিত্বে পরিপূর্ণ থাকুক এ প্রত্যাশায় আমরাও আপনার সাথে আছি এবং ভবিষ্যতেও পাশে থাকতে চাই।

সচিবালয় সংযুক্ত পরিষদের নেতৃবৃন্দ মনে করেন, তাঁর এই নিয়োগ প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক সমন্বয়ে এক নতুন মাত্রা যোগ করবে।




বেগম খালেদা জিয়ার কবরে মফস্বল সাংবাদিক এসোসিয়েশনের শ্রদ্ধা

ঢাকা : বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এসোসিয়েশন (বিআরজেএ)-এর উদ্যোগে ৩ জানুয়ারি ২০২৬ শনিবার দুপুরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কবরে পুষ্পস্তবক অর্পণ, শ্রদ্ধা নিবেদন এবং দোয়া ও মোনাজাত করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন বিআরজেএ-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী ও মহাসচিব শেখ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান সেলিম পারভেজ, ভাইস চেয়ারম্যান মোহাম্মদ মিজানুর রহমান, যুগ্ম মহাসচিব ইমরান আহমেদ, সাংগঠনিক সম্পাদক তাজ উদ্দিন আহমেদ, মিডিয়া ও তথ্য সচিব মজলুম সাংবাদিক শাহারুল ইসলাম রকি, নির্বাহী সদস্য রেজাউল করিম, বেলাল উদ্দিন আহমেদ,আজিজুল হক মিন্টু, মোহাম্মদ মাসুদুল প্রমুখ।

এসময় বিআরজেএ নেতৃবৃন্দ বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন এদেশের গণতন্ত্রের প্রতীক এবং আপসহীন নেত্রী। তাঁর মৃত্যুতে দেশ এক মহান অভিভাবককে হারিয়েছে, যা কখনও পূরণ হওয়ার নয়। সাংবাদিক সমাজ তাঁর এই শূন্যতাকে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করছে। নেতৃবৃন্দ মরহুমার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান এবং তাঁর আদর্শ ধারণ করে দেশ গড়ার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে বেগম খালেদা জিয়ার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত এবং তাঁর রাজনৈতিক উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি ও দেশের শান্তি কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত পরিচালনা করা হয়।




বিদ্রোহী নজরুল-বিপ্লবী ওসমান হাদী স্মরণ কমিটি গঠিত

আগামী ৬ জানুয়ারী ২০২৬ বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশের ১০৪ বছর উদযাপনের লক্ষ্যে এবং জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও বিপ্লবী শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর আদর্শ, সংগ্রাম ও সাহিত্যচেতনা নতুন প্রজন্মের মাঝে ছড়িয়ে দিতে “বিদ্রোহী নজরুল-বিপ্লবী ওসমান হাদী স্মরণ কমিটি” গঠন করা হয়েছে।
২ জানুয়ারি ২০২৬ বাদ জুমা বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও বিপ্লবী শহীদ শরীফ ওসমান হাদীর কবর জেয়ারত  শেষে  এক  প্রস্তুতি সভা অনুষ্ঠিত হয়।
সভায় সর্বসম্মতভাবে লেখক, কবি ও কলামিস্ট ও রাষ্ট্র চিন্তক আব্দুল্লাহ আল মামুন-কে আহ্বায়ক, কবি,  নজরুল গবেষক ও রাস্ট্র্রচিন্তক খোন্দকার মাওলানা শহীদুল হক-কে যুগ্ম আহ্বায়ক, দৈনিক দেশগ্রাম পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক মোস্তফা কামাল মাহাদী, মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষানুরাগী ফজলুর রহমান পলাশ কে যুগ্ম আহ্বায়ক (অর্থ) ও শিক্ষানুরাগী ও মানবাধিকার ব্যাক্তিত্ব আব্দুল্লাহ শাহীন -কে সদস্য সচিব হিসেবে মনোনীত করে ৩১ সদস্যবিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করা হয়।
প্রস্তুতি সভায় উপস্থিত ছিলেন নজরুল গবেষক, লেখক ও শিক্ষাবিদ মুহাম্মদ জসিম উদ্দিন, বিদ্রোহী কবিতার শতবর্ষ উদযাপন জাতীয় কমিটির চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান, গবেষক ও রাস্ট্র চিন্তক উপাধাক্ষ মোঃ নুরুজ্জামান হীরা, শিক্ষাবিদ ও রাস্ট্র চিন্তক আবদুর রহিম  চৌধুরী, নাট্যকার রাস্না হিমেল, ফজলুর রহমান পলাশ, আল আমিন রনি প্রমূখ।
কমিটির নেতৃবৃন্দ আশা প্রকাশ করেন, এই স্মরণ কমিটির মাধ্যমে নজরুলের বিদ্রোহী চেতনা ও বিপ্লবী ওসমান হাদীর আত্মত্যাগের ইতিহাস দেশব্যাপী নতুনভাবে আলোচিত হবে।  এই সংগটন ও কমিটি গবেষণা, আলোচনা সভা, স্মরণ অনুষ্ঠান ও প্রকাশনার মাধ্যমে জাতির সাংস্কৃতিক ও ঐতিহাসিক চেতনাকে আরও সমৃদ্ধ করার চেষ্টা  করবে।
কমিটির পক্ষ থেকে আগামী ০৬ জানুয়ারী ২০২৬ সকাল ১০ ঘটিকায় বিদ্রোহী কবিতা প্রকাশের ১০৪ বছর উদযাপন উপলক্ষে, নজরুল প্রেমী সকল সাংস্কৃতিক, সাহিত্য, সামাজিক, মানবাধিকার, রাজনৈতিক সংগঠন এর সম্মিলিত আয়োজনে জাতীয় কবি ও বিপ্লবী হাদীর সমাধি প্রাঙ্গনে জমজমাট নজরুল উৎসব অনুষ্ঠিত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। উৎসবে সমবেত কন্ঠে বিদ্রোহী কবিতা  আবৃত্তি, স্মরণ, জেয়ারত, শ্রদ্ধাজ্ঞাপন, দোয়া ও আধিপত্যবাদ রুখতে সমবেত শপথ গ্রহণ। 
অনুষ্ঠানে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ও বিপ্লবী শহীদ শরীফ ওসমান হাদী এর চেতনা ও বিশ্বাসের অনুরাগী, নজরুল গবেষক, শিল্পী, আবৃত্তিকার সহ সংস্কৃতজনেরা উপস্থিত হতে  সদয় সম্মতি দিয়েছেন।
সকলের সানুগ্রহ উপস্থিতি ও পরামর্শ আমাদের অনুপ্রেরণা যোগাবে।




ঢাকা-৭ আসনে কবি সাহানা সুলতানার মনোনয়ন পত্র বৈধ ঘোষণা

আজ বেলা ১১টায় ঢাকা রিটার্নিং অফিসার কার্যালয়ে বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬ এর রিটার্নিং অফিসার শরফ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী যাচাই বাছাই করে ১৮০, ঢাকা-৭ আসনে শাহানা সেলিম (কবি সাহানা সুলতানা) কে বৈধ প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছেন। এই সময় প্রার্থী শাহানা সেলিম এবং হৃদয়ে পতাকা ২ মার্চের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা উপস্থিত ছিলেন।
কবি শাহানা সেলিমের পরিচিতি:
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি কবি সাহানা সুলতানা নামে। তিনি একাধারে কবি,রন্ধন শিল্পী,নারী উদ্দোক্তা, সমাজসেবী,মানবাধিকার কর্মী,সাংবাদিক এবং একজন সংগঠক। রন্ধন শিল্পী হিসেবে ব্যাপক সমাদৃত, বিভিন্ন বেসরকারি চ্যানেলে রান্নার প্রোগ্রাম দেখানো হয়। একজন নারী উদ্যোক্তা উদ্দ্যমী নারীদের প্লাটফর্মে তার বিচরণ। বিভিন্ন সংগঠনের মাধ্যমে নিজেকে সফল নারী উদ্যোক্তা হিসেবে বিভিন্ন সময়ে পুরস্কৃত হয়েছেন। এছাড়া কবি সাহানা সুলতানা সাহিত্য জগতে বিরাট অংশ জুড়ে আছেন। বিভিন্ন সময়ে তার নিজস্ব আইডিতে তার লেখা প্রকাশিত হয়।২০২৫ এ তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ বিলম্বিত প্রহরে প্রকাশিত হয়। অগ্নিবীণা কেন্দ্রীয় সংসদে সদস্য হিসেবে কাজ করছেন এবং নজরুল গবেষণার সাথে সম্পৃক্ত রয়েছেন। এছাড়াও বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির নারী বিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। শাহানা সেলিম বিজেইউসি এর নারী বিষয়ক সম্পাদিকা এবং “হৃদয়ে পতাকা ২ মার্চ” নামক মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সামাজিক সংগঠনের সভাপতি। তার সংগঠন ২ মার্চকে জাতীয় পতাকা দিবস হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন। এই লক্ষ্যে ৫৩ বছরের ইতিহাস ভেঙে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ভিসি বরাবর আবেদনের ভিত্তিতে স্বাধীনতার পতাকা উত্তোলক, জাতীয় বীর আ স ম আবদুর রবকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। যা গত ৫৩ বছরে কখনোই ২ মার্চের আ স ম আবদুর রবকে দাওয়াত করা হয়নি। তার সভাপতিতে তার সংগঠনের আবেদনের ভিত্তিতে ৫৩ বছর পর প্রথম আসম আব্দুর রবকে ২ মার্চ বিশ্ববিদ্যালয় আমন্ত্রণ করেন। এছাড়া তিনি এবং তার সংগঠন বিভিন্ন সময়ে মানববন্ধন সভা সেমিনার মাধ্যমে তাদের দাবি আদায়ের সোচ্চার।
বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় হৃদয় পতাকা দুই মার্চ সংগঠনকে নিয়ে লেখা প্রকাশ করে। তিনি বিভিন্ন সময়ে সাহিত্য পুরস্কার, নারী দিবসে সম্মাননা পেয়েছেন। রিন নিজের নামে নামকরা নারী ক্যটাগরিতে সম্মাননা পেয়েছেন। তিনি ঢাকা-৭ আসনের সর্বস্তরের জনগণের কাছে দোয়া এবং সম্মানিত ভোটারদের সমর্থন চেয়েছেন।




দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের শোক

দেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সকল সদস্য ও নেতৃবৃন্দ।

অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি মোঃ নূরুল ইসলাম ও মহাসচিব মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন যে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী, মাদার অব ডেমোক্রেসি এবং আমাদের চিরকালের প্রেরণার উৎস বেগম খালেদা জিয়া আর আমাদের মাঝে নেই। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় মঙ্গলবার ভোর ০৬:০০ টার দিকে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৮০ বছর।

সভাপতি মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, আজ শুধু একটি রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়নি, বরং বাংলাদেশ তার মমতাময়ী অভিভাবককে হারালো। বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে তিনি যেভাবে প্রতিকূল সময়ে দেশের হাল ধরেছিলেন, তা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। তিনি ছিলেন হিমালয়সম ধৈর্যের প্রতীক। কারাবরণ, অসুস্থতা আর সন্তান হারানোর ব্যক্তিগত শোককে তুচ্ছ করে তিনি আমৃত্যু এদেশের মানুষের ভোটাধিকারের জন্য আন্দোলন করে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে একটি ঐতিহাসিক আপোসহীন ইতিহাসের অবসান ঘটলো।

আমরা মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন এই মহীয়সী নারীকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন, আমিন আমিন আমিন। আল্লাহ যেন তাঁর শোকসন্তুপ্ত সপরিবার এবং দেশবাসীকে এই শোক সইবার শক্তি দান করেন।




দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদের শোক

বিএনপির চেয়ারপার্সন মাদার অফ ডেমোক্রেসি সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। আজ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ সকাল ৬ টায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন) উনার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাবহ পরিবার সহ আত্মীয়-স্বজন শুভানুধ্যায়ী রাজনৈতিক সহ কমীদের সমবেদনা জানান জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ (জিসপ) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি জনাব এম গিয়াস উদ্দিন খোকন ও সাধারণ সম্পাদক এড. মো: কামাল হোসেন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন দক্ষিণ এশিয়ার অবিসংবাদিত সবচেয়ে জনপ্রিয় তিনবারের নির্বাচিত সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশে বিদেশে মানুষ শোকাহত। তিনি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথানত করেননি এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অপব্যবহার করে মানুষের উপর অন্যায় অত্যাচার জুলুম নির্যাতন করেননি বরং তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে জেল জুলুম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দেশ ও দলের প্রয়োজনে সাহসী ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন। উনার আপোষহীন বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে মানুষের হৃদয়ের স্পন্দনে আজীবনের জন্য স্থান করে নিয়েছে। উনার মৃত্যুতে দেশে অপুরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে এই ক্ষতি উত্তরণের জন্য শোক কে শক্তিতে পরিণতি লাভ করে আল্লাহ যেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সহ আমাদের শক্তি সাহস দান করেন এবং উনার অসমাপ্ত কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখে দেশের উন্নয়ন ধারাবাহিকতা বজায় রাখার তৌফিক দান ও জানা অজানা গুনাহ মাফ করে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন আমিন।




আমিনবাজারে ৪২.৫ মেগাওয়াট বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবিলম্বে বাতিলের গণরায়

আল মায়ামী: রবিবার সাভার বলিয়াপুর বনগাঁও ইউনিয়নের নগরকোন্ডা, কোন্ডা স্কুল মাঠে সকাল ১১ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত এক গণশুনানি থেকে সর্বসম্মতিক্রমে ঘোষণা করা হয়েছে যে, সাভারের আমিনবাজারে নির্মাণাধীন নর্থ ঢাকা ৪২.৫ মেগাওয়াট বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র একটি ভুল, ঝুঁকিপূর্ণ ও জনস্বার্থবিরোধী প্রকল্প, যা অবিলম্বে বাতিল করা জরুরি। গণশুনানিতে পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে প্রকল্পটির ভয়াবহ ঝুঁকি তুলে ধরা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা, নারী, যুবসমাজ, বর্জ্য সংগ্রাহক, ভূমি মালিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য পর্যালোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া হয় যে, এই প্রকল্প ঢাকার মানুষের জীবনের ওপর একটি পরিকল্পিত স্বাস্থ্যঝুঁকি চাপিয়ে দেবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার হরণ করবে।
উক্ত গণশুনানিতে ধারনাপত্র উপস্থাপন করেন উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিনের) প্রচারাভিযান কর্মকর্তা মোহাম্মদ নোমান। উপস্থাপিত তথ্যানুযায়ী, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রতি ইউনিট মূল্য প্রায় ২৫.৫৬ টাকা, যেখানে বর্তমানে দেশের গড় বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ প্রায় ১২ টাকা। অর্থাৎ সরকারকে দ্বিগুণ দামে বিদ্যুৎ কিনতে হবে, যার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়বে জনগণের কর ও বিদ্যুৎ বিলের ওপর। নোমান বলেন, “এটি পরিচ্ছন্ন জ্বালানির নামে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও নোংরা বিদ্যুৎ।”
ধারনাপত্র অনুযায়ী, ২৫ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের জন্য সরকারের মোট ব্যয় দাঁড়াবে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি, যা শতভাগ বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধ করতে হবে। যখন দেশ তীব্র ডলার সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন এমন একটি ব্যয়বহুল চুক্তি গ্রহণ করা অর্থনীতিকে আরও দুর্বল ও অনিশ্চিত করে তুলবে।
গণশুনানিতে তুলনামূলক বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে যে, আমিনবাজারে স্থাপিত ৪২.৫ মেগাওয়াট বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চরমভাবে ব্যয়বহুল ও অদক্ষ। প্রতি মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় প্রায় ১১ মিলিয়ন ডলার, যেখানে সৌরবিদ্যুতে একই সক্ষমতা তৈরি করা যায় মাত্র ০.৭-১ মিলিয়ন ডলারে। একই অর্থে ২২ গুণেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব ছিল। মোট ৪৬৭ মিলিয়ন ডলার রুফটপ সোলারে বিনিয়োগ করলে প্রায় ৯৩২ মেগাওয়াট, গ্রাউন্ড-মাউন্টেড সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪৬৬ মেগাওয়াট, এবং বায়ু বিদ্যুতে ৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হতো। এটি প্রমাণ করে প্রকল্পটি অর্থনৈতিকভাবে অযৌক্তিক ও লোকসানমুখী। আইনি ও স্বচ্ছতার দিক থেকেও এ প্রকল্পটি প্রশ্নবিদ্ধ যেমন- পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন ও প্রকাশ করা হয়নি, জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি মূল্যায়ন অনুপস্থিত, এবং টেন্ডার ছাড়াই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের জন্য বর্জ্য সরবরাহ ব্যর্থ হলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে জরিমানা দিতে হবে, যা শহরের আর্থিক স্থিতিশীলতাকে দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকিতে ফেলে।
উক্ত গণশুনানিতে উপস্থিত বক্তারা বলেন, ঢাকা শহর ইতোমধ্যেই ভয়াবহ বায়ুদূষণের শিকার। এমন বাস্তবতায় ঘনবসতিপূর্ণ আমিনবাজার এলাকায় প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার টন বর্জ্য পোড়ানোর পরিকল্পনা মানে মানুষের শ্বাস নেওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া। এই ইনসিনারেশন প্ল্যান্ট থেকে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইড, ডাইঅক্সিন, ফিউরান ও সূক্ষ্ম কণা শিশু, নারী, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী নারীদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করবে। বক্তারা আরও বলেন, ঢাকার বর্জ্য এখনো উৎসে পৃথকীকরণ ছাড়াই সংগ্রহ করা হয়। এতে বর্জ্যের আর্দ্রতা বেশি এবং জ্বালানিমান অত্যন্ত নিম্ন। এই ধরনের বর্জ্য দিয়ে কার্যকর বিদ্যুৎ উৎপাদন বাস্তবে প্রায় অসম্ভব। ফলে প্রকল্পটি শুরু থেকেই প্রযুক্তিগত ব্যর্থতার ঝুঁকিতে রয়েছে।
গণশুনানির চূড়ান্ত দাবি
গণশুনানি থেকে সর্বসম্মতিক্রমে নিম্নোক্ত সরাসরি ও বাধ্যতামূলক দাবিগুলো উত্থাপন করা হয়-
১. ঢাকা নর্থ ৪২.৫ মেগাওয়াট WTE প্রকল্প অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
২. প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও বিলম্বের কারণে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নির্মাণ পরিকল্পনা স্থগিত ও বাতিল করতে হবে।
৩. প্রকল্পের Power Purchase Agreement (PPA) অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
৪. AIIB এবং NDB-এর সকল অর্থায়ন প্রকল্প থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।
৫. ঢাকার জন্য কার্যকর, বিজ্ঞানভিত্তিক এবং টেকসই Waste Management Plan এবং Renewable Energy Master Plan প্রণয়ন করতে হবে।
৬. পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের প্রভাব নিয়ে জনগণের মতামত ও সম্মতি বাধ্যতামূলকভাবে নিতে হবে।
৭. ভবিষ্যতে কোনো বিদ্যুৎ বা অবকাঠামো প্রকল্পে টেন্ডার ও স্বচ্ছতার নিয়ম এড়ানো যাবে না; সকল প্রক্রিয়া জনস্বার্থ ও জবাবদিহির ভিত্তিতে সম্পন্ন হতে হবে।
গণশুনানি কার্যক্রম সঞ্চালনা করেন প্রতিষ্ঠাতা-স্টার্ট টু স্কেলআপ এবং ফর দ্যা লাইট আলামিন প্রান্ত। গণশুনানির কীনোট বক্তব্য প্রদান করেন ক্যাম্পেইন অফিসার-ক্লিন জনাব মো. নোমান। গণশুনানিতে স্থানীয় ভুক্তভোগী হিসাবে সাক্ষ্য প্রদান করেন রাখেন ড. শাহিন, ইমরান মোল্লা, আল আমিন, এনামুল এবং রবিন। গণশুনানির বিচারকার্য পরিচালনা করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ বাংলাদেশ এর প্রভাষক এবং আইপিডি এর রিসার্চ ফেলো কে. এম. আসিফ ইকবাল আকাশ, অত্র এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং কুন্ডা আইডিয়াল স্কুলের অধ্যক্ষ মো. শাহদাত হোসেন, স্টাফ রিপোটার-দৈনিক মুক্তখবর এর লেখক কবি আল-মায়ামী, নির্বাহী পরিচালক- শিল্ড মো. মাহবুব আলম। তারা স্থানীয় জনগণ, পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। স্থানীয়দের সর্বসম্মতির ভিত্তিতে গণশুনানির প্রধান বিচারক এই রায় ঘোষনা দেন যে, উন্নয়নের নামে স্থানীয়রা বর্জ্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র চায় না; তারা চায় সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ, পরিষ্কার বাতাস এবং ন্যায্য, নিরাপদ ভবিষ্যৎ। এই গণমুখী এবং যুক্তিসম্পন্ন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নর্থ ঢাকা (আমিনবাজার) ৪২.৫ মেগাওয়াট বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। গণশুনানির সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন ফাইনান্স এন্ড এডমিন কোর্ডিনেটর- ক্লিন মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল।