অভয়নগরে আইন শৃঙ্খলা সভায় করোনা পরিস্থিতিই প্রাধান্য

অভয়নগর থেকে মিঠুন দত্ত :

করোনা পরিস্থিতিকে প্রাধান্য দিয়ে অভয়নগর উপজেলায় চলমান লকডাউন বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ আইন শৃঙ্খলা পরিষদের সভা অনুষ্ঠিত হয় । ১৪ জুন সোমবার, উপজেলা পরিষদের সভা কক্ষে এই সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সভায় ক্রমবর্ধমান হারে অভয়নগরে করোনা রোগী বৃদ্ধি পাওয়ায় চলমান কঠোর লকডাউন সফল করার জন্য এলাকার সকল কাউন্সিলর, ইউপি চেয়ারম্যান ও রাজনীতিকদের আহবান করা হয়।

এছাড়া এলাকায় মাদক ও কিশোর অপরাধ বৃদ্ধি পাওয়ায় পুলিশ প্রশাসনকে সহযোগিতা করার জন্য জনপ্রতিনিধিদের আহবান করা হয়।

উক্ত সভায় মতামত পেশ করে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারি কমিশনার ভ’মি, নারায়ন চন্দ্র পাল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান আকতারুজ্জামান তারু, থানার নবাগত অফিসার ইনচার্য মো: শামীম হাসান. নওয়াপাড়া পৌরসভঅর প্যানেল মেয়র মিজানুর রহমান, নওয়াপাড়া হাইওয়ে থানার প্রতিনিধি মো: আব্দুলাহ, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা ফারুক হুসাইন সাগর, ইউপি চেয়ারম্যান মফিজ উদ্দিন, মোহাম্মদ আলী, খান এ কামাল প্রমুখ।




যশোরের অভয়নগরে অস্ত্র দেখিয়ে ভাড়াটিয়াকে ধর্ষণ

আঞ্চলিক প্রতিনিধি:

যশোরের অভয়নগরে ধারালো অস্ত্র দেখিয়ে ৩০ বছর বয়সি দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগে বিটু আহম্মেদ (৪০) নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

১০ জুন বৃহস্পতিবার, ভোররাতে উপজেলার মশরহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মশরহাটি গ্রামের মৃত আব্দুল ওহাবের ছেলে বিটু আহম্মেদের বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন ধর্ষণের শিকার ওই নারী। এ ঘটনায় অভয়নগর থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

অভিযোগ সূত্র ও ধর্ষিতা নারী জানান, কয়েক বছর পূর্বে তার স্বামী দুই সন্তান ও তাকে ফেলে রেখে আরেকটি বিয়ে করে অন্যত্র চলে যায়। এরপর থেকে তিনি সন্তানদের নিয়ে একাই ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর বাড়ির মালিক বিটু তার ঘরের দরজা খুলতে বলেন। দরজা খুললে মাংস কাটা ধারালো চাপট দেখিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। বিষয়টি জানাজানি করলে বিটু তাকে ও তার দুই কন্যা সন্তানকে হত্যা করবে বলে হুমকিও দেন। সকালে তিনি কৌশলে পালিয়ে অভয়নগর থানায় আসেন এবং বিটু আহম্মেদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেন। ধর্ষক বিটুর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন তিনি।

তবে বিটু আহম্মেদ তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার বাড়ির ভাড়াটিয়া ওই নারী আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনার সাথে আমি জড়িত নয়। আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।’

এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার মন্ডল জানান, ধর্ষণের অভিযোগে বিটু আহম্মেদ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধর্ষণ মামলা প্রক্রিয়াধীন আছে। মেডিক্যালের জন্য ওই নারীকে যশোর সদর হাসপাতালে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।




অভয়নগরে প্রতিপক্ষের হাতুড়ির আঘাতে দুই বোন হাসপাতালে।

অভয়নগর থেকে
মিঠুন দত্ত:

হিদিয়া গ্রামে জমিজমা নিয়ে বিবাদে প্রতিপক্ষের হাতুড়ি, হাসুয়া ও লাঠির আঘাতে মৃত উকিল মোল্যার মেয়ে রিক্তা বেগম (২৭) ও শরিফা বেগমকে(৪৮) মারাত্মক যখম হয়েছেন।

বুধবার দুপুরে এ হামলর ঘটানা ঘটে। আহতদের প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক মুক্তাদির রহমান শুভ দিনবদল নিউজ সংবাদদাতাকে জানান, হাতুড়ি, হাসুয়া দিয়ে পিটিয়ে ও পা দিয়ে পিষে রিক্তা ও শরীফাকে মারাত্মক যখম করা হয়েছে। তিনি বলেন, রোগীর মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে হাতুড়ির আঘাত ও বুকে পা দিয়ে পিষে আঘাত করা হয়েছে। পা দিয়ে আঘাত করায় অনুমান করা হচ্ছে বুকের হাড় ভেঙ্গে গেছে।

আহত দুই বোনের অবস্থা আশংকা জনক। তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় মামলা হয়েছে। মামলার এজাহার ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, জমিজমা নিয়ে স্থানীয় সভা শেখের ছেলে মোশারফ হোসেন ও মৃত উকিল মোল্যার ওয়ারেশদের মধ্যে দীর্ঘ্য দিন ধরে বিবাদ চলে আসছে। ঘটনার দিন উকিল মেল্যার ওয়ারিশদের দখলে থাকা নারকেল গাছ থেকে মোশারফ হোসেন তার পক্ষের লোকজন নিয়ে জোর পূর্বক নারকেল পাড়ছিলো। এ সময়ে রিক্তা ও শরীফা বাঁধা দিতে গেলে মোশারফ হোসেনের লোকজন হাতুড়ি, হাসুয়া ও লাঠিসোটা নিয়ে প্রতিপক্ষকে হামলা করে।

হামলার সময়, তাদের হাতুড়ি, হাসুয়া ও লাঠির আঘাতে রিক্তা বেগম ও শরীফা বেগম মারাত্মক যখম হয়। আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানন্তর করা হয়। এ ঘটনায় আহতের ভাই মোহাম্মদ আজিজুর রহমান মোল্যা বাদি হয়ে থানায় মামলা দায়ের করেছেন। মামলা নং ২৮ তারিখ: ২৬/৫/২১।

থানার অফিসার ইনচার্য (তদন্ত) মিলন কুমার মন্ডল জানান, হিদিয়া গ্রামে নারীর ওপর হামলার ঘটনায় মামলা হয়েছে। মামলায় একজন আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতাররের চেষ্টা চলচ্ছে।




চাঁদা না পেয়ে ছাত্রলীগ নেতার মাছ ছিনতাই !

স্থানীয় প্রতিনিধি:

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় চাঁদা না পেয়ে জেলেদের মাছ ছিনিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে জিয়াউর রহমান (৩০) নামে এক সাবেক ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে।

এ সময় মাছ ছিনতাইয়ে বাধা দিতে গেলে মতিয়ার রহমান (৪৮) নামে এক ইউপি সদস্যকে মারধর করেন ওই ছাত্রলীগ নেতা। পরে স্থানীরা আহত ওই ইউপি সদস্যকে উদ্ধার করে হাতীবান্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। এ ঘটনায় সোমবার (১৯ এপ্রিল) রাতে ভুক্তভোগী জেলে রহমত আলী বাদী হয়ে জিয়াকে প্রধান আসামি করে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন।

এর আগে ১৭ এপ্রিল শনিবার দুপুরে হাতীবান্ধা উপজেলায় অবস্থিত দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজের এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের তিস্তা নদীতে এ ঘটনাটি ঘটে। অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান উপজেলার দোয়ানী পিত্তিফাটা এলাকার ২নং ওয়ার্ডের মৃত লিয়াকত আলীর ছেলে। আহত ইউপি সদস্য দোয়ানী পিত্তি ফাটা এলাকার ডা. মো. দবির উদ্দিনের ছেলে এবং উপজেলার গড্ডিমারী ইউপির ৩নং ওয়ার্ড সদস্য।

ভুক্তভোগী ও মামলার বাদী জেলে রহমত আলী উপজেলার দোয়ানী পিত্তিফাটা এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের মৃত পাহালি প্রামানিকের ছেলে এবং তিনি দোয়া তিস্তা ব্যারাজ মৎসজীবী সমবায় সমিতির সভাপতি।

থানায় দায়েরকৃত লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, দেশের বৃহত্তম সেচ প্রকল্প তিস্তা ব্যারাজ এলাকায় অসহায় গরিব ২২ জন জেলেদের নিয়ে গঠিত দোয়ানী তিস্তা ব্যারাজ মৎস্যজীবী সমবায় সমিতি। সেই সমিতির সভাপতি জেলে রহমত আলীর নেতৃত্বে ব্যারাজের পেছনের তিস্তা নদী থেকে জাল দিয়ে মাছ ধরে বিক্রি করেই জীবিকা নির্বাহ করেন সমিতির সকলে।
প্রায় বছর দুই আগ থেকে চাঁদার জন্য জেলেদের নদী থেকে মাছ ধরতে বাধা দিয়ে আসতেছে জিয়া গং। এরই মাঝেই বেশ কয়েকবার চাঁদা টাকা না পেয়ে ঝামেলা করে জোর পূর্বক ২-৩ কেজি বৈরালী মাছ নিয়ে চলে যায়। টাকাতো দেইনা উল্টো ১০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন

১৯ এপ্রিল সোমবার তিস্তা ব্যারাজ এলাকার ৩নং ওয়ার্ডের তিস্তা নদীতে জাল দিয়ে মাছ ধরছিল জেলেরা। এ সময় জিয়াসহ কয়েকজন সেখানে গিয়ে মাছ ধরতে বাধা দিয়ে ১০ হাজার টাকা দাবি করেন। এতে রহমত আলীসহ অন্যান্যরা চাঁদা দিতে অপরাগতা প্রকাশ করেন।

জিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে জেলেদের ধরা ৮শত টাকা মূল্যের বৈরালী মাছ জোর পূর্বক ছিনিয়ে নিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করলে এতে বাধা দেন জেলে রহমত আলী। ফলে জিয়া গং রহমতের উপর হামলা চালিয়ে মারধর শুরু করে। এ সময় গড্ডিমারী ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমাস এগিয়ে এলে জিয়া ও তার দলবল তাকেও মারধর করেন।

এ বিষয়ে আহত ইউপি সদস্য মতিয়ার রহমান বলেন, ওই জিয়া প্রায় জেলেদের উপর অবিচার করে। জেলেরা অনেক কষ্টে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। তারা দশ হাজার টাকা কই পাবে। উল্টো টাকা ছাড়া মাছ নিয়ে যায়। বাধা দেয়ায় রহমতকে মারধর করে। আমিও বাধা দিতে গিয়ে জিয়ার মারধরের স্বীকার হই। আমি জিয়ার বিচার চাই।

এ বিষয়ে হাতীবান্ধা উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ফাহিম শাহরিয়ার জিহান বলেন, জিয়া বর্তমান ছাত্রলীগের কেউ না। দোয়ানী শাখা ছাত্রলীগের কমিটির সাবেক সভাপতি। এখন ছাত্রলীগের কোনো পদে বা কমিটিতেই নেই। সে সম্ভবত যুবলীগের রাজনীতি করে।

হাতীবান্ধা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এরশাদুল আলম বলেন, অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।




গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতির ইন্তেকাল

গাজীপুর সংবাদদাতা :

গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক লাখো কণ্ঠের গাজীপুর জেলা প্রতিনিধি মোঃ রোমান শাহ আলম (৫২) কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়ে গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৯ এপ্রিল (শুক্রবার) রাত ২টার সময় ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন)।

তার মৃত্যুতে ক্লাবের প্রধান উপদেষ্টা ও বঙ্গবন্ধু গবেষণা পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল গভীর শোক ও তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন। এক বিবৃতিতে লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল বলেন, মোঃ রোমান শাহ আলম একজন নির্লোভ, নিরহংকার ও সদাহাস্যজ্জ্বল মানুষ ছিলেন। মরহুমের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে তিনি আরো বলেন, গাজীপুর জেলা রিপোর্টার্স ক্লাবে মরহুমের অবদান চিরদিন স্মরণীয় হয়ে থাকবে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রী ও দুই মেয়েসহ অসংখ্য গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।




৯৯৯-এ ফোন করে বিষপান!

দিনবদল ডেস্কঃ

‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে পারিবারিক এবং স্বাস্থ্যগত সমস্যার কথা জানিয়ে বিষপান করা এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে জীবন বাঁচিয়েছে ঝালকাঠির নলছিটি থানা পুলিশ। ৯৯৯-এ কথা বলার একপর্যায়ে কালেমা পড়ে আল্লাহু আকবর বলে বিষপান করেন তিনি। এরপর একটি চিৎকারের আওয়াজের পর ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ৯৯৯-এ একজন ফোন করে জানান, তিনি বিভিন্ন কারণে হতাশাগ্রস্ত। তিনি পেশায় একজন গাড়িচালক। বিবাহিত কিন্তু নিঃসন্তান। তার ডায়াবেটিস ও চোখের সমস্যাসহ নানা শারীরিক সমস্যা রয়েছে। এছাড়াও তার জায়গা-জমির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে ভাইদের সঙ্গে বিরোধ চলছে। পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে তিনি ও তার স্ত্রী অপমানের শিকার হচ্ছেন। এ কারণে তিনি আর বেঁচে থাকতে চান না।

আনোয়ার সাত্তার বলেন, কান্নাজড়িত কণ্ঠে ওই ব্যক্তি আরও জানান, তিনি দুই বোতল বিষ কিনে এনেছেন। ৯৯৯-এর কাছে তার মনের কষ্ট জানিয়ে তিনি বিষ পান করবেন।

৯৯৯-এর পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার আরও জানান, ৯৯৯ থেকে তাকে আশ্বস্ত করা হয় তার সমস্যার আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে। এ ধরনের আত্মঘাতী কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য তাকে অনুরোধ জানানো হয়। ইতোমধ্যে কলারের (ওই ব্যক্তির) ঠিকানা জেনে নেয় পুলিশ। তার বাড়ি ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থানার ষাইটপাইক্যা গ্রামে।

৯৯৯ কলারের সঙ্গে কনফারেন্সের মাধ্যমে নলছিটি থানার ডিউটি অফিসারের কথা বলিয়ে দেয়। থানা থেকেও কলারকে বোঝানো হয় আত্মহত্যা করলে তার কোনো সমস্যার সমাধান হবে না। ডিউটি অফিসারের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে কালেমা পড়ে আল্লাহু আকবর বলে ওই ব্যক্তি বিষ পান করেন। এরপর একটি চিৎকারের আওয়াজ শোনা যায়, পরে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এরপর নলছিটি থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। নলছিটি থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মিনহাজ ৯৯৯-কে জানান, তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অজ্ঞান অবস্থায় আত্মহত্যাচেষ্টাকারী ব্যক্তিকে (৩৬) উদ্ধার করে তার আত্মীয়স্বজনের সহায়তায় নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ওই ব্যক্তিকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। এরপর আত্মহত্যাচেষ্টাকারী ব্যক্তিকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের নায়েক মাসুদ ৯৯৯-কে জানান, ওই ব্যক্তির পাকস্থলী ওয়াস বা পরিষ্কার করা হয়েছে। তার জ্ঞান ফিরেছে, তবে তাকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।৯৯৯-এ ফোন করে বিষপান !

দিনবদল ডেস্কঃ

‘জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯’ নম্বরে ফোন করে পারিবারিক এবং স্বাস্থ্যগত সমস্যার কথা জানিয়ে বিষপান করা এক ব্যক্তিকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করে জীবন বাঁচিয়েছে ঝালকাঠির নলছিটি থানা পুলিশ। ৯৯৯-এ কথা বলার একপর্যায়ে কালেমা পড়ে আল্লাহু আকবর বলে বিষপান করেন তিনি। এরপর একটি চিৎকারের আওয়াজের পর ফোনের সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এর পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে ৯৯৯-এ একজন ফোন করে জানান, তিনি বিভিন্ন কারণে হতাশাগ্রস্ত। তিনি পেশায় একজন গাড়িচালক। বিবাহিত কিন্তু নিঃসন্তান। তার ডায়াবেটিস ও চোখের সমস্যাসহ নানা শারীরিক সমস্যা রয়েছে। এছাড়াও তার জায়গা-জমির ভাগবাটোয়ারা নিয়ে ভাইদের সঙ্গে বিরোধ চলছে। পরিবারের অন্য সদস্যদের কাছে তিনি ও তার স্ত্রী অপমানের শিকার হচ্ছেন। এ কারণে তিনি আর বেঁচে থাকতে চান না।

আনোয়ার সাত্তার বলেন, কান্নাজড়িত কণ্ঠে ওই ব্যক্তি আরও জানান, তিনি দুই বোতল বিষ কিনে এনেছেন। ৯৯৯-এর কাছে তার মনের কষ্ট জানিয়ে তিনি বিষ পান করবেন।

৯৯৯-এর পরিদর্শক আনোয়ার সাত্তার আরও জানান, ৯৯৯ থেকে তাকে আশ্বস্ত করা হয় তার সমস্যার আইনি সহায়তা প্রদান করা হবে। এ ধরনের আত্মঘাতী কাজ থেকে বিরত থাকার জন্য তাকে অনুরোধ জানানো হয়। ইতোমধ্যে কলারের (ওই ব্যক্তির) ঠিকানা জেনে নেয় পুলিশ। তার বাড়ি ঝালকাঠি জেলার নলছিটি থানার ষাইটপাইক্যা গ্রামে।

৯৯৯ কলারের সঙ্গে কনফারেন্সের মাধ্যমে নলছিটি থানার ডিউটি অফিসারের কথা বলিয়ে দেয়। থানা থেকেও কলারকে বোঝানো হয় আত্মহত্যা করলে তার কোনো সমস্যার সমাধান হবে না। ডিউটি অফিসারের সঙ্গে কথা বলার একপর্যায়ে কালেমা পড়ে আল্লাহু আকবর বলে ওই ব্যক্তি বিষ পান করেন। এরপর একটি চিৎকারের আওয়াজ শোনা যায়, পরে ফোন সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

এরপর নলছিটি থানা পুলিশের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। নলছিটি থানার সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) মিনহাজ ৯৯৯-কে জানান, তারা দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে অজ্ঞান অবস্থায় আত্মহত্যাচেষ্টাকারী ব্যক্তিকে (৩৬) উদ্ধার করে তার আত্মীয়স্বজনের সহায়তায় নলছিটি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। কিন্তু সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে ওই ব্যক্তিকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। এরপর আত্মহত্যাচেষ্টাকারী ব্যক্তিকে বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়।

বরিশাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের নায়েক মাসুদ ৯৯৯-কে জানান, ওই ব্যক্তির পাকস্থলী ওয়াস বা পরিষ্কার করা হয়েছে। তার জ্ঞান ফিরেছে, তবে তাকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হবে।




জনসংহতি সমিতির আভ্যন্তরীণ বিরোধে একজন খুন

স্থানীয় সংবাদদাতা :

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় নিজ দলের সহযোদ্ধার হাতে খুন হয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (এমএনলারমা) কর্মী বিশ্বমিত্র চাকমা (৩৫)। মঙ্গলবার রাতে সংগঠনটির নিয়ন্ত্রিত এলাকা হিসেবে পরিচিত উপজেলার বাবুপাড়া এলাকায় এই হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটলেও সকালে জানার পর পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে।

বাঘাইছড়ি উপজেলা চেয়ারম্যান ও জনসংহতি সমিতির (এমএনলারমা) কেন্দ্রীয় কমিটির আইন বিষয়ক সম্পাদক সুদর্শন চাকমা জানিয়েছেন, নিহত বিশ্বমিত্র এবং হত্যাকারী সুজন আমাদের কর্মী ছিলেন। কিন্তু সুজন গোপনে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির সাথে যে আঁতাত করেছিলেন সেটা আমরা জানতাম না। গত রাতে একসাথে থাকাকালে তিনি (সুজন) বিশ্বমিত্র চাকমাকে গুলি করে হত্যা করে পালিয়ে গিয়ে সন্তু লারমার দলে যোগ দিয়েছেন বলে জেনেছি।

নিহত বিশ্বমিত্র চাকমা সহযোগী সংগঠন যুব সমিতির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

তবে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জনসংহতি সমিতির উপজেলা কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক ত্রিদিব চাকমা জানিয়েছেন, আমরা এসবের কিছুই জানি না। এটা তাদের আভ্যন্তরীণ বিষয়।

বাঘাইছড়ি থানার ওসি আনোয়ার হোসেন খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, জনসংহতি সমিতির আভ্যন্তরীণ বিরোধে একজন মারা যাওয়ার খবর পেয়ে আমরা লাশ উদ্ধার করি এবং মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছি। এই বিষয়ে নিহতের স্বজনরা মামলা করবেন বলে জানিয়েছেন। মামলার পর আমরা আমাদের পরবর্তী পদক্ষেপ নেব।