আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মৃত্যুদণ্ড !

সোমবার,
২ অগ্রহায়ণ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
১৭ নভেম্বর ২০২৫ ইং,

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদকঃ

জুলাই আন্দোলনে সংঘটিত হতাহতের ঘটনায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে অন্তর্বর্তী কালীন সরকারের করা মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা দিয়ে রায় ঘোষণা করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল। আর পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

১৭ নভেম্বর সোমবার, ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ রায় দেন। ট্রাইব্যুনালের অন্য দুই সদস্য হলেন—বিচারপতি শফিউল আলম মাহমুদ ও বিচারক মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।

রায়ে ট্রাইব্যুনাল বলেছেন, শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির অপরাধ প্রমাণিত। দুটি অভিযোগে শেখ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। একটি অভিযোগে আসাদুজ্জামান খান কামালকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে। অ্যাপ্রুভার (রাজসাক্ষী) হওয়ায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল–মামুনকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

বৈষম্য বিরোধী ও কোটা বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতন ঘটে। শেখ হাসিনা ভারতে চলেযান। এর মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারের দীর্ঘ প্রায় ১৬ বছরের শাসনের অবসান ঘটে।

আজ দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে কার্যক্রম শুরু হয়। ৪৫৩ পৃষ্ঠার এই রায়ে ছয়টি অংশ রয়েছে।

ট্রাইব্যুনাল-১–এর এজলাস থেকে রায় ঘোষণার কার্যক্রম সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। মানবতাবিরোধী অপরাধের ঘটনায় করা এটিই প্রথম মামলা, যার রায় আজ ঘোষণা করা হলো। একই সঙ্গে দেশের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো কোনো প্রধানমন্ত্রী মানবতাবিরোধী অপরাধে বিচার শেষে সাজার মুখোমুখি হয়েছেন।

২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পুনর্গঠন করা হয়। পুনর্গঠিত ট্রাইব্যুনালে প্রথম মামলার কার্যক্রম শুরু হয় গত বছরের ১৭ অক্টোবর। সেদিন শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে প্রথম মামলা (মিসকেস বা বিবিধ মামলা) হয়। একই দিনে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ট্রাইব্যুনাল।

এ মামলায় প্রথমে শেখ হাসিনাই ছিলেন একমাত্র আসামি। এরপর চলতি বছরের ১৬ মার্চ শেখ হাসিনার পাশাপাশি সাবেক আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুনকেও এ মামলায় আসামি করা হয়। একাধিকবার সময় বাড়ানোর পর চলতি বছরের ১২ মে এই মামলায় চিফ প্রসিকিউটরের কার্যালয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয় ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা।

এ মামলায় আসামি হিসেবে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের নাম প্রথমবারের মতো আসে তদন্ত প্রতিবেদনে। ১২ মে থেকে এ মামলায় আসামি হন তিনজন শেখ হাসিনা, আসাদুজ্জামান ও চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে গত ১ জুন ট্রাইব্যুনালে ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করে প্রসিকিউশন।

প্রসিকিউশনের দাখিল করা অভিযোগপত্রটি ছিল ১৩৫ পৃষ্ঠার। এর সঙ্গে আট হাজার ৭৪৭ পৃষ্ঠার বিভিন্ন নথি ও তথ্যপ্রমাণ জমা দেওয়া হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার জানে আলম খান ও মো. আলমগীর।

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তিনজনের বিরুদ্ধে পাঁচটি অভিযোগ আনা হয়। পাঁচটি অভিযোগ হলো উসকানিমূলক বক্তব্য প্রদান; প্রাণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের নির্মূল করার নির্দেশ; রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র আবু সাঈদকে গুলি করে হত্যা; রাজধানীর চানখাঁরপুল এলাকায় আন্দোলনরত ছয়জনকে গুলি করে হত্যা এবং আশুলিয়ায় ছয়জনকে পুড়িয়ে হত্যা করা।

ফরমাল চার্জ দাখিলের মাধ্যমে ‘মিসকেস’ আনুষ্ঠানিকভাবে মামলায় রূপ নেয়। এ মামলায় গত ১০ জুলাই আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠন করেন ট্রাইব্যুনাল। সেদিনই সাবেক আইজিপি মামুন ‘অ্যাপ্রুভার’ (রাজসাক্ষী) হওয়ার আবেদন করেন।

গত ৩ আগস্ট এ মামলায় সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়। সূচনা বক্তব্য টেলিভিশনে সরাসরি সম্প্রচার করা হয়। সূচনা বক্তব্যের পর এই মামলায় প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে গুরুতর আহত হওয়া খোকন চন্দ্র বর্মণ। তার সাক্ষ্য গ্রহণের মধ্য দিয়ে শেখ হাসিনাসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হয়।

এ মামলায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামসহ মোট ৫৪ জন সাক্ষী জবানবন্দি দেন। সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয় ৮ অক্টোবর। এরপর যুক্তিতর্ক শুরু হয় ১২ অক্টোবর। এটি শেষ হয় ২৩ অক্টোবর। সর্বশেষ ১৩ নভেম্বর ট্রাইব্যুনাল জানান, আজ ১৭ নভেম্বর, এ মামলার রায় ঘোষণা করা হয়।

মামলার তিন আসামির মধ্যে শেখ হাসিনা ও আসাদুজ্জামান খান কামাল দুজনেই ভারতে রয়েছেন। এ মামলায় গ্রেফতার একমাত্র আসামি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন নিজের দোষ স্বীকার করে ‘অ্যাপ্রুভার’ বা রাজসাক্ষী হিসেবে ট্রাইব্যুনালে জবানবন্দি দেন।




ঢাকায় বৃহত্তর বগুড়া সমিতির বর্নাঢ্য আয়োজনে এক অসাধারণ মিলনমেলা অনুষ্ঠিত

সম্প্রতি ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স বাংলাদেশ (আইডিইবি), ভিআইপি রোড, কাকরাইল ঢাকার ৪টি অডিটোরিয়ামে একযোগে সকাল ১০টা থেকে দিনব্যাপী বৃহত্তর বগুড়া সমিতি, ঢাকা এর সাধারণ সভা, নবনির্বাচিত কার্যকরী পরিষদের অভিষেক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
বৃহত্তর বগুড়া সমিতি, ঢাকা’র সভাপতি ও বিএনপির মিডিয়া সেল এর আহ্বায়ক অধ্যাপক ডা: মওদুদ হোসেন আলমগীর পাভেল এর সভাপতিত্বে এবং সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট মোঃ রবিউল হোসেন রবি’র সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন সমিতির সাধারণ সম্পাদক জনাব মোঃ মোশাররফ হোসেন চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে মঞ্চে উপবিষ্ট ছিলেন দৈনিক করতোয়ার সম্পাদক মোঃ মোজাম্মেল হক লালু, স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব সুরাইয়া বেগম, বিজি প্রেস এর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, মর্ডান মেডিকেল কলেজের চর্ম ও যৌন রোগ বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. এ জেড এম মাইদুল ইসলাম, নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহা. হাছানাত আলী, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার ও ডিবি প্রধান মোঃ শফিকুল ইসলাম, সিটি এসবি’র ডিআইজি মীর আশরাফ আলী, র‌্যাব এর অতিরিক্ত মহাপরিচালক মোঃ ফারুক আহমেদ, এলজিইডি’র অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী এবিএম রেজাউল বারী শাহীন, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার ড. মোঃ আব্দুর রব, বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য কে এম মাহবুবার রহমান হারেজ, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিচালক ড. মোঃ এমদাদুল হক, সাবেক অতিঃ পুলিশ সুপার এবং সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ ইন্তেজার রহমান, বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক আনোয়ার হোসেন মুকুল এবং জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ তৌহিদুল ইসলাম টিটু প্রমুখ। অনুষ্ঠানে শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মোঃ জাহিদুর রহমান দীপু, শোক প্রস্তাব উপস্থাপন করেন সহ-সভাপতি আ ফ ম জিন্নাতুল ইসলমা তপন, গঠনতন্ত্র সংশোধনী উপস্থাপন করেন সহ-সভাপতি ড. এ কে এম আহসান হাবিব রুবেল এবং অডিট ও বাজেট উপস্থাপন করেন সমিতির অর্থ সম্পাদক ড. মোঃ হালিম উল হক লিটন। সংক্ষিপ্ত বক্তব্য রাখেন সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ মোকাররম হোসেন, সহ-সভাপতি ডাঃ মোঃ আতাউর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ শফিকুল ইসলাম শফিক। অনুষ্ঠানে বগুড়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট বিএনপি নেতা ও ভূ-রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞ কর্ণেল (অবঃ) মোঃ জগলুল আহসান, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের মার্কেটিং চীফ মোঃ আফজাল হোসেন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক মোঃ লিয়াকত আলী, ডাক অধিদপ্তরের পরিচালক আ স ম নাসিমুল ইসলাম লেমন, রেজিষ্ট্রেশন অধিদপ্তরের নওগাঁ জেলা রেজিস্ট্রার মোঃ সাইফুল ইসলাম, এনএসআই’র অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ আলমগীর হোসেন, অতিরিক্ত পরিচালক শামসুদ্দোহা, বাংলাদেশ ব্যাংকের অতিরিক্ত পরিচালক নুরুন্নবী রয়েল, শিক্ষা অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোঃ ফারুক আহমেদ, ঢাকাস্থ বগুড়া আইনজীবী সমিতির সভাপতি মোঃ মশিউর রহমান এবং সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট বেলাল হোসাইন, বীমা ব্যক্তিত্ব মাকসুদুর হক মাসুম, বগুড়া জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ জিয়াউল হক লিপন, দপ্তর সম্পাদক এবং বগুড়া জজ কোর্টের অতিরিক্ত পিপি এডভোকেট কে এম হুমায়ুন ইসলাম,সহ সরকারি-বেসরকারী বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাবৃন্দ, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, আইনজীবী, শিক্ষাবিদ, সংস্কৃতিকর্মী, ব্যবসায়ী-শিল্পপতি, সমাজসেবক ও উদ্যোক্তাবৃন্দ। মধ্যাহ্নভোজে দুই হাজারের অধিক বগুড়াবাসীকে আপ্যায়ন করা হয়। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত দর্শক স্রোতাকে সুরের মুর্ছনায় মাতিয়ে রাখেন দেশবরেণ্য সঙ্গীতশিল্পী কনকচাঁপা, জিনিয়া জাফরিন লুইপা, সজল মাহমুদ, মেজবাহ বাপ্পি, ম্যাক আপেল প্রমুখ। সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে সার্বিক দায়িত্বে ছিলেন সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ মোস্তাইন বিল্লাহ এবং সাংস্কৃতিক সম্পাদক সৈয়দ আহসান হাবিব আলোক। শেষ পর্বে লটারির ড্র অনুষ্ঠিত হয়। এটি পরিচালনা করেন সমিতির সহ-সভাপতি এ কে এম লুৎফুল বারী মুকুল এবং যুগ্ম সম্পাদক মোঃ সালজার রহমান।




২৮ অক্টোবর পল্টন হত্যাকান্ডে হুকুমের আসামী হাসিনাসহ সকল গণহত্যার বিচার ট্রাইব্যুনালে করতে হবে: নাগরিক মঞ্চের নেতৃবৃন্দ

ফ্যাসিবাদের সূচনা ও স্বৈরশাসনের প্রথম ছবক শুরু হয় ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টনে জামায়াতের শান্তিপূর্ণ সমাবেশে আওয়ামী হায়েনা কর্তৃক লগি বৈঠা দিয়ে নৃশংস হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে। সেদিন জামায়াতকে দমনের মাধ্যমে এক দলীয় শাসন ব্যবস্থা কায়েমের মনোবাসনায় ৪ দলীয় ঐক্য জোটের শরীক বিএনপির নেতাকর্মীরা পল্টন দলীয় কার্যালয়ের সামনে অবস্থান করা শত্বেও জামায়াত নেতাদের প্রতি সামান্য সহানুভূতি প্রকাশ করেনি। পুলিশ প্রশাসনসহ সেদিন আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও অদৃশ্য শক্তির ইশারায় হত্যাকান্ড বন্ধে নিরব ভূমিকা পালন করে। পরবর্তীতে মঈনুদ্দিন-ফখরুদ্দীন সরকার শেখ হাসিনা তথা আওয়ামী লীগের সাথে ভারতের পরামর্শে নীল নকশার নির্বাচনের মাধ্যমে ক্ষমতা গ্রহণ করে। এরপর টানা ১৬ বছরের স্বৈর শাসনের কবলে পরে বাংলাদেশ। দেশকে ধ্বংস করতে পিলখানা হত্যাকান্ড, শাপলাচত্বর হত্যাকান্ড, এইট মার্ডারসহ বিরোধী মত দমনের লক্ষ্যে গুম-খুন, আয়নাঘর দিয়ে মৃত্যুপুরীতে পরিণত করে দেশকে। গত ২৪’র জুলাই আগস্টের আন্দোলনে বিপ্লবী ছাত্র-জনতার জীবনের বিনিময়ে খুনী হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকারকে পরাজিত করে বাংলাদেশকে ফ্যাসিবাদমুক্ত করা হয়। বক্তারা সকল গুম-খুন ও সকল বিশ্ববিদ্যালয়ে মেধাবী ছাত্রদের হত্যাকান্ডসহ পল্টন হত্যাকান্ডের বিচার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে করার দাবি জানান।

৩০ অক্টোবর বৃহস্পতিবার সকালে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে নাগরিক মঞ্চ কর্তৃক আয়োজিত ২০০৬ সালের ২৮ অক্টোবর পল্টন ট্রাজেডি খুনিদের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দ্রুত বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা উপরোক্ত কথা বলেন।

নাগরিক মঞ্চ’র প্রধান সমন্বয়কারী আহসান উল্লাহ শামীম এর সভাপতিত্বে উক্ত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন নাগরিক মঞ্চের সমন্বয়কারী ও বাংলাদেশ ইসলামী দলের চেয়ারম্যান মোঃ হুমায়ুন কবির, ইসলামী সমাজতান্ত্রি দলের চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ জাস্টিস পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট আবুল কাশেম মজুমদার, বাংলাদেশ শ্রমজীবী পার্টির চেয়ারম্যান লায়ন আব্দুল কাদের জিলানী, বাংলাদেশ গণআজাদী লীগের চেয়ারম্যান মোঃ আতাউল্লাহ খান, ইউনাইটেড পাবলিক কাউন্সিলের চেয়ারম্যান এডভোকেট মাহবুবুর রহমান, জাতীয় সাংস্কৃতিক পরিষদের সভাপতি শিল্পী মোঃ আব্দুল জব্বার, বাংলাদেশ ইসলামী দলের মহাসচিব মুফতি মোঃ হেলাল উদ্দিন, বিশিষ্ট ইসলামী গবেষক ও জামায়াত নেতা মোঃ জহিরুল ইসলাম, ন্যাশনাল লেবার পার্টির মুখপাত্র মোঃ শরিফুল ইসলামসহ প্রমুখ।




আজ দুপুর ১২টা থেকে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ!

দিনবদল ডেস্ক: আজ দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন মেট্রোরেলের যাত্রীরা।
রাজধানীর ফার্মগেটে মেট্রোরেলের পিলার থেকে বিয়ারিং প্যাড খুলে পড়ে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তই বন্ধ রয়েছে মেট্রোরেল চলাচল।

সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান আজ বেলা তিনটার কিছু পরে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, মেট্রোরেলের আগারগাঁও থেকে উত্তরা অংশে ট্রেন চলাচল শুরু হয়ে গেছে। বাকি অংশ চালু করতে একটু সময় লাগবে। কারণ, ক্রেন আসতে হবে। আবার দুর্ঘটনা যাতে না ঘটে, সে জন্য মেরামতের পর পরীক্ষা করতে হবে।

আজ বেলা ২টা ১০ মিনিটে মেট্রোরেল পরিচালনাকারী সংস্থা ঢাকা মাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) তাদের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে কারিগরি ত্রুটির কারণে মেট্রোরেল চলাচল সাময়িক বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে।




অবিলম্বে শিক্ষা ও ইতিহাস কমিশন গঠন করুন : অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজী

অবিলম্বে শিক্ষা ও ইতিহাস কমিশন গঠনের দাবি জানিয়েছেন কবি, সমাজবিজ্ঞানী ও মানবতন্ত্র প্রবর্তক অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজী। ২৫ অক্টোবর ২০২৫ শনিবার বিকেল ৫টায় রাজধানীর একটি অভিজাত রেস্তোরাঁয় আয়োজিত “শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক : জীবন ও কর্ম” শীর্ষক আলোচনা সভায় মূল প্রবন্ধ উপস্থাপনকালে তিনি এ দাবি জানান।

সাবেক সচিব সৈয়দ মার্গুব মোর্শেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা বিচারপতি মীর হাসমত আলী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন জিয়া সাংস্কৃতিক সংগঠন (জিসাস)-এর কেন্দ্রীয় সভাপতি কেয়া চৌধুরী, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব বুলবুল আহমেদ, সমাজকর্মী মোশাররফ হোসেন প্রমুখ।

মূল প্রবন্ধে অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজী বলেন, “আমাদের শিক্ষা ও ইতিহাস বিকৃতির শিকার হয়েছে। জাতিকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে হলে একটি স্বাধীন ও কার্যকর শিক্ষা ও ইতিহাস কমিশন অবিলম্বে গঠন করা প্রয়োজন।” তিনি শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের জীবন ও কর্মের ওপর আলোকপাত করে বলেন, “শেরে বাংলার ন্যায় নেতার আদর্শ আজও প্রাসঙ্গিক। তাঁর মানবকল্যাণমূলক চিন্তাধারাকে শিক্ষানীতিতে অন্তর্ভুক্ত করা সময়ের দাবি।”

অধ্যাপক ড. মু. নজরুল ইসলাম তামিজী শেরে বাংলা এ. কে. ফজলুল হকের রাজনৈতিক প্রজ্ঞা, কৃষক-শ্রমিকবান্ধব নীতি এবং মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, তরুণ প্রজন্মকে তাঁর আদর্শে উদ্বুদ্ধ করতে শিক্ষা ও ইতিহাস গবেষণায় নতুন দিক উন্মোচন করা জরুরি।

তিনি আরও বলেন, মানবতন্ত্র (হোমোক্রেসি) ও শেরে বাংলার রাষ্ট্র দর্শন প্রতিষ্ঠিত হলে জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হবে।




রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে মাদক সহ একজনকে গ্রেফতার করেছে র‍্যাব -১০

সোমবার,
৫ কার্তিক ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
২০ অক্টোবর ২০২৫ ইং,

স্টাফ রিপোর্ট:

রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকা থেকে আনুমানিক সাড়ে চার লক্ষ টাকা মূল্যের ১৫ কেজি গাঁজাসহ একজন মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)-১০।
 
র‌্যাব-১০ এর একটি দল আজ (২০ অক্টোবর) বিকেল আনুমানিক ৫ টা ১০ মিনিটে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে যাত্রাবাড়ী থানাধীন রহমান সুপার মার্কেট এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।অভিযানে গ্রেফতার করা হয় মোঃ এরশাদ হোসেন (২৬) নামের এক মাদক ব্যবসায়ী কে।
তার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয় ১৫ কেজি গাঁজা যার বাজার মূল্য আনুমানিক ৪,৫০,০০০ (চার লক্ষ পঞ্চাশ হাজার) টাকা।

র‌্যাব জানায়, গ্রেফতারকৃত এরশাদ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে দেশের সীমান্তবর্তী অঞ্চল থেকে অবৈধভাবে গাঁজাসহ বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সংগ্রহ করে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ কর এবং আসছিল তার নামে মাদক দ্রব্য নিযন্ত্রণ আইনে মামলা আছে।

র‌্যাব কর্মকর্তারা জানায়, মাদক সমাজের জন্য এক ভয়াবহ অভিশাপ। এটি যুব সমাজকে ধ্বংস করছে, ভবিষ্যতেও মাদক, অস্ত্র, সন্ত্রাস ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে র‌্যাবের অভিযান অব্যাহত থাকবে।




ঝিলমিল প্রকল্প এলাকার অগ্রগতি পরিদর্শন করলেন রাজউক চেয়ারম্যান

বুধবার,
৩১ আশ্বিন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৫ অক্টোবর ২০২৫ ইং।

শেখ সাজ্জাদ মাহমুদ : রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) আওতাধীন ঝিলমিল আবাসিক এলাকায় নির্মাণাধীন একটি স্কুল ও কলেজ ভবন সহ নির্মাণাধীন মসজিদ ও কবরস্থানের বাস্তবায়ন অগ্রগতি সরেজমিনে পরিদর্শন করলেন রাজউক চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার মো. রিয়াজুল ইসলাম।

১৪ অক্টোবর মঙ্গলবার তিনি সমগ্র ঝিলমিল প্রকল্প এলাকা ঘুরে দেখেন ও চলমান বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম তদারকি করেন।

রাজউকের পক্ষ থেকে জানানো হয়, ঝিলমিল আবাসিক এলাকার ভবিষ্যৎ বাসিন্দাদের কাছে নাগরিক সুযোগ-সুবিধা পৌঁছে দেওয়ার জন্য প্রকল্পের ২ নং সেক্টরে ০.৭৪ একর জমিতে চারতলা একটি মসজিদ এবং ০.৯৪ একর জমির উপর ছয়তলা একটি স্কুল ও কলেজের নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। নির্মাণাধীন স্কুল ভবনটি প্রস্তাবিত রাজউক ঝিলমিল মডেল কলেজ হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে যাচাই-বাছাইয়ের জন্য রাজউক উত্তরা মডেল কলেজের অধ্যক্ষ ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. এনামুল ইসলাম সহ কলেজের অন্যান্য শিক্ষকদের সমন্বয়ে একটি প্রতিনিধিদল ভবনটি পরিদর্শন করে।

এ সময় পরিদর্শনকালে রাজউক চেয়ারম্যান বলেন, ঝিলমিল প্রকল্পের মতো পরিকল্পিত ও নাগরিক সুযোগ-সুবিধা-সম্বলিত এত বৃহৎ পরিসরের আবাসিক এলাকা এবং প্রকল্পের বাইরের তৎসংলগ্ন এলাকায় মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে নির্মাণাধীন এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি অসামান্য অবদান রাখবে।

রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ঝিলমিল প্রকল্পে একটি বিশ্বমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান স্থাপন, দৃষ্টিনন্দন ধর্মীয় উপাসনালয় নির্মাণ, নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার সহ অন্যান্য সকল ধরনের নাগরিক সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিতকরণে রাজউক ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট সকলে নিরলস প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

তিনি মসজিদ, স্কুল ও কবরস্থানের সামগ্রিক নির্মাণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন এবং নির্মাণ কাজ দ্রুত সমাপ্ত করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।

পরিদর্শনকালে রাজউক চেয়ারম্যান আরও জানান, অতিদ্রুত ঝিলমিল আবাসিক এলাকাকে বাসযোগ্য এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধাসমৃদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল ধরনের কার্যক্রম গ্রহণ করা হচ্ছে।




শিয়ালবাড়িতে আগুনের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ১৬

মঙ্গলবার,
৩০ আশ্বিন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৪ অক্টোবর ২০২৫ইং
শেখ সাজ্জাদ মাহমুদ :

মিরপুরের শিয়ালবাড়িতে পোশাক কারখানা ও রাসায়নিকের গুদামে আগুনের ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ১৬ জন। এ ঘটনায় হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফায়ার সার্ভিসের ভাষ্যমতে, রাসায়নিকের গুদামের আগুন এখনো নেভেনি। পোশাক কারখানার আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণচেষ্টার পাশাপাশি সেখানে তল্লাশি চালানো হচ্ছে।

মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে সেখানে এই আগুনের সূত্রপাত ঘটে। ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায়, শিয়ালবাড়িতে চারতলা ভবনে থাকা ‘আনোয়ার ফ্যাশন’ নামের একটি পোশাক কারখানা এবং তার পাশে থাকা টিনশেড ঘরে রাসায়নিকের গুদামে আগুন জ্বলছে। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পানি ছিটিয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করছেন।

ফায়ার সার্ভিসের মিডিয়া সেলের কর্মকর্তা তালহা বিন জসিম জানায় বিকেল সোয়া ৪টার দিকে কারখানা থেকে ৯ জনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে । পরে সন্ধ্যায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৬ জন।

ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের পরিচালক (অপারেশন ও মেইনটেন্যান্স) লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, ‘তল্লাশি অভিযান এখনো চলমান। পাশের যে কেমিক্যাল গোডাউন রয়েছে, সেখানে এখনো আগুন জ্বলছে। এটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। ওখানে কাউকে যেতে দিচ্ছি না। আমরা সর্বোচ্চ প্রযুক্তি দিয়ে, ড্রোন দিয়ে এসব কার্যক্রম করছি।’

যে রাসায়নিকের গুদামে আগুন লেগেছে, তার অনুমোদন নেই বলে ধারণা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের যে রাসায়নিকের গুদামে আগুন লেগেছে, তার অনুমোদন নেই বলে ধারণা ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তাদের।

ফায়ার সার্ভিসের এই কর্মকর্তা আরও বলেন, আগুনের সূত্রপাত এখনো জানা যায়নি। যাঁরা শুরুতে আগুন নেভাতে এসেছেন, তাঁরা রাসায়নিকের গুদাম ও গার্মেন্টস দুই দিকেই আগুন দেখেছেন। রাসায়নিকের গুদামে ব্লিচিং পাউডার, প্লাস্টিক, হাইড্রোজেন পার-অক্সাইড ছিল প্রাথমিকভাবে জানা গেছে বোলে জানান তিনি।

কয়েকজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, পোশাক কারখানার নিচতলায় ‘ওয়াশ ইউনিট’ রয়েছে। সেখানে প্রথম আগুন লাগে। সেই আগুন পাশের রাসায়নিকের গুদামে ছড়িয়ে পড়লে সেখানে বিকট শব্দে বিস্ফোরণ ঘটে। এরপর আগুন চারতলা পোশাক কারখানার সর্বত্র ছড়িয়ে পড়ে
আগুন লাগার পর কারখানা থেকে শ্রমিকেরা নানাভাবে বের হয়ে আসার চেষ্টা করেন। এর মধ্যেই অনেকে আটকা পড়েন।

ঘটনার পর থেকে রাসায়নিকের গুদামের মালিক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কাউকে পাওয়া যাচ্ছে না বলে ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের জানান ফায়ার ব্রিগেডের পরিচালক মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, দেখে মনে হচ্ছে, এই রাসায়নিকের গুদামের অনুমোদন নেই। যাচাই-বাছাই করে তদন্ত করে বিস্তারিত পরে জানা যাবে




রাজধানীর গোলাপবাগে নির্মাণাধীন ভবনে দেয়াল ধসে নিহত ১ আহত ২

মঙ্গলবার,
৩০ আশ্বিন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
১৪ অক্টোবর ২০২৫ইং ,

নিজস্ব প্রতিবেদক:

রাজধানীর গোলাপবাগের বউ বাজার এলাকায় একটি নির্মাণাধীন ভবনে ঘটে গেছে মারাত্মক দুর্ঘটনা। মঙ্গলবার দুপুরে ভবনের সপ্তম তলার এক পাশের দেয়াল হঠাৎ ভেঙে নিচে পড়ে যায়। এতে ১ জন নিহত ও ২ জন পথচারী আহত হয়েছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনটির কাজ চলাকালীন হঠাৎ করেই দেয়ালটি ধসে পড়ে। নিরাপত্তা ব্যবস্থার ঘাটতি থাকায় এমন দুর্ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আহত দুই শ্রমিককে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনার পর নির্মাণ কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ করে দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

স্থানীয়রা বলছেন, নির্মাণাধীন ভবনটিতে সেফটি ও সিকিউরিটি ব্যবস্থার তেমন কোনো ব্যবস্থা ছিল না। বিষয়টি নিয়ে তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।




সুনামগঞ্জে নৌকা ডুবি : শিশুসহ নিহত ৫ !

রোববার,
১৫ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,
৩০ মার্চ ২০২৫ ইং,

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি :

সুনামগঞ্জের জামালগঞ্জ উপজেলায় সুরমা নদীতে যাত্রীবাহী নৌকা ডুবে তিন শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন। ২৯ মার্চ শনিবার, রাতে উপজেলার বেইলি ইউনিয়নের মদনা গ্রামের পাশে সুরমা নদীতে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- জামালগঞ্জ উপজেলার বেহেলী ইউনিয়নের নোয়াপাড়া গ্রামের তাপন চক্রবর্তীর স্ত্রী বিউটি চক্রবর্তী (৪০), নেত্রকোনার মোহনগঞ্জ উপজেলার হাতনি গ্রামের নিরদ সরকারের স্ত্রী কল্পনা রানী সরকার (৫০), হাতনি গ্রামের নিরেন সরকারের মেয়ে জয়িতা সরকার (৬), নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার ভাটিপাড়া গ্রামের সুজিত সরকারের মেয়ে গঙ্গাঁ রানী সরকার (৮)। অপর এক নিহত শিশুর নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি। এ ঘটনায় সৌরভ সরকার (৬) নামে এক শিশুকে জামালগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার মধ্যনগর উপজেলা থেকে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা ৭০ জন যাত্রী এবং প্রচুর মালামাল নিয়ে জামালগঞ্জ উপজেলা শহরে আসছিল। অতিরিক্ত যাত্রী বহনের কারণে সুরমা নদীতে নৌকাটি ডুবে যায়। অনেক যাত্রী সাঁতরে তীরে উঠতে সক্ষম হলেও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।