বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জাতি অভিভাবকহীন হয়ে পড়ল —শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু

ভাসানী জনশক্তি পার্টির চেয়ারম্যান শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু ও মহাসচিব ডক্টর আবু ইউসুফ সেলিম এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি’র চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া স্বৈরাচার এবং ফ্যাসিবাদ বিরোধী আন্দোলনে জীবন বাজি রেখে সামনে থেকে আপোষহীনভাবে লড়াই সংগ্রাম করেছেন, নির্যাতিত হয়েছেন, কারাবরণ করেছেন। ফ্যাসিবাদ মুক্ত কল্যাণকর রাষ্ট্র গড়ার লক্ষ্যে তার অবদান বাংলাদেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে মনে রাখবে। ৫ আগস্টের পর অন্তর্বর্তী সরকার যখন গভীর সংকটে তখন তিনি প্রফেসর ড. ইউনুস এর নেতৃত্বাধীন অন্তরবর্তী সরকারের প্রতি সমর্থন জানিয়ে দেশবাসীকে ধৈর্য ধরে শান্ত থাকার আহ্বান জানিয়ে দেশকে নতুন সংকটের হাত থেকে রক্ষা করেছিলেন।
ভাসানী জনশক্তি পার্টি মনে করে বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে আরো কিছুদিন তাঁর বেঁচে থাকার প্রয়োজন ছিল, এই মুহূর্তে তার মৃত্যুতে জাতি অভিভাবকহীন হয়ে পড়ল। তিনবারের প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন বজ্রকন্ঠ যুগ যুগ ধরে নতুন প্রজন্মের মুক্তিকামি মানুষের পথ দেখাবে। আমরা তার মৃত্যুতে ব্যথিত, ভারাক্রান্ত। আমরা মরহুমার আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি পরিবার-পরিজনের প্রতি গভীর সমবেদনা প্রকাশ করছি।




গণতন্ত্রের মা দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে মফস্বল সাংবাদিক এসোসিয়েশন

বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী, আপোষহীন দেশনেত্রী এবং ‘গণতন্ত্রের মা’ বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এসোসিয়েশন (বিআরজেএ)।

আজ ৩০ ডিসেম্বর (মঙ্গলবার) এক যৌথ শোক বার্তায় বিআরজেএ-এর চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী এবং মহাসচিব শেখ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, “বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সংগ্রামের এক অবিসংবাদিত নেত্রী। দেশের মানুষের অধিকার আদায় এবং সংসদীয় গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠায় তাঁর অবদান জাতি চিরকাল শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করবে। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য যে, তিনি ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এসোসিয়েশন (বিআরজেএ)-এর প্রস্তাবক প্রতিষ্ঠাতা। তাঁর মৃত্যুতে দেশ এক মহান দেশপ্রেমিক ও অভিভাবককে হারালো, যা অপূরণীয় ক্ষতি।”

বিআরজেএ নেতৃবৃন্দ মরহুমার বিদেহী আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবার ও তাঁর অগণিত রাজনৈতিক অনুসারী ও শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করছেন। তাঁরা পরম করুণাময় আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করেন, তিনি যেন তাঁকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসিব করেন- আমিন।




দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের শোক

দেশের তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর খবরে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সকল সদস্য ও নেতৃবৃন্দ।

অত্যন্ত ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী সংযুক্ত পরিষদের সভাপতি মোঃ নূরুল ইসলাম ও মহাসচিব মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম সেলিম বলেন যে, বাংলাদেশের গণতন্ত্রের অতন্দ্র প্রহরী, মাদার অব ডেমোক্রেসি এবং আমাদের চিরকালের প্রেরণার উৎস বেগম খালেদা জিয়া আর আমাদের মাঝে নেই। দীর্ঘদিন চিকিৎসাধীন থাকাবস্থায় মঙ্গলবার ভোর ০৬:০০ টার দিকে তিনি রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল প্রায় ৮০ বছর।

সভাপতি মোঃ নূরুল ইসলাম বলেন, আজ শুধু একটি রাজনৈতিক শূন্যতা তৈরি হয়নি, বরং বাংলাদেশ তার মমতাময়ী অভিভাবককে হারালো। বাংলাদেশের স্বাধীনতার মহান ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে তিনি যেভাবে প্রতিকূল সময়ে দেশের হাল ধরেছিলেন, তা বিশ্ব ইতিহাসে বিরল। তিনি ছিলেন হিমালয়সম ধৈর্যের প্রতীক। কারাবরণ, অসুস্থতা আর সন্তান হারানোর ব্যক্তিগত শোককে তুচ্ছ করে তিনি আমৃত্যু এদেশের মানুষের ভোটাধিকারের জন্য আন্দোলন করে গেছেন। তাঁর মৃত্যুতে একটি ঐতিহাসিক আপোসহীন ইতিহাসের অবসান ঘটলো।

আমরা মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে প্রার্থনা করি, তিনি যেন এই মহীয়সী নারীকে জান্নাতুল ফিরদাউসের সর্বোচ্চ মাকাম দান করেন, আমিন আমিন আমিন। আল্লাহ যেন তাঁর শোকসন্তুপ্ত সপরিবার এবং দেশবাসীকে এই শোক সইবার শক্তি দান করেন।




বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ডেমোক্রেটিক লীগ ডি এল’র শোক

বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ডেমোক্রেটিক লীগ ডি এল’র শোক

বিএনপি চেয়ারপার্সন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ ডেমোক্রেটিক লীগ ডি এল এর কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মইনুদ্দিন কাদরী শওকত ও সাধারণ সম্পাদক খোকন চন্দ্র দাস।
মঙ্গলবার এক যুক্ত বিবৃতিতে তারা বলেন, বেগম খালেদা জিয়া ছিলেন অপোষহীন নেত্রী। বিভিন্ন সমস্যা, সংকটসহ দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তার আপোষহীন ভূমিকা ইতিহাস হয়ে থাকবে। দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশ যখন গণতন্ত্রের পথে যাত্রা শুরু করতে যাচ্ছিল, সেই মুহূর্তে বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু আমাদেরকে গভীরভাবে ব্যথিত করেছে। তার মৃত্যুর শোক বইয়ে বেড়ানো বাংলাদেশের মানুষের জন্য অত্যন্ত কষ্টসাধ্য।
শোক বার্তায় নেতৃদ্বয় দেশনেত্রীর সার্বিক অবদানকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করে তার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকাহত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।




দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদের শোক

বিএনপির চেয়ারপার্সন মাদার অফ ডেমোক্রেসি সাবেক প্রধানমন্ত্রী আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আর নেই। আজ ৩০ ডিসেম্বর ২০২৫ সকাল ৬ টায় মৃত্যুবরণ করেন (ইন্নালিল্লাহি ওয়াইন্না ইলাইহি রাজিউন) উনার মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকাবহ পরিবার সহ আত্মীয়-স্বজন শুভানুধ্যায়ী রাজনৈতিক সহ কমীদের সমবেদনা জানান জিয়াউর রহমান সমাজকল্যাণ পরিষদ (জিসপ) কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি জনাব এম গিয়াস উদ্দিন খোকন ও সাধারণ সম্পাদক এড. মো: কামাল হোসেন এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন দক্ষিণ এশিয়ার অবিসংবাদিত সবচেয়ে জনপ্রিয় তিনবারের নির্বাচিত সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে দেশে বিদেশে মানুষ শোকাহত। তিনি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথানত করেননি এবং রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা অপব্যবহার করে মানুষের উপর অন্যায় অত্যাচার জুলুম নির্যাতন করেননি বরং তিনি রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে জেল জুলুম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন নিপীড়নের শিকার হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়ায় মৃত্যুবরণ করেন। তিনি দেশ ও দলের প্রয়োজনে সাহসী ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ায় জনপ্রিয়তার শীর্ষে ছিলেন। উনার আপোষহীন বলিষ্ঠ নেতৃত্বের কারণে মানুষের হৃদয়ের স্পন্দনে আজীবনের জন্য স্থান করে নিয়েছে। উনার মৃত্যুতে দেশে অপুরণীয় ক্ষতি সাধিত হয়েছে এই ক্ষতি উত্তরণের জন্য শোক কে শক্তিতে পরিণতি লাভ করে আল্লাহ যেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমান সহ আমাদের শক্তি সাহস দান করেন এবং উনার অসমাপ্ত কর্মকাণ্ড অব্যাহত রেখে দেশের উন্নয়ন ধারাবাহিকতা বজায় রাখার তৌফিক দান ও জানা অজানা গুনাহ মাফ করে জান্নাতের সর্বোচ্চ মাকাম দান করুন আমিন।




আমিনবাজারে ৪২.৫ মেগাওয়াট বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবিলম্বে বাতিলের গণরায়

আল মায়ামী: রবিবার সাভার বলিয়াপুর বনগাঁও ইউনিয়নের নগরকোন্ডা, কোন্ডা স্কুল মাঠে সকাল ১১ ঘটিকায় অনুষ্ঠিত এক গণশুনানি থেকে সর্বসম্মতিক্রমে ঘোষণা করা হয়েছে যে, সাভারের আমিনবাজারে নির্মাণাধীন নর্থ ঢাকা ৪২.৫ মেগাওয়াট বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র একটি ভুল, ঝুঁকিপূর্ণ ও জনস্বার্থবিরোধী প্রকল্প, যা অবিলম্বে বাতিল করা জরুরি। গণশুনানিতে পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য, অর্থনীতি ও আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে প্রকল্পটির ভয়াবহ ঝুঁকি তুলে ধরা হয়। স্থানীয় বাসিন্দা, নারী, যুবসমাজ, বর্জ্য সংগ্রাহক, ভূমি মালিক, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী এবং বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য পর্যালোচনা করে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া হয় যে, এই প্রকল্প ঢাকার মানুষের জীবনের ওপর একটি পরিকল্পিত স্বাস্থ্যঝুঁকি চাপিয়ে দেবে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অধিকার হরণ করবে।
উক্ত গণশুনানিতে ধারনাপত্র উপস্থাপন করেন উপকূলীয় জীবনযাত্রা ও পরিবেশ কর্মজোট (ক্লিনের) প্রচারাভিযান কর্মকর্তা মোহাম্মদ নোমান। উপস্থাপিত তথ্যানুযায়ী, এই বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে উৎপাদিত বিদ্যুতের প্রতি ইউনিট মূল্য প্রায় ২৫.৫৬ টাকা, যেখানে বর্তমানে দেশের গড় বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ প্রায় ১২ টাকা। অর্থাৎ সরকারকে দ্বিগুণ দামে বিদ্যুৎ কিনতে হবে, যার বোঝা শেষ পর্যন্ত পড়বে জনগণের কর ও বিদ্যুৎ বিলের ওপর। নোমান বলেন, “এটি পরিচ্ছন্ন জ্বালানির নামে সবচেয়ে ব্যয়বহুল ও নোংরা বিদ্যুৎ।”
ধারনাপত্র অনুযায়ী, ২৫ বছর মেয়াদি এই প্রকল্পের জন্য সরকারের মোট ব্যয় দাঁড়াবে ২ বিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও বেশি, যা শতভাগ বৈদেশিক মুদ্রায় পরিশোধ করতে হবে। যখন দেশ তীব্র ডলার সংকটের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন এমন একটি ব্যয়বহুল চুক্তি গ্রহণ করা অর্থনীতিকে আরও দুর্বল ও অনিশ্চিত করে তুলবে।
গণশুনানিতে তুলনামূলক বিশ্লেষণে স্পষ্ট হয়েছে যে, আমিনবাজারে স্থাপিত ৪২.৫ মেগাওয়াট বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি চরমভাবে ব্যয়বহুল ও অদক্ষ। প্রতি মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদনে ব্যয় প্রায় ১১ মিলিয়ন ডলার, যেখানে সৌরবিদ্যুতে একই সক্ষমতা তৈরি করা যায় মাত্র ০.৭-১ মিলিয়ন ডলারে। একই অর্থে ২২ গুণেরও বেশি বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব ছিল। মোট ৪৬৭ মিলিয়ন ডলার রুফটপ সোলারে বিনিয়োগ করলে প্রায় ৯৩২ মেগাওয়াট, গ্রাউন্ড-মাউন্টেড সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪৬৬ মেগাওয়াট, এবং বায়ু বিদ্যুতে ৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব হতো। এটি প্রমাণ করে প্রকল্পটি অর্থনৈতিকভাবে অযৌক্তিক ও লোকসানমুখী। আইনি ও স্বচ্ছতার দিক থেকেও এ প্রকল্পটি প্রশ্নবিদ্ধ যেমন- পরিবেশগত ও সামাজিক প্রভাব মূল্যায়ন ও প্রকাশ করা হয়নি, জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি মূল্যায়ন অনুপস্থিত, এবং টেন্ডার ছাড়াই অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। প্রকল্পের জন্য বর্জ্য সরবরাহ ব্যর্থ হলে ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনকে জরিমানা দিতে হবে, যা শহরের আর্থিক স্থিতিশীলতাকে দীর্ঘমেয়াদে ঝুঁকিতে ফেলে।
উক্ত গণশুনানিতে উপস্থিত বক্তারা বলেন, ঢাকা শহর ইতোমধ্যেই ভয়াবহ বায়ুদূষণের শিকার। এমন বাস্তবতায় ঘনবসতিপূর্ণ আমিনবাজার এলাকায় প্রতিদিন প্রায় ৩ হাজার টন বর্জ্য পোড়ানোর পরিকল্পনা মানে মানুষের শ্বাস নেওয়ার অধিকার কেড়ে নেওয়া। এই ইনসিনারেশন প্ল্যান্ট থেকে নির্গত কার্বন ডাই-অক্সাইড, ডাইঅক্সিন, ফিউরান ও সূক্ষ্ম কণা শিশু, নারী, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী নারীদের জন্য মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করবে। বক্তারা আরও বলেন, ঢাকার বর্জ্য এখনো উৎসে পৃথকীকরণ ছাড়াই সংগ্রহ করা হয়। এতে বর্জ্যের আর্দ্রতা বেশি এবং জ্বালানিমান অত্যন্ত নিম্ন। এই ধরনের বর্জ্য দিয়ে কার্যকর বিদ্যুৎ উৎপাদন বাস্তবে প্রায় অসম্ভব। ফলে প্রকল্পটি শুরু থেকেই প্রযুক্তিগত ব্যর্থতার ঝুঁকিতে রয়েছে।
গণশুনানির চূড়ান্ত দাবি
গণশুনানি থেকে সর্বসম্মতিক্রমে নিম্নোক্ত সরাসরি ও বাধ্যতামূলক দাবিগুলো উত্থাপন করা হয়-
১. ঢাকা নর্থ ৪২.৫ মেগাওয়াট WTE প্রকল্প অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
২. প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ ও বিলম্বের কারণে প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নির্মাণ পরিকল্পনা স্থগিত ও বাতিল করতে হবে।
৩. প্রকল্পের Power Purchase Agreement (PPA) অবিলম্বে বাতিল করতে হবে।
৪. AIIB এবং NDB-এর সকল অর্থায়ন প্রকল্প থেকে প্রত্যাহার করতে হবে।
৫. ঢাকার জন্য কার্যকর, বিজ্ঞানভিত্তিক এবং টেকসই Waste Management Plan এবং Renewable Energy Master Plan প্রণয়ন করতে হবে।
৬. পরিবেশ ও জনস্বাস্থ্যের প্রভাব নিয়ে জনগণের মতামত ও সম্মতি বাধ্যতামূলকভাবে নিতে হবে।
৭. ভবিষ্যতে কোনো বিদ্যুৎ বা অবকাঠামো প্রকল্পে টেন্ডার ও স্বচ্ছতার নিয়ম এড়ানো যাবে না; সকল প্রক্রিয়া জনস্বার্থ ও জবাবদিহির ভিত্তিতে সম্পন্ন হতে হবে।
গণশুনানি কার্যক্রম সঞ্চালনা করেন প্রতিষ্ঠাতা-স্টার্ট টু স্কেলআপ এবং ফর দ্যা লাইট আলামিন প্রান্ত। গণশুনানির কীনোট বক্তব্য প্রদান করেন ক্যাম্পেইন অফিসার-ক্লিন জনাব মো. নোমান। গণশুনানিতে স্থানীয় ভুক্তভোগী হিসাবে সাক্ষ্য প্রদান করেন রাখেন ড. শাহিন, ইমরান মোল্লা, আল আমিন, এনামুল এবং রবিন। গণশুনানির বিচারকার্য পরিচালনা করেন বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা)-এর যুগ্ম সম্পাদক মিহির বিশ্বাস, স্টেট ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ বাংলাদেশ এর প্রভাষক এবং আইপিডি এর রিসার্চ ফেলো কে. এম. আসিফ ইকবাল আকাশ, অত্র এলাকার বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ এবং কুন্ডা আইডিয়াল স্কুলের অধ্যক্ষ মো. শাহদাত হোসেন, স্টাফ রিপোটার-দৈনিক মুক্তখবর এর লেখক কবি আল-মায়ামী, নির্বাহী পরিচালক- শিল্ড মো. মাহবুব আলম। তারা স্থানীয় জনগণ, পরিবেশ, জনস্বাস্থ্য এবং অর্থনৈতিক প্রভাব নিয়ে তাদের অভিজ্ঞতা ও দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন। স্থানীয়দের সর্বসম্মতির ভিত্তিতে গণশুনানির প্রধান বিচারক এই রায় ঘোষনা দেন যে, উন্নয়নের নামে স্থানীয়রা বর্জ্য বিদ্যুৎ কেন্দ্র চায় না; তারা চায় সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ, পরিষ্কার বাতাস এবং ন্যায্য, নিরাপদ ভবিষ্যৎ। এই গণমুখী এবং যুক্তিসম্পন্ন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নর্থ ঢাকা (আমিনবাজার) ৪২.৫ মেগাওয়াট বর্জ্যভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র অবিলম্বে বাতিল করতে হবে। গণশুনানির সমাপনী বক্তব্য প্রদান করেন ফাইনান্স এন্ড এডমিন কোর্ডিনেটর- ক্লিন মোস্তাফিজুর রহমান রাসেল।




দেশনায়ক তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনে বিআরজেএ-র প্রাণঢালা অভিনন্দন

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে দেশনায়ক তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এসোসিয়েশন (বিআরজেএ)-এর পক্ষ থেকে প্রাণঢালা অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানানো হয়েছে।
২৭ ডিসেম্বর শনিবার এক যৌথ অভিনন্দন বার্তায় বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এসোসিয়েশন (বিআরজেএ)-এর চেয়ারম্যান মাহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী এবং মহাসচিব শেখ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, “দীর্ঘ ১৭ বছর পর প্রিয় নেতার তেজস্বী ও দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্য শুনে সারাদেশের ১৭ হাজার মফস্বল সাংবাদিক মুগ্ধ, অভিভূত এবং অনুপ্রাণিত। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের হারানো গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার লড়াইয়ে এক নতুন মাইলফলক।”
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বাংলাদেশের মানুষের অধিকার আদায়ে ‘মাদার অব ডেমোক্রেসি’ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘ সংগ্রাম, সীমাহীন ত্যাগ ও আপসহীন লড়াইকে। তাঁর অকুতোভয় নেতৃত্বের পথ ধরেই আজ দেশনায়ক তারেক রহমান দেশের মানুষের মাঝে ফিরে এসেছেন। দেশের এই সন্ধিক্ষণে তারেক রহমানের সুযোগ্য নেতৃত্বে বাংলাদেশ আবার মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে বলে আমাদের দৃঢ় বিশ্বাস।”
বিআরজেএ নেতৃবৃন্দ দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সুস্থতা এবং তারেক রহমানের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন এবং আশা প্রকাশ করেন যে, আগামী দিনে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সরকার গঠনের মাধ্যমে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের অধিকার রক্ষায় তাঁর বলিষ্ঠ ভূমিকা অব্যাহত থাকবে।




মানিকগঞ্জ-১ আসনে বিএনপির মনোনয়ন পুনর্বিবেচনার দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান ও অনশন কর্মসূচি কাল

মানিকগঞ্জ-১ (ঘিওর-দৌলতপুর-শিবালয়) সংসদীয় আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী পুনর্বিবেচনার দাবিতে আগামীকাল ১৮ ডিসেম্বর ২০২৫, বৃহস্পতিবার, সকাল ১০টা থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সম্মুখ চত্বরে অবস্থান ও অনশন কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হবে।
মানিকগঞ্জ-১ আসনের সর্বস্তরের জনগণের উদ্যোগে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে দলীয় নেতাকর্মী, সমর্থক ও বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নেবেন বলে আয়োজক সূত্রে জানা গেছে।
আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গণতন্ত্রের মাতা ও বিএনপির চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়া এবং প্রবাসে অবস্থানরত দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দিন-রাত পরিশ্রম করে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার পাশাপাশি জনগণের কাছে রাষ্ট্র কাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচি তুলে ধরছেন। কিন্তু একটি কুচক্রী মহল পরিকল্পিতভাবে এই রাজনৈতিক অগ্রযাত্রা ব্যাহত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে।
তারা আরও অভিযোগ করেন, বিএনপির দুঃসময়ে তৃণমূল নেতাকর্মীদের সঙ্গে নিয়ে গণতন্ত্র, দল এবং জিয়া পরিবারকে রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালনকারী প্রয়াত মহাসচিবের অবদানকে ইচ্ছাকৃতভাবে উপেক্ষা করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে দল ও জিয়া পরিবারের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার গভীর ষড়যন্ত্র চলছে, যা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।
এই কর্মসূচির আহ্বায়ক ড. খোন্দকার আকবর হোসেন বাবলু, যিনি মানিকগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য, বিএনপির প্রয়াত মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের জ্যেষ্ঠ পুত্র এবং মানিকগঞ্জ-১ আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী, তিনি বলেন—
“আমরা শান্তিপূর্ণ ও গণতান্ত্রিক উপায়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। মানিকগঞ্জ-১ আসনের জনগণের প্রত্যাশা ও তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করে কোনো সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়া হলে তা বিএনপির জন্য ক্ষতিকর হবে।”
তিনি জাতীয় ও গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, উক্ত কর্মসূচি সুষ্ঠু ও বস্তুনিষ্ঠভাবে তুলে ধরার স্বার্থে প্রিন্ট, ফটো ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার সাংবাদিকদের উপস্থিতি একান্তভাবে কাম্য।
আয়োজকরা আশা প্রকাশ করেন, দলীয় নেতৃত্ব এই দাবি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে মানিকগঞ্জ-১ আসনে জনআকাঙ্খার প্রতিফলন ঘটাবে।




মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণের দাবিতে বিসিআরএস-এর র‌্যালি ও সমাবেশ

“আমাদের দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র” ( Our daily essentials) এই গুরুত্বপূর্ণ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে বাংলাদেশ সিভিল রাইটস সোসাইটি (বিসিআরএস)-এর উদ্যোগে আজ পালিত হলো বিশ্ব মানবাধিকার দিবস। মানুষের মৌলিক চাহিদা পূরণে খাদ্য, পানি, বাসস্থান, স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষার মতো বিষয়গুলো অপরিহার্য এই বার্তাটি জোরালোভাবে তুলে ধরা হয় র‌্যালি ও সমাবেশে।

বুধবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে থেকে র‌্যালিটি শুরু করে হাই কোর্টের সামনে থেকে পুনরায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এসে এক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। সমাবেশে বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে খাদ্য, নিরাপদ পানি, স্বাস্থ্যসেবা ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতিতে যখন সাধারণ মানুষের জীবনধারণের ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে, তখন এই ‘দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র’ নিশ্চিত করা মানবাধিকার সুরক্ষার প্রধান শর্ত।

বাংলাদেশ সিভিল রাইটস সোসাইটির চেয়ারম্যান জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে ও সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক এস এম তাজুল ইসলাম এর সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য রাখেন ইঞ্জিনিয়ার আ হ ম মনিরুজ্জামান দেওয়ান মানিক, মোঃ শফিকুল ইসলাম, আল হাদী, মোঃ মঈনুল ইসলাম ময়েন, প্রদীপ কুমার পাল, স্বপন কুমার সাহা, এম এইচ প্রিন্স, মোঃ লোকমান হোসেন, তোফাজ্জল হোসেন ফুয়াদ, মোঃ রেজাউল করিম, মোকাম্মেল হোসেন চৌধুরী মেনন, মতিউর রহমান সরদার, সৈয়দ ইসমাইল হোসেন জনি, মোঃ আকাশ, মোঃ নকিব, নাহিদ রহমান পুতুল সহ বিভিন্ন পেশাজীবী, সাংবাদিক ও মানবাধিকার সংগঠনের নেতৃবৃন্দ। তাঁরা সমাজের সুবিধা বঞ্চিত ও পিছিয়ে পড়া মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থাগুলোকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান। বক্তারা বলেন, মানবাধিকার কেবল আন্তর্জাতিক চুক্তি বা আইনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটি শুরু হয় মানুষের দৈনন্দিন জীবনযাপনে। যদি একজন মানুষ তার মৌলিক চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হন, তবে তার জন্য মানবাধিকার অর্থহীন হয়ে পড়ে।

বিসিআরএস চেয়ারম্যান জাকির হোসেন তাঁর বক্তব্যে বলেন, “মানবাধিকারের মূল ভিত্তি হলো মানুষের স্বাভাবিক জীবনধারণের সুযোগ। আমরা আজকের দিনে সরকারের কাছে জোরালো দাবি জানাচ্ছি, যেন আগামী বাজেটে মানুষের খাদ্য নিরাপত্তা, স্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং শিক্ষার অধিকার নিশ্চিত করতে বিশেষ বরাদ্দ রাখা হয়।”

সংগঠনের নির্বাহী পরিচালক এস এম তাজুল ইসলাম তাঁর বক্তব্যে, সমাজের সকল স্তরের মানুষকে নিজ নিজ অবস্থান থেকে মানুষের অধিকার রক্ষায় সোচ্চার হওয়ার আহ্বান জানান।

বিসিআরএস আশা করে, এই প্রতিপাদ্য দেশের নীতি-নির্ধারকদের মানুষের মৌলিক প্রয়োজন পূরণে আরও সংবেদনশীল করে তুলবে।




জাতীয় প্রেস ক্লাব মসজিদে খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় বিআরজেএ’র আয়োজনে বিশেষ দোয়া

বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এসোসিয়েশন (বিআরজেএ)-এর উদ্যোগে বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও সুস্বাস্থ্য কামনা করে বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) বাদ আসর জাতীয় প্রেস ক্লাব মসজিদে এই দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। মোনাজাতে বেগম খালেদা জিয়ার দ্রুত আরোগ্য লাভ, সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করে মহান আল্লাহর দরবারে বিশেষ প্রার্থনা করা হয়। একইসাথে দেশ ও জাতির সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করেও দোয়া করা হয়।
দোয়া মাহফিলে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক এসোসিয়েশন (বিআরজেএ)-এর মহাসচিব শেখ মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক তাজ উদ্দিন আহমেদ, নির্বাহী সদস্য বদিউল আলম চৌধুরী, রুর‌্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ) এর চেয়ারম্যান এস এম জহিরুল ইসলাম, হুমায়ুন কবির, মতিউর রহমান সরদার, রাসেল আহমেদ, বেলাল হোসেন, নুরুল আফসার, কবি আলমগীর সহ জাতীয় প্রেসক্লাব ও ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সদস্যগণ।
সংগঠনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ সাখাওয়াৎ হোসেন ইবনে মঈন চৌধুরী বিগত ৪ আগস্ট ২০২৪ তারিখে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করার সময় জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে বাম পায়ে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হন। দীর্ঘদিন চিকিৎসায়ও সেই আঘাত নিরাময় না হওয়ায় একপর্যায়ে পায়ে পচন ধরে, যার চূড়ান্ত পরিণতিতে তাঁর পা কেটে ফেলতে হয়। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন।
বিশেষ দোয়া মাহফিলে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি ও সুস্বাস্থ্য কামনার সাথে সাথে সংগঠনের চেয়ারম্যান সাখাওয়াৎ হোসেনের সুস্থতা কামনা করে দোয়া মোনাজাত পরিচালনা করেন জাতীয় প্রেস ক্লাবের ইমাম মাওলানা মনিরুজ্জামান।