বিদ্যুৎ, গ্যাস ও তেলের মূল্যবৃদ্ধিতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছাবে

দেশের বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধিতে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছার উপক্রম হয়েছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের ঊর্ধ্বগতির সঙ্গে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও তেলের দাম বৃদ্ধি যুক্ত হয়ে জনগণের দুর্ভোগকে আরও বাড়িয়ে দেবে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত মানুষের পক্ষে সংসার পরিচালনা করা দিন দিন কঠিন হয়ে পড়ছে।
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পরিবহন ব্যয়, কৃষি উৎপাদন খরচ এবং শিল্পকারখানার উৎপাদন ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বাজারে সকল পণ্য ও সেবার মূল্যের ওপর। ফলে সাধারণ মানুষ ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির চাপে মানবেতর জীবনযাপন করতে বাধ্য হচ্ছে।
এক বিবৃতিতে শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু এবং ভাসানী জনশক্তি পার্টির মহাসচিব ড. আবু ইউসুফ সেলিম বলেন, জনগণের স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা উচিত। অযৌক্তিক মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত থেকে সরকারকে সরে এসে জনবান্ধব নীতি গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে জ্বালানি খাতে দুর্নীতি, অপচয় ও অব্যবস্থাপনা দূর করে জনগণের ওপর অতিরিক্ত আর্থিক চাপ কমানোর কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।
তাঁরা অবিলম্বে গণশুনানির মাধ্যমে বিদ্যুৎ, গ্যাস ও জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা এবং জনগণের ক্রয়ক্ষমতা রক্ষায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানান।




জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৭তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন

২৫ মে সোমবার জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম-এর ১২৭তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে তাঁর সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেছে গ্লোবাল জার্নালিস্ট কাউন্সিল পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান সাংবাদিক খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান। পরে কাজী নজরুল ইসলাম এর রুহের মাগফেরাত কামনা করে দোয়া ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়। এসময় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দসহ আরো অনেকে।
উল্লেখ্য খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান- বেগম খালেদা জিয়া মুক্তির দাবি পরিষদ, হত্যার বিচার দাবি পরিষদ, আরাফাত রহমান কোকো স্মৃতি পরিষদ, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ প্রবাসী সমর্থক গোষ্ঠী, বীর মুক্তিযোদ্ধা রোকন উদ্দিন জামান স্মৃতি পরিষদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার আঞ্জুমান আরা বেগম স্মৃতি পরিষদ, গ্লোবাল জার্নালিস্টস কাউন্সিল পরিষদ, খন্দকার রবি-উজ-জামান সিপার স্মৃতি পরিষদ, নিরাপদ বাংলাদেশ চাই, তারা নিউজ বিডি ডটকম, কে.এ.জে.আর.আর.আর ফাউন্ডেশন। অনলাইন পোর্টাল: সম্পাদক ও প্রকাশক সাংবাদিক খন্দকার মাসুদ-উজ-জামান। ইউটিউব চ্যানেলসমূহ- Tara news bd tnb, ssjr tv, terana tv, khbd tv, mb bangla tv, blpptv, jjs tv, bmbp tv, abc tv, nnd tv, kjar tv,সংযুক্ত টিভি।

বার্তা প্রেরক
মোঃ আহাদ আলী




ঈদুল আজহা : লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল

ঈদুল আজহা এসেছে বছর ঘুরে
ত্যাগের উৎসব আজ ঘরে ঘরে,
ভোগ-বিলাসের আকর্ষণ বর্জন করে
পশু কুরবানি করো আল্লাহর তরে।

মনের পশুকে আগে করো জবাই
প্রতীকি পশু জবাইয়ে আপত্তি নাই,
মিলে মিশে গোশত খাও সবাই
ধনী গরীব আজ ভাই ভাই।

এসেছে জিলহজ্বের চাঁদ সোনা
অতি আপন অমলিন চিরচেনা,
হিংসা বিদ্বেষ ভুলে জনে জনে
মানবতার কল্যাণে এসো দলে দলে।

লেখক পরিচিতি:
লায়ন মোঃ গনি মিয়া বাবুল
(শিক্ষক, কবি, কলাম লেখক, সমাজসেবক ও সংগঠক)




উগ্রপন্থা ও বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠনে ইসলাম প্রতিষ্ঠার আহ্বান ‘ইসলামী সমাজ’ আমীরের

‘ইসলামী সমাজ’ এর উদ্যোগে- আজ ১৯ মে ২০২৬ইং, মঙ্গলবার, সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে “ভারতসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মুসলিম পরিচয়ে বসবাসকারীগণের উপর ও বিভিন্ন ইস্যুতে দুর্বল জনসাধারণের উপর সবলদের নির্যাতন বন্ধের এবং ধর্মের নামে সহিংসতা ও বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠনে ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে” মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। মানববন্ধনে প্রধান বক্তার বক্তব্যে ইসলামী সমাজের আমীর হজরত সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, বিশ্বের মানুষ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় ইসলামের পরিবর্তে কোন না কোন মানব রচিত ব্যবস্থা মেনে চলার কারণে তারা আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ভয়াবহ আযাব-গজবের মুখোমুখী অবস্থান করছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে আযাব-গজবের তীব্রতা পরিলক্ষিত হচ্ছে। ক্ষমতা ও আধিপত্য বিস্তার নিয়ে, অর্থ সম্পদের লোভে এবং দলীয় ও জাতীয়তাবাদী সংকীর্ণ চিন্তা-চেতনায় মানুষে মানুষে দ্বন্দ্ব, সংঘাত ও সংঘর্ষ আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের আযাব-গজবেরই অংশ। তিনি বলেন, গোটা বিশ্বের মানুষ মানবতার কল্যাণ ও মুক্তির পথ ভুলে গেছে, আযাব-গজবের পথে চলছে, যার কারণে দুনিয়ার জীবনে অশান্তির আগুন জ্বলছে এবং তাদের আখিরাতের জীবনও ধ্বংস হচ্ছে। মানুষে মানুষে হিংসা-বিদ্বেষ দিন দিন বেড়েই চলছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশেই মুসলিম পরিচয়ে বসবাসকারীগণ সহ দুর্বল জনগণের উপর ক্ষমতাবান সবলদের বিভিন্ন রকম নির্যাতন চলছে।

তিনি আরও বলেন, ভারতের পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ইং সালের মে মাসে গণতন্ত্রের অধীনে অনুষ্ঠিত বিধানসভা নির্বাচনে হিন্দু জাতীয়তাবাদী দল বি,জে, পির জয়ের পরপরই মুসলিম পরিচয়ে বসবাসকারী জনগণের উপর বিভিন্ন রকম নির্যাতনের চিত্র উঠে এসেছে, তাদের মসজিদে ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা হচ্ছে এবং বাড়িঘর বুলডোজার দিয়ে গুড়িয়ে দেয়া হচ্ছে। চীনের উইঘুর, ফিলিস্তিন ও মিয়ানমার ইত্যাদি দেশেও তাদের উপর অমানবিক নির্যাত চলছে।

সংগঠনের রংপুর বিভাগের সহকারী দায়িত্বশীল, জনাব মোঃ হুমায়ূন কবির এর সঞ্চলনায় অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে সৈয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, সকল প্রকার নির্যাতনের অবসান ঘটাতে হলে বিশ্বের মানুষকে মহাসত্যের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। এ লক্ষ্যে মানবতাবাদী সকলকে “সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরঙ্কুশ শাসন-কর্তৃত্ব একমাত্র আল্লাহর, মানুষের নয়” এ মহাসত্যের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে এবং সমাজ ও রাষ্ট্রে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সাঃ) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে সকল ধর্মের লোকদের জন্য যার যার ধর্ম পালনের সুযোগ রেখে ইসলামের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠা করতে হবে।

‘ইসলাম’ প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত প্রচেষ্টাই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঈমানী, নৈতিক ও মানবিক দায়িত্ব এ কথার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ঈমানদার আমলে সালেহকারীগণের এ দায়িত্ব পালনের মাধ্যমেই আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের ইচ্ছায় এবং বিশেষ সাহায্যে ইসলামের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠিত হবে, ফলে ধর্মের নামে সহিংসতাসহ সকল উগ্রপন্থা ও বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠন হবে। এ লক্ষ্যে ‘ইসলামী সমাজ’ শান্তিপূর্ণ কর্মসূচির মাধ্যমে আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা:) এর প্রদর্শিত পদ্ধতিতে সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলামের আইন-বিধান প্রতিষ্ঠার আন্তরিক প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

বিশ্বব্যাপী মুসলিম পরিচয়ে বসবাসকারীগণসহ সকল দুর্বল জনগণের উপর নির্যাতন অবসানের এবং ধর্মের নামে সহিংসতাসহ সকল উগ্রপন্থা ও বৈষম্যমুক্ত বিশ্ব গঠনের লক্ষ্যে দল মত নির্বিশেষে সকলকে তিনি মহাসত্যের ভিত্তিতে ঐক্যবদ্ধ এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠায় ইসলামী সমাজে শামিল হওয়ার আন্তরিক আহ্বান জানান।

মানববন্ধনে আরো বক্তব্য রাখেন- মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লা, মুহাম্মাদ ইয়াছিন ও মোঃ নুরুদ্দিন প্রমুখ।

মানববন্ধন শেষে জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে পল্টন মোড় হয়ে বিজয়নগর-কালভার্ট রোড, ফকিরাপুল মোড় ঘুরে দৈনিক বাংলা মোড় হয়ে বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেইটে এসে সমাপ্ত করা হয়।




৭ জুন থেকে ঢাকায় লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা

আজ ১৭ মে, রাবিবার বেলা ১১:০০ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত সচল সকল নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির দাবিতে সম্মিলিত নন-এমপিও ঐক্য পরিষদ’ এর উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। মানববন্ধন ও আন্দোলনের রোডম্যাপ ঘোষণা করা হয়। ২ জুন থেকে বৃহত্তর কর্মসূচির প্রস্তুতি হিসেবে বিভাগীয় সমাবেশ এবং ৭ জুন থেকে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়।

মানববন্ধনে প্রধান সমন্বয়ক প্রিন্সিপাল মোঃ সেলিম মিয়া সভাপতির বক্তব্যে বলেন অবিলম্বে সকল নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে হবে। আমাদের বরাদ্দের টাকা অন্য খাতে খরচ হবে এটা অন্যায়। দেশের শিক্ষার উন্নয়নে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তিকরণ এখন এক নম্বর যৌক্তিক দাবি। তিনি আরো বলেন ঈদের আগেই দাবি বাস্তবায়ন না হলে ঈদের পর ৭ জুন থেকে ঢাকায় বৃহত্তর আন্দোলন শুরু করা হবে।
নন-এমপিও সংগঠনের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মোঃ নাজমুস সাহাদাত আজাদী বলেন আমরা ২০-২৫ বছর যাবত নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বৈষম্যের শিকার হয়েছি। বর্তমান সরকারের নিকট আমরা জোর দাবি জানাচ্ছি এই বৈষম্য দূর করে দ্রুত সময়ে এমপিওভুক্ত করা হোক।
সাংগঠনিক সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মোঃ মনিমুল হক বলেন বর্তমান সরকার আমাদের সরকার। আমরা বিএনপি সমর্থক হওয়ার কারণেই দীর্ঘদিন ধরে বৈষম্যের শিকার হয়েছি। এখন সময় এসেছে সকল নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান একযোগে এমপিওভুক্ত করতে হবে। আমরা দেশের সকল নন-এমপিও শিক্ষকদের সংগঠন সম্মিলিত নন এমপিও পরিষদের পক্ষ থেকে এই সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করছি। আমরা আলোচনার মাধ্যমে সমস্যার সমাধাণ করতে চাই, কিন্তু আন্দোলনে বাধ্য করবেন না। আমরা আরো আশা করছি আমাদের এমপিওভুক্তির বিষয়ে সরকার দ্রুত পদক্ষেপ নিবেন।
সমন্বয়ক অধ্যক্ষ আব্দুস সালাম বলেন আমাদের দীর্ঘ আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বিগত সরকার এমপিওভুক্তির আবেদন গ্রহণ করে স্বয়ংক্রিয় সফটওয়ারের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে একটি তালিকা তৈরী করেছিল, সেই তালিকা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত করার দাবি জানাচ্ছি।
সমন্বয়ক অধ্যক্ষ বাকী বিল্লাহ বলেন আমরা ২০ থেকে ২৫ বছর ধরে চাকরী করে আসছি কিন্তু কোন বেতন-ভাতা পাই না, আমার মনে হয় এটা পৃথিবীর ইতিহাসে নজিরবিহীন। সুতরাং আমাদের এই ন্যায্য দাবি সরকার অতিদ্রুত মেনে নিয়ে এমপিওভুক্তির ব্যবস্থা করবেন এই প্রত্যাশা করি।
সমন্বয়ক অধ্যক্ষ আবতাবুল আলম বলেন, বিগত সময় আমরা অনেক বৈষম্যের শিকার হয়েছি, আমাদের দ্রুত এমপিওভুক্তি করতে হবে। এর জন্য সরকারের অতি দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করার জন্য দাবি জানাচ্ছি।
সমন্বয়ক মাওলানা মোবারক হোসেন বলেন, নন এমপিও আন্দোলনে ১৭ জন ভাইয়ের রক্ত মিশে আছে, আমরা তাদের রক্ত বৃথা যেতে দিবো না। এমপিওভুক্তির দাবিটি যৌক্তিক তাই দ্রুত বাস্তবায়নের দাবি জানাচ্ছি।
সভায় বক্তারা অনার্স মাস্টার্স স্তরের তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারীদের এমপিও নীতিমালায় অন্তর্ভূক্তকরণ ও তাদের এমপিওভুক্তি দাবি করা হয়।
প্রধান সমন্বয়ক প্রিন্সিপাল সেলিম মিয়া এমপিওভুক্তির দাবিতে বৃহত্তর আন্দোলনের রোডম্যাপ ঘোষণা করেন – ৩০ মে দেশের সকল সংসদ সদস্য ও মন্ত্রী মহোদয়দের সঙ্গে ঈদ পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময় ও এমপিওভুক্তির দাবি, ২ জুন রাজশাহী বিভাগীয় সমাবেশ, ৩ জুন রংপুর বিভাগীয় সমাবেশ, ৪ জুন ময়মনসিংহ বিভাগীয় সমাবেশ, ৫ জনু বরিশাল বিভাগীয় সমাবেশ, ৬ জুন খুলনা বিভাগীয় সমাবেশ, ৭ জুন ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি।

সমন্বয়ক জাহিদ হোসেনের সঞ্চালনায় মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন সমন্বয়ক প্রভাষক মোঃ গোলাম মোস্তফাসহ সারাদেশ থেকে আসা জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ।




ঐতিহাসিক ফারাক্কা লং মার্চের সুবর্ণজয়ন্তী: জাতীয় প্রেসক্লাবে ন্যাপ (ভাসানী)’র আলোচনা সভা

শতাব্দীর মহানায়ক, মজলুম জননেতা মওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী কর্তৃক ১৯৭৬ সালের ১৬ই মে পরিচালিত ঐতিহাসিক ফারাক্কা লং মার্চের গৌরবময় স্মৃতি রক্ষার্থে ১৬ মে ২০২৬, শনিবার সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী)-এর উদ্যোগে এই স্মৃতিচারণ ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ক্যান্সার চিকিৎসক ও গবেষক অধ্যক্ষ ডা. এস. এম সরওয়ার। তিনি বলেন ১৯৭৬ সালের এই দিনে মরণফাঁদ ফারাক্কা বাঁধের প্রতিক্রিয়ায় বাংলাদেশের পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ের দাবিতে মজলুম জননেতা মাওলানা ভাসানী যে ঐতিহাসিক লং মার্চের ডাক দিয়েছিলেন, তা ছিল এ দেশের ইতিহাসের এক অনন্য মাইলফলক। সেই গৌরবময় আন্দোলন আজও আমাদের জাতীয় স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় অনুপ্রেরণা জোগায়।
ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী) সভাপতি স্বপন কুমার সাহার সভাপতিত্বে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মুক্তিযুদ্ধ ৭১ ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আমিনুল হক ভূঁইয়া আল ওসমানী, ইসলামী সমাজতান্ত্রিক দলের সভাপতি মোঃ তালেবুল ইসলাম, সুমি আক্তার শিল্পী, বাংলাদেশ ন্যাপ-এর সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ কামাল ভূঁইয়া, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ভাসানী) ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সভাপতি মোঃ তোফাজ্জল হোসেন ভানু, বিএম এরশাদ, এস আই জনি, নারী নেত্রী এলিজা রহমান, নকিবুল ইসলাম নকিব প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে স্বপন কুমার সাহা মাওলানা ভাসানীর দূরদর্শী নেতৃত্ব এবং ভারতের একতরফা পানি প্রত্যাহারের বিরুদ্ধে তাঁর আপসহীন সংগ্রামের কথা স্মরণ করেন। বর্তমান প্রেক্ষাপটে অভিন্ন নদীর পানির ন্যায্য হিস্যা নিশ্চিত করার দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেন। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আমাদের আবেদন থাকবে মজলুম জননেতা মওলানা ভাসানীকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার স্বপ্নদ্রষ্টা হিসেবে সংবিধানে অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানাই। মওলানা ভাসানী দীর্ঘ ৮০ বছরের রাজনৈতিক ভূমিকা পাঠ্যপুস্তকে লিপিবদ্ধ করার জন্য আপনার নৈতিক দায়িত্ব।




বরগুনা জেলা আরজেএফ’র কমিটি অনুমোদন

রুর‌্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ) এর বরগুনা জেলা কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। গত ০৫ মে আরজেএফ’র গঠনতন্ত্রের ১০ (ক) ধারা মোতাবেক পরীক্ষামূলকভাবে দুই বছরের জন্য এ কমিটি অনুমোদন দেয়া হয়। কমিটিতে ঢাকা প্রতিদিনের সাইফুল ইসলাম রাফিল সভাপতি, বিপ্লবী জনতার ইসহাক (জুয়েল) সহ সভাপতি, দি ডেইলি বাংলাদেশ টুডে’র মোঃ জহিরুল হক সাধারণ সম্পাদক, দেশ প্রতিদিনের মোঃ শাহাদাত হোসেন যুগ্ম সম্পাদক, গণমানুষের আওয়াজ’র নাসির উদ্দিন মিলন অর্থ সম্পাদক, বাংলাদেশ সমাচার’র মোঃ ইলিয়াস প্রচার সম্পাদক, বিপ্লবী জনতার মোঃ রেদওয়ান সাংগঠনিক সম্পাদক, আগামী নিউজডটকম’র মোঃ আরিফ বিল্লাহ, বরিশাল সময়ের মোঃ মিজানুর রহমান কার্যকরী সদস্য মনোনীত হয়েছেন।

বরগুনা জেলা আরজেএফ গঠনতন্ত্র মোতাবেক এবং কেন্দ্রীয় কমিটির অনুমতিক্রমে সাংবাদিকদের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট সকল বিষয়ে কর্মসূচি পালন করবেন।




ট্রাফিককে ঢেলে সাজাতে পারলে সড়কে যানজট ও চাঁদাবাজিমুক্ত হবে ……….আন্তর্জাতিক প্রবাসী মানবাধিকার ফাউন্ডেশন

১২ মে মঙ্গলবার, বেলা ১২ টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে আন্তর্জাতিক প্রবাসী মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে পবিত্র ঈদুল আযহার আগে যানজট নিরসনে ও সড়কে চাঁদাবাজি বন্ধে সরকারের করণীয় শীর্ষক নাগরিক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। আন্তর্জাতিক প্রবাসী মানবাধিকার ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান এইচ এম মনিরুজ্জামানের সভাপতিত্বে এবং সংগঠনের ভাইস চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মোঃ হারুন-অর-রশিদ এর সঞ্চালনায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিএনপির সাবেক তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক রেজাবুদ্দৌলা চৌধুরী। প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা। বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম গোলাম মোস্তফা ভূইয়া, জিয়া সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি রফিকুল ইসলাম, রুর‌্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ) এর চেয়ারম্যান এস এম জহিরুল ইসলাম, নবোদয় প্রি ক্যাডেট এন্ড হাই স্কুলের অধ্যক্ষমোঃ মোস্তাফিজুর রহমান, আধিপত্যবাদ প্রতিরোধ আন্দোলনের সভাপতি মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, যানজট ও চাঁদাবাজ মুক্ত করতে হলে পুলিশ বিভাগের শৃঙ্খলা আনতে হবে এবং ট্রাফিক পুলিশকে ঢেলে সাজাতে হবে। রাজনীতিবিদদের ঐক্যবদ্ধ সিদ্ধান্ত নিতে হবে। চাঁদাবাজ ও দখলবাজদের বিরুদ্ধে জিরো ট্রলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে এবং পরিবহনে মাফিয়াদেরকে চিহ্নিত করে তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তারা আরো বলেন, দেশের বর্তমান ট্রাফিক ব্যবস্থায় যখন দক্ষ জনবলের চরম ঘাটতি দেখা দিয়েছে, ঠিক তখনই বাংলাদেশ পুলিশের ট্রাফিক বিভাগে কর্মরত সহকারী টাউন সাব-ইন্সপেক্টর (এটিএসআই) এবং টাউন সাব-ইন্সপেক্টর (টিএসআই) পদমর্যাদার সদস্যদের মধ্যে দীর্ঘদিনের পদোন্নতি বৈষম্য নিয়ে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা সৃষ্টি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, বাহিনীর অন্যান্য পদে পদোন্নতির হার সন্তোষজনক হলেও ট্রাফিকের এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ পদে পদোন্নতি একেবারেই নগণ্য।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় দেশে ট্রাফিক ও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে প্রায় ৪ হাজার এএসআই (নিরস্ত্র) শূন্য পদ সৃষ্টি করা হয়। এর মধ্যে ২ হাজার পদ বিভাগীয় পদোন্নতির মাধ্যমে পূরণ করা হয়েছে এবং বাকি ২ হাজার পদে সরাসরি নিয়োগের জন্য সার্কুলার প্রকাশ করা হয়েছে। এছাড়া বর্তমান সরকারের আমলে আরও ৪ হাজার এসআই সরাসরি নিয়োগের কার্যক্রম চলমান রয়েছে। ২০২৪-২০২৫ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, পুলিশের বিভিন্ন শাখায় পদোন্নতির হার ছিল চোখে পড়ার মতো। কনস্টেবল বা নায়েক থেকে এএসআই (নিরস্ত্র) এবং নায়েক থেকে এএসআই (সশস্ত্র) পদে প্রায় শতভাগ পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে। তবে ট্রাফিক বিভাগে চিত্রটি সম্পূর্ণ উল্টো।
তথ্যমতে, এটিএসআই পদে ৫৫৯ জন এবং টিএসআই পদে ৬০ জন সদস্য বিভাগীয় পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে দীর্ঘ সময় ধরে পদোন্নতির অপেক্ষায় রয়েছেন। বিপুল সংখ্যক সদস্য উত্তীর্ণ হলেও রহস্যজনকভাবে মাত্র ৩০ জন এটিএসআই এবং ৫ জন টিএসআই-কে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে, যা মোট উত্তীর্ণ পদের তুলনায় অতি সামান্য। দীর্ঘদিন পদোন্নতি বঞ্চিত থাকায় মাঠ পর্যায়ে কর্মরত কর্মকর্তাদের মধ্যে মানসিক চাপ ও অসন্তোষ বাড়ছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক এটিএসআই জানান, “সব বিভাগে শতভাগ পদোন্নতি হলেও আমাদের কেন বঞ্চিত রাখা হচ্ছে তা বোধগম্য নয়। আমরা দিনরাত রাজপথে রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজে দায়িত্ব পালন করি, অথচ প্রাপ্য সম্মান ও পদোন্নতি থেকে আমরা পিছিয়ে আছি।”
বক্তারা আরো বলেন, ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় শৃঙ্খলা ফেরাতে দক্ষ জনবল যেমন প্রয়োজন, তেমনি কর্মরতদের কাজের স্পৃহা বজায় রাখতে সময়মতো পদোন্নতি নিশ্চিত করা জরুরি। এই বৈষম্য দূর করা না গেলে দীর্ঘমেয়াদে ট্রাফিক বিভাগ দক্ষ নেতৃত্ব সংকটে পড়তে পারে।




গণতন্ত্র নয়, আল্লাহর সার্বভৌমত্বই মুক্তির পথ: রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীকে ‘ইসলামী সমাজ’-এর চিঠি

আজ ৫ মে ২০২৬ইং, মঙ্গলবার, সকাল ১১ টায়, জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘ইসলামী সমাজ’ এর উদ্যোগে- গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি, সরকারের প্রধানমন্ত্রী, জাতীয় সংসদের স্পিকার, ডেপুটি স্পিকার, চিফ হুইপ, বিরোধীদলীয় নেতা ও উপনেতা এবং বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ বরাবর সমাজ ও রাষ্ট্রে ইসলাম প্রতিষ্ঠার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য ‘ইসলামী সমাজ’ এর আমীর হজরত ˆসয়দ হুমায়ূন কবীর সাহেবের লিখিত চিঠি প্রদানের লক্ষ্যে সংক্ষিপ্ত সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে|
সংক্ষিপ্ত সমাবেশে ইসলামী সমাজের আমীর হজরত ˆসয়দ হুমায়ূন কবীর বলেছেন, আমাদের প্রিয় বাংলাদেশের সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনায় গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান মেনে চলার মাধ্যমে দেশ ও জাতির মানুষ সমাজ ও রাষ্ট্র গঠন এবং পরিচালনার জায়গায় (১) আল্লাহর পরিবর্তে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও শাসন-কর্তৃত্বের অধীনে বন্দি হয়ে আছে (২) আল্লাহর আইন-বিধানের পরিবর্তে মানুষের মনগড়া আইন-বিধান পালনের মাধ্যমে মানুষেরই দাসত্ব করছে এবং (৩) আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর শর্তহীন আনুগত্যের পরিবর্তে মানুষের মনগড়া আইন-বিধানের ধারক-বাহক নেতাদের আনুগত্য- অনুসরণ ও অনুকরণ করছে| আর এসবই কুফর এবং শিরক- ক্ষমার অযোগ্য মহা অপরাধ|
তিনি বলেন, কুফর এবং শির&কের কারণেই জাতীয় জীবনে চরম অস্থিরতা বিরাজ করছে| গণতন্ত্রের পথে চলতে থাকলে সামনে ভয়াবহ মানবিক বিপর্যয় দেখা দিবে এবং এ অবস্থায় মৃত্যুবরণ করলে নিশ্চিত চিরস্থায়ী ঠিকানা হবে জাহান্নাম, আর এটাই মহাক্ষতি| সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে মানুষের সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও কর্তৃত্ব মূলোৎপাটন করে আল্লাহরই সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরংকুশ শাসন কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠিত না হওয়া পর্যন্ত কোন সমস্যার’ই সমাধান হবে না|
সংগঠনের কেন্দ্রীয় নেতা, মুহাম্মাদ ইয়াছিনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সংক্ষিপ্ত সমাবেশে তিনি আরও বলেন, সমাজ ও রাষ্ট্র আল্লাহর সার্বভৌমত্ব ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা ইসলামের পরিবর্তে মানুষের সার্বভৌমত্ব ভিত্তিক শাসন ব্যবস্থা গণতন্ত্রের ভিত্তিতে মানুষেরই রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের মাধ্যমে গঠিত এবং পরিচালিত হওয়ার কারণেই বিভিন্ন সময়ে সরকার পরিবর্তন হলেও জাতীয় জীবনের সমস্যাবলীর প্রকৃত সমাধান হয়নি; বরং সমস্যা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে| এজন্য মানব রচিত ব্যবস্থা গণতন্ত্র এবং গণতন্ত্রের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধান বহাল রেখে জাতীয় সমস্যাবলীর প্রকৃত সমাধান হচ্ছে না, হবেও না|
ইসলামী সমাজের আমীর ˆসয়দ হুমায়ূন কবীর বলেন, একমাত্র আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, আইন-বিধান ও নিরঙ্কুশ শাসন-কর্তৃত্বের ভিত্তিতে তাঁরই রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) এর অনুসরণ ও অনুকরণে তাঁরই আইন-বিধানের প্রতিনিধিত্বকারী আমীরের নেতৃত্বের আনুগত্যে ইসলামের আইন-বিধান দ্বারা সমাজ ও রাষ্ট্র গঠিত এবং পরিচালিত হলেই জাতীয় জীবনের সকল সমস্যার সমাধান হবে ইনশাআল্লাহ| নিজের ও সকল মানুষের সার্বিক কল্যাণে আমাদের সকলেরই উচিত গণতন্ত্রসহ সকল মানব রচিত ব্যবস্থা ও এসবের ভিত্তিতে রচিত আলকুরআন বিরোধী সংবিধানের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করে সকল প্রকার দুর্নীতি, সন্ত্রাস, উগ্রপন্থা ও ˆবষম্যের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করা এবং ইসলাম প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া|

ইসলামী সমাজ আল্লাহর রাসূল হযরত মুহাম্মাদ (সা.) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ইসলামের মৌলিক বিষয়গুলোর দাওয়াতের মাধ্যমে সমাজ গঠন আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছে| রাসূলুল্লাহ হযরত মুহাম্মাদ (সা.) প্রদর্শিত পদ্ধতিতে ইসলাম প্রতিষ্ঠার চূড়ান্ত প্রচেষ্টাই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ ঈমানী, ˆনতিক ও মানবিক দায়িত্ব| নিজের ও জাতির সার্বিক কল্যাণে ইসলাম প্রতিষ্ঠার ঈমানী, ˆনতিক ও মানবিক দায়িত্ব পালনে সকলকে তিনি ইসলামী সমাজ গঠন আন্দোলনে শামিল হওয়ার আন্তরিক আহবান জানান এবং চিঠি প্রদানের লক্ষ্যে ‘ইসলামী সমাজ’ গঠিত ১১ সদস্য বিশিষ্ট ৩টি বিশেষ টিমের তালিকা প্রকাশ করেন|
সমাবেশ শেষে ‘ইসলামী সমাজ’ গঠিত ১ম টিম সোলায়মান কবীরের নেতৃত্বে বঙ্গভবন, ২য় টিম মুহাম্মাদ ইউসুফ আলী মোল্লার নেতৃত্বে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় এবং ৩য় টিম মুহাম্মাদ ইয়াছিনের নেতৃত্বে সংসদ সচিবালয়ে গিয়ে চিঠি প্রদান করেন|




আরজেএফ’র উদ্যোগে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত

৩ মে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস উপলক্ষে রবিবার সকাল ১০টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে রুর‌্যাল জার্নালিস্ট ফাউন্ডেশন (আরজেএফ)’র উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আরজেএফ চেয়ারম্যান এস এম জহিরুল ইসলামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সংহতি জানিয়ে বক্তব্য রাখেন সামাজিক পরিবেশ ও মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার চেয়ারম্যান লায়ন এইচ এম ইব্রাহিম ভূঁইয়া, বাংলাদেশ জাতীয় মানবাধিকার সমিতির চেয়ারম্যান মোঃ মঞ্জুর হোসেন ঈসা, দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রার সম্পাদক ও প্রকাশক কবি অশোক ধর, বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম ট্রাষ্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান আহমেদ আবু জাফর, বিশিষ্ট মানবাধিকার সংগঠক মনিরুল ইসলাম, ঢাকা জার্নালিস্ট কাউন্সিলের সাধারণ সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তাক। বক্তব্য রাখেন আরজেএফ’র ভাইস চেয়ারম্যান মোঃ আমিনুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক মিলন মল্লিক, মোঃ শাফিউর রহমান কাজী, সাহিত্য ও প্রকাশনা সম্পাদক মো. সাহিদুল ইসলাম, মানবাধিকার বিষয়ক সম্পাদক এমআরএ সুজন মাহমুদ, জনকল্যাণ সম্পাদক লায়ন মনোয়ারা বেগম, প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক মোহাম্মদ হোসেন, মহিলা বিষয়ক সম্পাদক উর্মী রহমান, দপ্তর সম্পাদক নবাব সালেহ আহমদ, সাধারণ পরিষদ সদস্য সুপর্ণা রেসমা, কে এম শফিউল আলম, রোজিনা আক্তার তৃশা, মোঃ সোহেল মাহমুদ, ডা: মাহবুবা নার্গিস সানু, হাসান সরদার জুয়েল, মোঃ ইয়াসিন।
বক্তারা বলেন, সাংবাদিকরা সব সময়েই পেশাগত দায়িত্বপালনের সময় বিভিন্নভাবে নির্যাতিত হয়ে থাকে, কিন্তু সরকার এ বিষয়ে কোন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করেননি। বিভিন্ন সাংবাদিক সংগঠন বছরের পর বছর সাংবাদিক সুরক্ষা আইন, সাংবাদিক নিয়োগ নীতিমালাসহ বিভিন্ন অধিকার প্রতিষ্ঠা নিয়ে আন্দোলন সংগ্রাম করে যাচ্ছে। সরকারের পর সরকার বদল হলেও সাংবাদিকদের কোন দাবি-দাওয়াই তেমন কার্যকর হয়নি। বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবসে বক্তারা সরকারের প্রতি আহ্বান জানান, সাংবাদিকরা যেন নিরাপদে সাংবিধানিকভাবে তাদের দায়িত্ব পালন করতে পারে ব্যবস্থা নিতে হবে।