ধর্ম-বর্ণের কারণে বৈষম্য নয়, সবার সমঅধিকার নিশ্চিত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

ঢাকা

শুক্রবার

১৬ অক্টোবর ২০২৬ ইং

১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেষ্ঠ প্রতিবেদক| তারারদেশ নিউজ:

 

ধর্ম, বর্ণ কিংবা সাম্প্রদায়িক পরিচয়ের কারণে কোনো নাগরিক যেন বৈষম্য, বঞ্চনা বা নিরাপত্তাহীনতার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে শুক্রবার (১৬ অক্টোবর) দেওয়া এক বাণীতে তিনি এ আহ্বান জানান।

 

ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকারের ওপর গুরুত্ব

 

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রতিটি ধর্ম মানুষকে সত্য, ন্যায়, সংযম ও মানবকল্যাণের শিক্ষা দেয়। ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলার পাশাপাশি মানবতার কল্যাণে সবাইকে নিবেদিত থাকার আহ্বান জানান তিনি।

 

তিনি দেশে ও বিদেশে বসবাসরত বাংলাদেশের সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

 

সম্প্রীতি ও মানবতার বার্তা দুর্গোৎসবে

 

রাষ্ট্রপতি উল্লেখ করেন, দুর্গাপূজা সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য, সুন্দর ও কল্যাণের জয়ই এ উৎসবের মূল বার্তা। অন্যায়, অসত্য ও অমানবিকতার বিরুদ্ধে ন্যায় ও মানবতার চিরন্তন আহ্বান এতে প্রতিফলিত হয়।

 

তিনি বলেন, দুর্গাপূজা বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি অনন্য উদাহরণ। এ উৎসবের সঙ্গে বাংলার সমাজ, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য গভীরভাবে জড়িয়ে আছে। উৎসবটি সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের মধ্যে সৌহার্দ্য, সহমর্মিতা ও ভ্রাতৃত্ববোধ জোরদার করে।

 

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও উপাসনালয়ে সহায়তা

 

রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের প্রতিটি নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সমঅধিকার নিশ্চিত করতে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ। অন্যান্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের মতো সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উপাসনালয় পরিচালনা, সংস্কার ও উন্নয়নেও সরকার সহায়তা দিচ্ছে।

 

তিনি আরও জানান, পুরোহিতদের মাসিক সম্মানী ভাতা প্রদান, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের কার্যক্রম জোরদার এবং ধর্মীয় কল্যাণমূলক অনুদান ও ব্যবস্থাপনায় সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

নিরাপদে উৎসব উদযাপনের আহ্বান

 

দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের মানুষ যেন স্বাধীন, নিরাপদ ও নির্ভয়ে নিজ নিজ ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে পারেন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সবাইকে কাজ করার আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি।

 

পাশাপাশি দুর্গোৎসবের আনন্দ অসহায়, দুস্থ ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যেও ছড়িয়ে দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। সবার জীবনে সুখ, শান্তি ও সমৃদ্ধি কামনা করে মানবতা, ন্যায় ও কল্যাণের বার্তা ছড়িয়ে দেওয়ার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন রাষ্ট্রপতি।

 

তারারদেশ নিউজ




একদিনে রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম সফর করবেন প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা

শুক্রবার

১৬ অক্টোবর ২০২৬ ইং

১ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিমুল মাহমুদ | তারারদেশ নিউজ:

 

একদিনে দেশের তিনটি বিভাগ সফরের পরিকল্পনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আগামী ২০ অক্টোবর রংপুর, রাজশাহী ও চট্টগ্রামের তিনটি পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের শারদীয় দুর্গোৎসবের শুভেচ্ছা জানাবেন তিনি। একই সফরে রাজশাহীতে একটি জনসভায় বক্তব্য দেওয়ারও কথা রয়েছে তাঁর।

 

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রকাশিত সফরসূচি অনুযায়ী, এ সফরকে কেন্দ্র করে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

 

প্রথমে রংপুরে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

 

২০ অক্টোবর সামরিক বিমানে রাজধানীর তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে সৈয়দপুর বিমানবন্দরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি রংপুরের ধর্মসভা, অর্থাৎ রাধা গোবিন্দ মন্দিরের পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন।

 

এরপর সৈয়দপুর থেকে রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম বিমানবন্দরে পৌঁছানোর কথা রয়েছে তাঁর। দুপুর দেড়টায় রাজশাহী ধর্মসভা মন্দির পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

 

রাজশাহীতে জনসভায় বক্তব্য

 

রাজশাহীতে সফরকালে সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ অবস্থান করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর বেলা ৩টায় নগরীর ঐতিহাসিক মাদ্রাসা মাঠে আয়োজিত জনসভায় বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

 

জনসভা শেষে রাজশাহীর হযরত শাহ মখদুম বিমানবন্দর থেকে চট্টগ্রামের শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা দেবেন তিনি।

 

সন্ধ্যায় চট্টগ্রামে পূজামণ্ডপ পরিদর্শন

 

সফরের শেষ পর্যায়ে চট্টগ্রামের রহমতগঞ্জ এলাকার জেএম সেন হল পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। পরে চট্টগ্রাম সার্কিট হাউসে কিছুক্ষণ অবস্থান শেষে রাতে বিমানে ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে তাঁর।

 

নিরাপত্তা ও প্রস্তুতি জোরদার

 

প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফর এবং দুর্গাপূজা উদযাপন সামনে রেখে প্রস্তুতিমূলক সভা করেছে রাজশাহী মহানগর পুলিশ (আরএমপি)। বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় আরএমপি কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ভূমিমন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু।

 

সভায় প্রধানমন্ত্রীর সফর সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং পূজামণ্ডপগুলোতে নিরাপত্তা নিশ্চিত করার বিষয়ে আলোচনা হয়। সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

 

তারারদেশ নিউজ




ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে দুই দিন বাসা পরিষ্কারের আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

ঢাকা

বুধবার

১৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং

২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিমুল মাহমুদ | তারারদেশ নিউজ:

 

দেশে ডেঙ্গুর সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় নাগরিকদের নিজ নিজ বাসাবাড়ি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ডেঙ্গু প্রতিরোধে সপ্তাহে অন্তত দুই দিন আধা ঘণ্টা করে সময় দিয়ে বাড়ির আশপাশ পরিষ্কার করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি।

 

বুধবার (১৪ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

 

এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংসের আহ্বান

 

প্রধানমন্ত্রী ডেঙ্গুর ঝুঁকি কমাতে এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস করার ওপর গুরুত্ব দেন। বাসাবাড়ি ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার রাখার মাধ্যমে মশার বংশবিস্তার রোধে নাগরিকদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান তিনি।

 

এক দিনে আরও পাঁচজনের মৃত্যু

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা বাড়ছে। বুধবার প্রকাশিত হিসাব অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আরও পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩২১ জনে।

 

একই সময়ে ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন নতুন ১ হাজার ৯২০ জন। এ নিয়ে চলতি বছর হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫ হাজার ৩১৬ জনে।

 

ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যক্তিগত সচেতনতার পাশাপাশি বাড়িঘর ও আশপাশের পরিবেশ পরিচ্ছন্ন রাখা গুরুত্বপূর্ণ।

 

তারারদেশ নিউজ




হাজার বছরের সংস্কৃতি তরুণদের কাছে তুলে ধরতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা

বুধবার

১৪ অক্টোবর ২০২৬ ইং

২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধি | তারারদেশ নিউজ:

 

বাংলাদেশের হাজার বছরের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নতুন প্রজন্মের কাছে আরও কার্যকরভাবে তুলে ধরার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, প্রযুক্তির কল্যাণে তরুণরা বিদেশি সংস্কৃতির সঙ্গে পরিচিত হচ্ছে এবং সেগুলোর প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছে। তবে নিজেদের সংস্কৃতি ভুলে গেলে চলবে না। বরং নতুন প্রজন্মের কাছে দেশের ঐতিহ্যকে আরও আকর্ষণীয়ভাবে উপস্থাপনের উদ্যোগ নিতে হবে।

 

বুধবার (১৪ অক্টোবর) সচিবালয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয় পরিদর্শনকালে কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠকে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

 

শীতকালীন সাংস্কৃতিক উৎসবে নানা আয়োজন

 

বৈঠকে লালন উৎসব, নজরুলবর্ষ এবং ডিসেম্বর থেকে মে মাস পর্যন্ত আয়োজনের পরিকল্পনায় থাকা শীতকালীন সাংস্কৃতিক উৎসবের কর্মসূচি তুলে ধরা হয়।

 

প্রস্তাবিত আয়োজনের মধ্যে রয়েছে সার্কাস, গ্রামীণ সংস্কৃতি, নৌকাবাইচ, ঘুড়ি উৎসব, ঘোড়দৌড়, পাপেট শো এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

 

শিল্পকলা একাডেমি সক্রিয় করার নির্দেশ

 

সংস্কৃতিচর্চা আরও বিস্তৃত করতে শিল্পকলা একাডেমিগুলোকে সক্রিয় করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়ার নির্দেশ দেন প্রধানমন্ত্রী।

 

বৈঠকে জুলাই জাদুঘর, প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর, বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘর, বাংলা একাডেমি ও জাতীয় গ্রন্থকেন্দ্রসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর চলমান কার্যক্রম এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়।

 

শিশুদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তোলার তাগিদ

 

নতুন প্রজন্মের মধ্যে বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে ভ্রাম্যমাণ লাইব্রেরির মাধ্যমে শিশুদের কাছে বই পৌঁছে দেওয়ার সম্ভাবনা বিবেচনার পরামর্শ দেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি পাঠচক্র, বই পড়ার প্রতিযোগিতা এবং অন্যান্য উদ্যোগের মাধ্যমে পাঠাভ্যাস বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

 

মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের জন্য কাজ করার সুযোগ রয়েছে সবারই। নিজেদের সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা কাজে লাগাতে পারলে সম্মিলিতভাবে কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গঠনে অগ্রগতি সম্ভব।

 

বৈঠকে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী, প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম, প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

 

তারারদেশ নিউজ




শ্যামপুর থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত হবে ৮১ কিলোমিটার এলিভেটেড রেলপথ

ঢাকা

মঙ্গলবার

১৩ অক্টোবর ২০২৬ ইং

২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

ঢাকার শ্যামপুর থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত ৮১ কিলোমিটার দীর্ঘ এলিভেটেড রেলপথ নির্মাণের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। প্রাথমিকভাবে প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৩ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। এটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথের দূরত্ব প্রায় ৮০ কিলোমিটার কমবে এবং যাত্রার সময় দেড় থেকে দুই ঘণ্টা পর্যন্ত সাশ্রয় হতে পারে।

 

পুরো রেলপথ হবে এলিভেটেড

 

মঙ্গলবার সচিবালয়ে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফিংয়ে প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান এ তথ্য জানান।

 

তিনি বলেন, রেলপথ মন্ত্রণালয় ঢাকার শ্যামপুর থেকে কুমিল্লা পর্যন্ত নতুন কর্ড লাইন স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রস্তাবিত ৮১ কিলোমিটার রেলপথের পুরোটাই হবে উড়ালপথে।

 

সাশ্রয় হবে জমি, কমবে যাত্রার সময়

 

প্রস্তাবিত রেলপথ বাস্তবায়িত হলে ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটে রেলযাত্রার দূরত্ব কমার পাশাপাশি যাত্রীদের সময়ও সাশ্রয় হবে। পুরো পথ এলিভেটেড হওয়ায় প্রায় ৩২২ একর জমি সাশ্রয় করা সম্ভব হবে বলে জানান উপদেষ্টা।

 

প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী, প্রকল্পটির ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৩ হাজার ৯০১ কোটি টাকা। জমি অধিগ্রহণের পর প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় চার বছর সময় লাগতে পারে।

 

তারারদেশ নিউজ




তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষায় সহায়তা দিতে আগ্রহী নেদারল্যান্ডস

ঢাকা

মঙ্গলবার

১৩ অক্টোবর ২০২৬ ইং

২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিমুল মাহমুদ | তারারদেশ নিউজ:

 

তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা পরিচালনা এবং এ বিষয়ে কারিগরি সহায়তা দেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নেদারল্যান্ডস সরকার। পাশাপাশি বাণিজ্য, পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, জ্বালানি, কৃষি ও মানবাধিকারসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও নেদারল্যান্ডসের বৈদেশিক বাণিজ্য ও উন্নয়ন সহযোগিতাবিষয়ক মন্ত্রী শুর্দ শুর্দসমার।

 

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

 

মঙ্গলবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রীর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করে। বৈঠকে দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক জোরদার এবং পারস্পরিক সহযোগিতা সম্প্রসারণের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

 

নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী বলেন, বিনিয়োগ ও সহযোগিতা বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের সম্পর্ক আরও গভীর করার সুযোগ রয়েছে। পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, আন্তঃসীমান্ত নদী ব্যবস্থাপনা, গণতন্ত্র ও অর্থনৈতিক উন্নয়নকে সম্ভাবনাময় সহযোগিতার ক্ষেত্র হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।

 

তিস্তা প্রকল্প ও নদী ব্যবস্থাপনায় সহযোগিতা

 

তিস্তা প্রকল্পের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা এবং এ বিষয়ে জ্ঞান ও কারিগরি সহায়তা দেওয়ার ক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডসের আগ্রহকে স্বাগত জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডস উভয়ই বদ্বীপ রাষ্ট্র। তাই অভিন্ন চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের মাধ্যমে দুই দেশের একসঙ্গে কাজ করার ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। এ সময় ভূমি পুনরুদ্ধারে নেদারল্যান্ডসের অভিজ্ঞতার প্রতিও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

 

পানিসম্পদ ব্যবস্থাপনা, চর উন্নয়ন, ভূমি পুনরুদ্ধার এবং জলবায়ু পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নেওয়ার উপযোগী নদীব্যবস্থাপনায় জ্ঞান ও প্রযুক্তি বিনিময়ের ওপরও গুরুত্ব দেওয়া হয়।

 

ইইউর সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে আলোচনা

 

বৈঠকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) সঙ্গে বাংলাদেশের সম্ভাব্য মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) নিয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়টিও আলোচনায় গুরুত্ব পায়।

 

বাংলাদেশের জ্বালানি পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চান নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী। এ সময় বাংলাদেশের নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিষয়ক পরিকল্পনার প্রশংসা করেন তিনি।

 

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ও কৃষিতে সহযোগিতা

 

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধানে দ্বিপক্ষীয় ও বহুপক্ষীয় পর্যায়ে কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে চায় বলে বৈঠকে জানানো হয়।

 

এ ছাড়া নেদারল্যান্ডসের অভিজ্ঞতা ও প্রযুক্তিগত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে কৃষি খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

 

মানবাধিকার সুরক্ষায় অঙ্গীকার

 

বৈঠকে গণতন্ত্র সুসংহত করা ও মানবাধিকার সুরক্ষার বিষয়েও আলোচনা হয়। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, অতীতে বিএনপি রাজনৈতিক দল হিসেবে মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার আলোকে সরকার দেশে মানবাধিকার সুরক্ষা ও সুসংহত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

 

বৈঠকের শেষ পর্যায়ে নেদারল্যান্ডসের মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীকে তাঁর দেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান।

 

তারারদেশ নিউজ




ধর্ম নয়, নাগরিক পরিচয়ই অধিকার নিশ্চিতের ভিত্তি: প্রধানমন্ত্রী

ঢাকা

সোমবার

১২ অক্টোবর ২০২৬ ইং

২৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিমুল মাহমুদ | তারারদেশ নিউজ:

 

ধর্মের ভিত্তিতে নয়, বরং নাগরিক হিসেবে প্রত্যেকের প্রাপ্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই সরকারপ্রধান হিসেবে নিজের দায়িত্ব বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, দেশের প্রতিটি মানুষের ন্যায্য অধিকার ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে নিজের অবস্থান থেকে সর্বোচ্চ চেষ্টা করবেন।

 

হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়

 

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের হিন্দু সম্প্রদায়ের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে আটটি মন্দিরের প্রতিনিধিরা তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পূজার অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান।

 

সভায় নেতারা হিন্দু সম্প্রদায়ের কল্যাণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের প্রশংসা করেন। দুর্গাপূজার ছুটি ও অনুদান বাড়ানোর জন্য তাঁরা প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানান।

 

সব ধর্মের মানুষের অবদান স্মরণ

 

মুক্তিযুদ্ধ ও দেশের বিভিন্ন গণতান্ত্রিক আন্দোলনের প্রসঙ্গ তুলে প্রধানমন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতা অর্জন থেকে শুরু করে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার আন্দোলন পর্যন্ত সব ধর্মের মানুষ অংশ নিয়েছেন। ১৯৯০ সালের গণ-আন্দোলন এবং ২০২৪ সালের আন্দোলনেও ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে মানুষের অংশগ্রহণ ছিল।

 

তিনি বলেন, জাতির সংকটময় সময়ে যখন ধর্মীয় পরিচয় বিবেচনায় নেওয়া হয়নি, তখন নাগরিকদের অধিকার নিশ্চিত করার ক্ষেত্রেও ধর্মীয় পরিচয়কে প্রাধান্য দেওয়ার সুযোগ নেই।

 

নিরাপত্তা ও সমান অধিকার নিশ্চিতের অঙ্গীকার

 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অতীতে রাজনৈতিক আন্দোলন-সংগ্রামে বিভিন্ন ধর্মের নেতা-কর্মী নির্যাতনের শিকার হয়েছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মুসলমান ও হিন্দু—উভয় সম্প্রদায়ের নেতা-কর্মীরাই নির্যাতনের মুখে পড়েছেন।

 

তিনি আরও বলেন, সরকারপ্রধান হিসেবে প্রত্যেক নাগরিকের প্রাপ্য অধিকার নিশ্চিত করা এবং নিজের ক্ষমতার সীমার মধ্যে তাঁদের নিরাপত্তা দেওয়ার চেষ্টা করবেন।

 

সরকারের প্রতি সমর্থন জানান নেতারা

 

মতবিনিময় সভায় হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধিরা জানান, জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর তাঁরা শান্তিপূর্ণভাবে বসবাস করছেন এবং বর্তমানে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন না বলে তাঁদের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন। সরকারের উদ্যোগের প্রতি সমর্থন ও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানান তাঁরা।

 

সভায় বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য রমেশ দত্তসহ ঢাকা-১৭ আসনের বিভিন্ন মন্দির ও পূজা কমিটির প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

 

তারারদেশ নিউজ




রোহিঙ্গাদের টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকা

রবিবার

১১ অক্টোবর ২০২৬ ইং

২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জেষ্ঠ প্রতিবেদক | তারারদেশ নিউজ:

 

রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান ও বাস্তুচ্যুত জনগোষ্ঠীর নিরাপদ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করতে বাংলাদেশের একক প্রচেষ্টা যথেষ্ট নয় বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। এ সংকট মোকাবিলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

আন্তর্জাতিক সহযোগিতার প্রয়োজন

 

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে নিরাপদ, স্বেচ্ছামূলক ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিত করা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। এ ক্ষেত্রে মিয়ানমারের পরিস্থিতি, প্রত্যাবাসনের অনুকূল পরিবেশ এবং আন্তর্জাতিক অংশীজনদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ।

 

টেকসই সমাধানে সমন্বিত উদ্যোগ

 

রোহিঙ্গা সংকটের স্থায়ী সমাধানে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক মহলের সহযোগিতা ও সমন্বিত উদ্যোগের ওপর গুরুত্ব দিয়ে আসছে। প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কার্যকর করতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর দায়িত্বশীল ভূমিকা প্রয়োজন।

 

তারারদেশ নিউজ




আগামী ১২ মাসে বাংলাদেশে এআই ডেটা সেন্টার চালুর পরিকল্পনা

ঢাকা

রবিবার

১১ অক্টোবর ২০২৬ ইং

২৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শিমুল মাহমুদ | তারারদেশ নিউজ:

 

বাংলাদেশে আগামী ১২ মাসের মধ্যে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) ডেটা সেন্টার চালুর পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছে জাপানের বিনিয়োগকারী প্রতিষ্ঠান মারুবেনি করপোরেশন। পাশাপাশি বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা, সার ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগ সম্প্রসারণের সম্ভাবনাও উঠে এসেছে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে প্রতিষ্ঠানটির প্রতিনিধিদলের বৈঠকে।

 

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মারুবেনি প্রতিনিধিদলের বৈঠক

 

রোববার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মারুবেনি করপোরেশনের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মাসায়ুকি ওমোতোর নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব শাহাদাৎ স্বাধীন বৈঠকের বিষয়টি জানান।

 

বৈঠকে বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ বাড়ানো, দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য জোরদার এবং নতুন নতুন খাতে সহযোগিতার সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা হয়।

 

তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তায় সহযোগিতা

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, দেশের অর্থনৈতিক সম্ভাবনা কাজে লাগানো এবং নতুন কর্মসংস্থান সৃষ্টির জন্য দেশি-বিদেশি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। এ সময় বাংলাদেশের তথ্যপ্রযুক্তি, সার ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে মারুবেনি করপোরেশনকে স্বাগত জানান তিনি।

 

বৈঠকে দেশের প্রকৌশল স্নাতকদের তথ্যপ্রযুক্তি ও সাইবার নিরাপত্তায় আরও দক্ষ করে তোলার পরিকল্পনা নিয়েও আলোচনা হয়। পাশাপাশি কৃষিতে আধুনিক প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার সম্প্রসারণের সম্ভাবনা উঠে আসে।

 

সার উৎপাদন ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগের সম্ভাবনা

 

বৈঠকে কর্ণফুলী ফার্টিলাইজার কোম্পানি লিমিটেডে (কাফকো) মারুবেনি করপোরেশনের বিদ্যমান বিনিয়োগ সম্প্রসারণের বিষয়টি আলোচনায় আসে। একই সঙ্গে বাংলাদেশে দ্বিতীয় একটি কাফকো স্থাপনে বিনিয়োগের সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়েছে। এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটি আগ্রহ দেখিয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব।

 

বাংলাদেশ-জাপান অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের আশা

 

বাংলাদেশের সঙ্গে মারুবেনি করপোরেশনের দীর্ঘদিনের পাটজাত পণ্যের ব্যবসায়িক সম্পর্ক রয়েছে। সেই সম্পর্ক আরও সম্প্রসারণের পাশাপাশি নতুন খাতে সহযোগিতা বাড়ানোর ওপর গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।

 

বৈঠকে বাংলাদেশ ও জাপানের মধ্যে অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (ইপিএ) কার্যকর হলে দুই দেশের বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়।

 

তারারদেশ নিউজ




বাংলাদেশের সঙ্গে বৃহত্তর অর্থনৈতিক সহযোগিতা চায় ইন্দোনেশিয়া

ঢাকা

বৃহস্পতিবার

৮ অক্টোবর ২০২৬ ইং

২৩ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

সৌদি আরবগামী যাত্রীদের জন্য ঢাকাকে সম্ভাব্য ট্রানজিট হাব হিসেবে ব্যবহারের আগ্রহ প্রকাশ করেছে ইন্দোনেশিয়া। একই সঙ্গে ঢাকা ও জাকার্তার মধ্যে সরাসরি বিমান যোগাযোগ চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানিয়েছেন দেশটির পররাষ্ট্রবিষয়ক ভাইস মিনিস্টার আনিস মাত্তা।

 

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক

 

বৃহস্পতিবার পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলামের সঙ্গে তার কার্যালয়ে সাক্ষাৎ করেন আনিস মাত্তা। বৈঠকে দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।

 

বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতা

 

বৈঠকে বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও গভীর করার ওপর গুরুত্ব দেন শামা ওবায়েদ ইসলাম। তিনি ইন্দোনেশিয়াকে বাংলাদেশি পণ্য আরও বেশি আমদানির আহ্বান জানান। পাশাপাশি দুই দেশের নারী উদ্যোক্তাদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়েও গুরুত্ব দেন তিনি।

 

জবাবে আনিস মাত্তা প্রচলিত ব্যবসায়িক সম্পর্কের বাইরে বৃহত্তর অর্থনৈতিক সহযোগিতায় বাংলাদেশের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেন।

 

ঢাকা-জাকার্তা সরাসরি ফ্লাইটের সম্ভাবনা

 

দুই দেশের যোগাযোগ আরও বাড়াতে ঢাকা-জাকার্তার মধ্যে সরাসরি ফ্লাইট চালুর সম্ভাবনা খতিয়ে দেখার আহ্বান জানান ইন্দোনেশিয়ার ভাইস মিনিস্টার।

 

একই সঙ্গে সৌদি আরবে যাতায়াতকারী ইন্দোনেশীয় যাত্রীদের জন্য ঢাকাকে সম্ভাব্য ট্রানজিট হাব হিসেবে ব্যবহারের বিষয়েও আগ্রহ প্রকাশ করেন তিনি।

 

জলবায়ু, এআই ও শিক্ষায় সহযোগিতা

 

বৈঠকে পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর আহ্বান জানান শামা ওবায়েদ ইসলাম।

 

এ ছাড়া শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ খাতে সহযোগিতা গভীর করার পাশাপাশি বাংলাদেশে, বিশেষ করে মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার সুযোগ সম্পর্কে ইন্দোনেশীয় শিক্ষার্থীদের উৎসাহিত করার বিষয়েও আলোচনা হয়।

 

তারারদেশ নিউজ