সরকারি ভাতা পেয়েও ‘খেপ’ খেলছেন জাতীয় দলের ফুটবলাররা, সতর্ক করে ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি

ঢাকা

মঙ্গলবার

১১ আগস্ট ২০২৬ ইং

২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্পোর্টস ডেস্ক | তারারদেশ নিউজ:

 

জাতীয় দলের হয়ে খেলতে সরকারের কাছ থেকে নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা পাওয়ার পরও স্থানীয় পর্যায়ের ‘খেপ’ ম্যাচে অংশ নেওয়া কয়েকজন ফুটবলারকে নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। বিষয়টি বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) সঙ্গে আলোচনা করে সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের প্রথমে সতর্ক করা এবং প্রয়োজনে পরবর্তী সময়ে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

 

সম্প্রতি জাতীয় দলের কয়েকজন ফুটবলার স্থানীয় বিভিন্ন এলাকায় আয়োজিত ‘খেপ’ ম্যাচে অংশ নিয়েছেন। তাঁদের মধ্যে শেখ মোরছালিন, ফয়সাল আহমেদ ও রাকিব হোসেনের নাম আলোচনায় এসেছে। প্রতিমন্ত্রী নিজেও টাঙ্গাইল ও ঝিনাইদহে এমন ম্যাচে জাতীয় দলের বর্তমান খেলোয়াড়দের অংশ নিতে দেখেছেন বলে জানিয়েছেন।

 

সোমবার রাতে ঢাকার কালশীতে একটি ফুটবল ম্যাচ দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় আমিনুল হক বিষয়টি নিয়ে নিজের অবস্থান জানান।

 

আগে সতর্কতা, পরে ব্যবস্থা

 

প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে ‘খেপ’ ম্যাচ খেলার বিষয়টি তিনি বাফুফের সভাপতির সঙ্গে আলোচনা করবেন। প্রথম পর্যায়ে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করার পরিকল্পনা রয়েছে। এরপরও প্রয়োজন হলে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা ভাবা হবে।

 

সরকার জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের পেশাগত স্বীকৃতি হিসেবে নিয়মিত ক্রীড়া ভাতা দিচ্ছে উল্লেখ করে আমিনুল হক প্রশ্ন তোলেন, এই সুবিধা পাওয়ার পরও স্থানীয় পর্যায়ের এসব ম্যাচে অংশ নেওয়া কতটা যুক্তিসংগত।

 

তাঁর মতে, জাতীয় দলের একজন খেলোয়াড়ের নিজের পেশা এবং দেশের প্রতি দায়িত্ববোধের জায়গা থেকে বিষয়টি বিবেচনা করা প্রয়োজন।

 

চোটের ঝুঁকিও বড় কারণ

 

স্থানীয় পর্যায়ের ‘খেপ’ ম্যাচে জাতীয় দলের ফুটবলারদের অংশগ্রহণ নিয়ে উদ্বেগের আরেকটি কারণ চোটের সম্ভাবনা। এসব ম্যাচে মাঠের মান, খেলার পরিবেশ এবং প্রতিপক্ষের সক্ষমতা পেশাদার ফুটবলের মতো নিয়ন্ত্রিত না হওয়ায় খেলোয়াড়দের ইনজুরিতে পড়ার ঝুঁকি থাকতে পারে।

 

একজন জাতীয় দলের খেলোয়াড়ের সামান্য চোটও পরবর্তী আন্তর্জাতিক ম্যাচ কিংবা ক্লাবের গুরুত্বপূর্ণ সূচিতে প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে বিষয়টি শুধু ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, জাতীয় দলের প্রস্তুতি ও পেশাদার দায়িত্বের সঙ্গেও সম্পর্কিত।

 

বাফুফের সিদ্ধান্তের অপেক্ষা

 

এ বিষয়ে এখনো সংশ্লিষ্ট খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে কোনো শাস্তিমূলক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। প্রতিমন্ত্রী জানিয়েছেন, বাফুফে সভাপতির সঙ্গে আলোচনার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ধারণ করা হবে।

 

প্রথম পর্যায়ে সতর্ক করার নীতিতেই এগোতে চান তিনি। তবে ভবিষ্যতে একই ধরনের ঘটনা ঘটলে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আসতে পারে।

 

জাতীয় দলের ফুটবলারদের স্থানীয় ‘খেপ’ ম্যাচে অংশগ্রহণ নিয়ে বিতর্কের মধ্যেই এখন বাফুফের আনুষ্ঠানিক অবস্থান ও পরবর্তী সিদ্ধান্তের দিকে নজর রয়েছে।

 

তারারদেশ নিউজ




বেতন ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ, বাংলাদেশে অসহায় বোধ করছেন অনূর্ধ্ব-২০ দলের কোচ

ঢাকা

সোমবার

১০ আগস্ট ২০২৬ ইং

২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

 

স্পোর্টস ডেস্ক | তারারদেশ নিউজ:

 

বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলের প্রধান কোচ জেরার্ড জোন্সকে ঘিরে তৈরি হয়েছে বেতন, ব্যাংকিং জটিলতা ও ব্যক্তিগত নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ। ইংলিশ এই কোচ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নিজের আর্থিক ও ব্যক্তিগত পরিস্থিতি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করার পর বিষয়টি সামনে আসে।

 

জোন্সের দাবি, বেতন সংক্রান্ত জটিলতার কারণে তিনি নিজ পরিবারের কাছে অর্থ পাঠাতে পারছিলেন না। পাশাপাশি বাংলাদেশে অবস্থানকালে একাধিক অস্বস্তিকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার কথা জানিয়ে নিজের নিরাপত্তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন তিনি।

 

তবে বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) বলছে, চুক্তি অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই কোচের অ্যাকাউন্টে বেতন পাঠানো হয়েছে। বাফুফের সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছেন, ১০ তারিখের মধ্যে বেতন পরিশোধের চুক্তিগত বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী অর্থ পাঠানো হয়েছে; এরপর ব্যাংকিং পর্যায়ে কী ঘটেছে, তা তাদের জানা নেই।

 

ব্যাংকিং জটিলতার কথা জানালেন কোচ

 

পরবর্তী এক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করেন জোন্স। তিনি জানান, অর্থ তাঁর কাছে পৌঁছালেও ব্যাংকিং-সংক্রান্ত আরও কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে। এসব সমস্যার বিষয়ে আগে থেকে তাঁকে জানানো হয়নি বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

 

নিজের আর্থিক তথ্য অন্যদের সঙ্গে কীভাবে যোগাযোগ ও শেয়ার করা হয়েছে, তা নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এই কোচ।

 

বাংলাদেশে কাজ করার সময় ব্যক্তিগতভাবে অর্থ চাওয়ার ঘটনাও ঘটছে বলে জানান তিনি। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, কয়েকটি ঘটনায় মানুষ তাঁর গাড়ির কাছে এসে অর্থ চেয়েছে এবং গাড়ি ঘিরে ধরার মতো পরিস্থিতিও তৈরি হয়েছে।

 

এসব ঘটনার পাশাপাশি পরিবার থেকে দূরে থাকা, আর্থিক অনিশ্চয়তা এবং নতুন নতুন সমস্যার কারণে তিনি মানসিকভাবে চাপে রয়েছেন বলে জানান।

 

যশোরে চলছে যুব দলের ক্যাম্প

 

বর্তমানে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের আবাসিক ক্যাম্প চলছে যশোরের শামসুল হুদা একাডেমিতে। দলের সঙ্গে সেখানেই অবস্থান করছেন জোন্স। বেতন নিজ দেশে পাঠানোর প্রক্রিয়ার কিছু আইনি ও প্রাতিষ্ঠানিক ধাপ সম্পন্ন করতে তিনি যশোর থেকে ঢাকায় এসেছেন বলে বাফুফের একটি সূত্র জানিয়েছে।

 

এর আগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বার্তায় নিজের এবং পরিবারের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কথা জানিয়েছিলেন জোন্স। পরিস্থিতিকে তিনি নিজের জন্য অত্যন্ত কঠিন বলে বর্ণনা করেন।

 

পরে দেওয়া ভিডিও বার্তাতেও নিজের মানসিক অবস্থার কথা তুলে ধরেন তিনি। পরিবারকে হতাশ করার অনুভূতি এবং চলমান পরিস্থিতিতে ভেঙে পড়ার কথা জানান এই কোচ।

 

দায়িত্ব নিয়েছেন জুনে

 

জেরার্ড জোন্স চলতি বছরের জুনে বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ ফুটবল দলের প্রধান কোচের দায়িত্ব নেন। উয়েফা ‘এ’ লাইসেন্সধারী এই ইংলিশ কোচের অধীনে বর্তমানে জাতীয় যুব দলের আবাসিক প্রস্তুতি চলছে।

 

বেতন পরিশোধ নিয়ে বাফুফের বক্তব্যের সঙ্গে কোচের অভিজ্ঞতার পার্থক্য এখন বিষয়টিকে আরও আলোচনায় এনেছে। বাফুফের দাবি অনুযায়ী অর্থ পাঠানো হলেও ব্যাংকিং ও অর্থ স্থানান্তর প্রক্রিয়ায় তৈরি হওয়া জটিলতার সমাধান কত দ্রুত হয়, সেটিই এখন গুরুত্বপূর্ণ।

 

তারারদেশ নিউজ




রদ্রিকে পেতে চায় বার্সা, বাড়তে পারে ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা

ঢাকা

রবিবার

৯ আগস্ট ২০২৬ ইং

২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

স্পোর্টস ডেস্ক | তারারদেশ নিউজ:

 

বার্সেলোনার মাঝমাঠে বড় পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ম্যানচেস্টার সিটির স্প্যানিশ মিডফিল্ডার রদ্রিকে দলে নেওয়ার চেষ্টা করছে কাতালান ক্লাবটি। আর এই সম্ভাব্য চুক্তি বাস্তবায়িত হলে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়তে পারে ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ংয়ের ওপর।

 

স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যম ‘স্পোর্ত’-এর বরাতে জানা গেছে, বার্সেলোনা রদ্রিকে দলে নিতে পারলে মাঝমাঠে ডি ইয়ংয়ের বর্তমান অবস্থান নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন উঠতে পারে। পরিস্থিতি প্রতিকূল হলে ডাচ মিডফিল্ডারকে ক্লাব ছাড়ার কথাও ভাবতে হতে পারে।

 

তবে এখনই ডি ইয়ংয়ের বার্সেলোনা ছাড়ার কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। গত অক্টোবরেই ক্লাবটির সঙ্গে নতুন চুক্তিতে সই করেছেন তিনি। সেই চুক্তির মেয়াদ ২০২৯ সালের জুন পর্যন্ত।

 

বার্সার মাঝমাঠে রদ্রির সম্ভাব্য আগমন

 

৩০ বছর বয়সী রদ্রি বর্তমানে ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ। তাঁর বর্তমান চুক্তির মেয়াদ ২০২৭ সালের গ্রীষ্ম পর্যন্ত। বার্সেলোনা তাঁকে চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই দলে ভেড়াতে চায় বলে খবর এসেছে।

 

রদ্রিকে পাওয়ার দৌড়ে বার্সেলোনা এগিয়ে আছে বলেও বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হচ্ছে। রিয়াল মাদ্রিদের আগ্রহের তুলনায় বার্সেলোনার প্রকল্পকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন এই স্প্যানিশ মিডফিল্ডার—এমন খবরও রয়েছে। তবে এখনো বার্সেলোনা ও ম্যানচেস্টার সিটির মধ্যে আনুষ্ঠানিক আলোচনা সম্পন্ন হয়নি।

 

রদ্রিকে দলে নিতে বার্সেলোনাকে আনুমানিক ৫০ থেকে ৬০ মিলিয়ন ইউরো খরচ করতে হতে পারে। আর্থিক সীমাবদ্ধতার মধ্যে থাকা ক্লাবটির জন্য এই অর্থের ব্যবস্থা করাই বড় চ্যালেঞ্জ।

 

ডি ইয়ংয়ের অবস্থান কোথায়?

 

বার্সেলোনার গত মৌসুমের মাঝমাঠে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন ডি ইয়ং। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৩৮ ম্যাচে মাঠে নেমে একটি গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে আটটি গোল করিয়েছেন তিনি।

 

কিন্তু বিশ্বকাপের পর হাঁটুর সমস্যায় পড়েছেন এই ডাচ তারকা। প্রাক্-মৌসুম অনুশীলনেও তিনি পুরোপুরি অংশ নিতে পারেননি। সাধারণ চিকিৎসায় কাঙ্ক্ষিত উন্নতি না হওয়ায় অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

 

ফলে নতুন মৌসুমের শুরুতেই ডি ইয়ংকে পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা রয়েছে।

 

এই পরিস্থিতির সঙ্গে যদি রদ্রির সম্ভাব্য আগমন যোগ হয়, তাহলে বার্সেলোনার মাঝমাঠে খেলোয়াড়দের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা আরও বাড়তে পারে। বিশেষ করে রদ্রি দলে এলে কোচ হান্সি ফ্লিকের পরিকল্পনায় ডি ইয়ংয়ের ভূমিকা কী হবে, সেটিই হয়ে উঠতে পারে আলোচনার বড় বিষয়।

 

তবে রদ্রির বার্সেলোনায় যোগ দেওয়ার বিষয়টি এখনো চূড়ান্ত নয়। ম্যানচেস্টার সিটির সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা এবং আর্থিক সমঝোতা—দুই ধাপই এখনো বাকি।

 

সবকিছু মিলিয়ে রদ্রিকে ঘিরে বার্সেলোনার পরিকল্পনা এখনো আলোচনার পর্যায়ে। কিন্তু চুক্তিটি বাস্তবে রূপ নিলে ক্লাবটির মাঝমাঠের ভারসাম্য যেমন বদলাতে পারে, তেমনি ডি ইয়ংয়ের ভবিষ্যৎ নিয়েও নতুন করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে।

 

তারারদেশ নিউজ




মেসির বাবা হোর্হে মেসি আর নেই

ঢাকা

শনিবার

৮ আগস্ট ২০২৬

২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩

স্পোর্টস ডেস্ক | তারারদেশ নিউজ:

 

আর্জেন্টাইন ফুটবল তারকা লিওনেল মেসির বাবা হোর্হে মেসি আর নেই। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাতে আর্জেন্টিনার রোসারিওর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৬৮ বছর।

 

দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থতায় ভুগছিলেন হোর্হে মেসি। আর্জেন্টাইন সংবাদমাধ্যম ইনফোবায়ের প্রতিবেদনের বরাতে জাগোনিউজ জানিয়েছে, স্থানীয় সময় রাত ১০টার দিকে রোসারিওর একটি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

 

লিওনেল মেসির ফুটবল ক্যারিয়ারে হোর্হে মেসির ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাবা হওয়ার পাশাপাশি তিনি দীর্ঘদিন ছেলের এজেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং ক্যারিয়ারের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তগুলোতে মেসির অন্যতম প্রধান পরামর্শদাতা হিসেবে পাশে ছিলেন।

 

মেসি ছোটবেলায় শারীরিক বৃদ্ধিজনিত সমস্যায় ভুগছিলেন। তাঁর প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন হোর্হে। ছেলের ফুটবল প্রতিভার ওপর আস্থা রেখে তাঁর ক্যারিয়ার গড়ে ওঠার পথেও তিনি ছিলেন গুরুত্বপূর্ণ একজন ব্যক্তি।

 

পরবর্তীতে মেসি যখন ফুটবল ক্যারিয়ার গড়তে স্পেনে পাড়ি জমান, তখনও কঠিন সময়ে ছেলের পাশে ছিলেন হোর্হে। বার্সেলোনায় মেসির শুরুর দিনগুলোতে নতুন দেশ, পরিবেশ ও পেশাদার ফুটবলের সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সময় বাবার সমর্থন ছিল তাঁর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।

 

সময় গড়ানোর সঙ্গে মেসি বিশ্বের অন্যতম সেরা ফুটবলার হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করলেও বাবার সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক অটুট ছিল। ক্যারিয়ারের সাফল্য থেকে শুরু করে বিভিন্ন সংকট ও গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে হোর্হে ছিলেন তাঁর আস্থার মানুষ।

 

মেসির দীর্ঘ পেশাদার ক্যারিয়ারে এজেন্ট হিসেবেও হোর্হে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। মাঠের বাইরের পেশাগত বিষয়গুলো সামলানোর পাশাপাশি ছেলের ক্যারিয়ারের বিভিন্ন পর্যায়ে তিনি সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন।

 

হোর্হে মেসির মৃত্যু লিওনেল মেসির জন্য এক গভীর ব্যক্তিগত ক্ষতি। কয়েক দশক ধরে একই সঙ্গে বাবা, পরামর্শদাতা ও এজেন্ট হিসেবে যিনি তাঁর পাশে ছিলেন, সেই ঘনিষ্ঠ মানুষটিকেই হারালেন আর্জেন্টিনার এই মহাতারকা।




সরকার নিরাপত্তা দিলে দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি হতে চান সাকিব

ঢাকা

শুক্রবার
৭ আগষ্ট ২০২৬
২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ক্রিড়া প্রতিনিধি | তারারদেশ দেশ :

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর থেকেই বাংলাদেশে আসতে পারেননি সাকিব আল হাসান। তবে দেশে ফেরার কথা অনেকবারই জানিয়েছেন বাংলাদেশি অলরাউন্ডার।

তার বিরুদ্ধে হওয়া হত্যা মামলাসহ সব অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হতে চান সাবেক সংসদ সদস্য। তবে এর জন্য বাংলাদেশ সরকারের কাছে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা চান তিনি।

সম্প্রতি দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি ও ক্ষমতাচ্যূত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দিল্লিতে অনুষ্ঠিত এক ‘সংবাদ সম্মেলনে’ যুক্ত হয়ে আবারও আলোচনায় আসার পরেই এমন কথা বলেছেন সাকিব।

রয়টার্সকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘সরকার যদি আমাকে জানায় যে আমার নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে, তাহলে আমি আনন্দের সঙ্গেই দেশে ফিরব, আদালতের বিচারসহ যা যা প্রয়োজন, সবকিছুরই মুখোমুখি হব।

নিজে কোনো অন্যায় করেননি বলেও জানান সাকিব। ৩৯ বছর বয়সী অলরাউন্ডার বলেছেন, ‘আমি জানি, আমি কোনো অন্যায় করিনি।’




আকরাম খানের পদত্যাগ ইস্যুতে যা বললেন পাপন

বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) গুরুত্বপূর্ণ পদ ক্রিকেট অপারেশন্সের দায়িত্বে দীর্ঘদিন যাবৎ আছেন সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান। হঠাৎ করেই এই দায়িত্ব থেকে পদত্যাগ করছেন তিনি। দেশের ক্রিকেটের এখন ‘টক অব দ্য টাউন’ আকরাম খান। সব কিছু ছাপিয়ে বিসিবির ক্রিকেট অপারেশন্সের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব থেকে তার সরে দাঁড়ানোর ইস্যু নিয়ে আলোচনা এখন তুঙ্গে।

এদিকে, বুধবার এক বৈঠকের পর এ বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন বোর্ড সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। তিনি বলেন, সে (আকরাম) যে পদে ছিল তার মেয়াদ তো অনেক আগেই শেষ হয়েছে। এতোদিন তো অন্তবর্তীকালীন দায়িত্বে ছিল। তাই পদত্যাগ করার প্রসঙ্গই এখানে আসছে না।

পাপন আরও বলেন, তার (আকরাম) সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। সে জানিয়েছে যে, এখন যে দায়িত্ব আছে সে সেটা তার জন্য কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আর তাই সে অন্য কমিটিতে থাকার আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
বোর্ড সভাপতি জানান, ‘আকরাম খানের থাকা-না থাকার বিষয়ে সিদ্ধান্ত আগামী শুক্রবার (২৪ ডিসেম্বর) সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।’




ম্যারাডোনার গাড়ি-বাড়ি কেনার লোক পাওয়া যাচ্ছে না

দিয়েগো ম্যারাডোনার ব্যবহৃত জিনিস কেনার লোক পাওয়া যাচ্ছে না। প্রায় ৯০টি জিনিস নিলাম করার ভার পড়েছিল এক সংস্থার উপর। রবিবার অবধি নিলামের দিন ঠিক থাকলেও তা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। একাধিক দামী জিনিস বিক্রি না হওয়ায় দিন বাড়াতে বাধ্য হলো সংস্থা।

নিলামে সবচেয়ে বেশি দাম উঠেছিল ম্যারাডোনার একটি ছবির। সেটি শিল্পী লু সেদোভার আঁকা। ছবিটির দাম ওঠে প্রায় ১ লাখ ৬৩ হাজার টাকা। কিন্তু ম্যারাডোনা তার মা, বাবাকে বুয়েন্স আইরেসে যে বাড়িটি দিয়েছিলেন সেই বাড়িটি কেনার জন্য কাউকে পাওয়া যায়নি। বাড়িটির সর্বনিম্ন মূল্য ছিল প্রায় ৬৮ কোটি ৬৫ হাজার টাকা। ম্যারাডোনার দুটো বিএমডব্লিউ গাড়িও অবিক্রিত।

তিন ঘণ্টা ধরে চলা নিলামে আসে ১৯ লাখ ৬৬ হাজার ৩০০ টাকা। অবিক্রিত থেকে যায় ১ লাখ কোটি টাকার বেশি মূল্যের জিনিস। নেটমাধ্যমে হওয়া এই নিলামে অনেকেই অংশ নিতে পারেননি বলে মনে করা হচ্ছে। সেই জন্যই দিন বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে নিলামকারী সংস্থা।
ম্যারাডোনার সঙ্গে ফিদেল কাস্ত্রোর ছবি বিক্রি হয়েছে ১ লাখ ২১ হাজার টাকায়। ম্যারাডোনার নাপোলির জার্সি, প্যান্ট, কিউবান চুরুটও বিক্রি হয়েছে এই নিলামে।-আনন্দবাজার




মাশরাফি চাইলে পরামর্শক বা কোচ করা হবে,আশ্বাস পাপনের

মাশরাফি বিন মুর্তজা আগ্রহ প্রকাশ করলে তাকে জাতীয় দলের পরামর্শক বা কোচের ভূমিকায় নিযুক্ত করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) সভাপতি নাজমুল হাসান পাপন। মাশরাফিকে বোর্ড জাতীয় দলের সাথে চায় বলেও জানিয়েছেন তিনি।

সাবেক অধিনায়ক মাশরাফি ওয়ানডে ক্রিকেট থেকে এখনও অবসর ঘোষণা না করলেও জাতীয় দলে খেলোয়াড় হিসেবে তার ফেরার আর তেমন কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে অধিনায়ক হিসেবে মাশরাফি যে রকম সফল ছিলেন, তাতে অনেকেই তাকে জাতীয় দলের সাথে রাখার পক্ষে।

এজন্য অনেকেই সাবেক এই অধিনায়ককে কোচ বা পরামর্শক হিসেবে জাতীয় দলে যুক্ত করার দাবি জানিয়ে আসছেন। বিশেষ করে গত টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে মহেন্দ্র সিং ধোনি, জেপি ডুমিনি, মাহেলা জয়াবর্ধনে তাদের উত্তরসূরিদের পরামর্শক হিসেবে দায়িত্ব পেলে জোরালো হয় মাশরাফিকে পরামর্শক বা কোচ হিসেবে দলের সাথে রাখার দাবি।

এ বিষয়ে গণমাধ্যমের প্রশ্নের জবাবে নাজমুল হাসান পাপন জানিয়েছিলেন, মাশরাফি আসতে চাইলে তাকে যুক্ত করা হবে জাতীয় দলের সাথে। পাপন বলেন, ‘মাশরাফি যদি আসতে চায় আমরা তো চাইবই তাকে নিয়ে আসতে।’
তবে মাশরাফির সাথে এখন পর্যন্ত এ নিয়ে কোনো কথা হয়নি বলে জানান পাপন। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ওরকম কোনো আলোচনা হয়নি।’




অভিষেক টেস্টেই রেকর্ড,ইতিহাসের পাতায় অ্যালেক্স ক্যারি

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম অ্যাসেজ টেস্ট ৯ উইকেটে জিতে নিয়েছে অস্ট্রেলিয়া। অধিনায়ক হিসেবে প্যাট কামিন্সের প্রথম ম্যাচেই জয় নিয়ে হইচই তুঙ্গে। তবে খেলোয়াড় হিসেবে নিজের টেস্ট অভিষেকে অ্যালেক্স ক্যারি ইতিহাসের পাতায় নাম লেখালেন।

অভিষেক টেস্টেই উইকেটকিপার হিসেবে ৮টি ক্যাচ নেওয়ার রেকর্ড গড়েছেন তিনি। এবং ভাগ বসিয়েছেন সর্বোচ্চ ডিসমিসালের রেকর্ডেও।

তিনি দুই ইনিংস মিলিয়ে ৮টি ক্যাচ ধরেছেন। এর মধ্যে প্রথম ইনিংসে ৩টি ও দ্বিতীয় ইনিংসে নেন ৫টি ক্যাচ। এতদিন অভিষেকে সর্বোচ্চ ৭টি ক্যাচ নেওয়ার রেকর্ড ছিল ছয়জন উইকেটকিপারের দখলে। তারা হলেন-ক্রিস রিড, ব্রায়ান তাব, অ্যালান নট, পিটার নেভিল, চামারা দুনুসিংহে ও ঋষভ পান্ত।
ম্যাচের চতুর্থ দিনে ক্রিস ওকস, গ্রিনের বলে খোঁচা লাগিয়ে ক্যারির হাতে ধরা দিলে শেষ হয় ইংল্যান্ড ইনিংস। এই ক্যাচ ধরেই ইতিহাসের পাতায় নাম লেখান ৩০ বছর বয়সী অজি উইকেটকিপার।

অথচ ক্যারির টেস্টে খেলার কথাই ছিল না। কপাল খুলে যায় অজিদের নিয়মিত উইকেটকিপার টিম পেইনের ক্রিকেট থেকে বিরতি নেওয়ায়। তার জায়গাতেই দলে ঢুকেন এই উইকেটকিপার ব্যাটার।




বালিশ বুকে জড়িয়েই ​ঢাকা ছাড়লেন রিজওয়ান

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের মিশন শেষ করেই বাংলাদেশে এসেছিল পাকিস্তান ক্রিকেট দল। সেই সময় বিমানবন্দরে পাকিস্তান দলের খেলোয়ারদের মধ্যে আলাদা করে সকলের নজর কাড়েন পাকিস্তানি ওপেনার মোহাম্মদ রিজওয়ান। হাতে বালিশ নিয়েই বের হতে দেখা যায় তাকে। পরে জানা যায়, বিদেশ সফরে সব সময়ই নিজের সাথে এই বালিশ বহন করেন রিজওয়ান।

নিজ দেশ থেকে দুবাই এবং দুবাই থেকে বাংলাদেশে নিজের প্রিয় বালিশ নিয়ে সফর করার পর এবার সেই বালিশ নিয়েই বাংলাদেশে ছেড়েছেন রিজওয়ান। টি-টোয়েন্টি ও টেস্ট সিরিজে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করে ফুরফুরে মেজাজে বৃহস্পতিবার বেলা ১০টার দিকে দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছে পাকিস্তান দল। সেখান থেকে তারা দেশে ফিরবে। বিমানবন্দরে পাকিস্তানি ক্রিকেটারদের বহরে দেখা যায়, বালিশ বুকে জড়িয়ে ধরেই প্লেনের দিকে যাচ্ছেন রিজওয়ান।

উল্লেখ্য, মোহাম্মদ রিজওয়ানের এই বালিশ প্রীতি নতুন নয়। যেখানেই যান, সঙ্গে করে নিয়ে যান নিজের প্রিয় বালিশ। রিজওয়ান নিজের বাসা থেকে সেই বালিশ নিয়ে গেছেন দুবাইয়ে। তারপর দুবাই থেকে এলো বাংলাদেশে।
পিসিবি জানিয়েছে, এ বালিশে খুব আরামের ঘুম হয় রিজওয়ানের। তাই দেশে কিংবা বিদেশে- সব জায়গাতেই রিজওয়ানের সঙ্গী এই বালিশ। প্রিয় বালিশ বুকে জড়িয়েই রিজওয়ান এবার দেশে ফেরার বিমানে উঠলেন।