‎উপকূলবাসীকে রক্ষায় সমন্বিত ও কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে ‎—— পানিসম্পদ মন্ত্রী

‎উপকূলবাসীকে রক্ষায় সবুজ বেষ্টনী সৃজন, টেকসই বেড়ীবাঁধ নির্মান, পর্যাপ্ত সাইক্লোন সেন্টার নির্মানসহ সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের কথা বলেছেন পানিসম্পদ মন্ত্রী মোঃ
‎শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এমপি। তিনি আরও বলেন প্রকৃতির সঙ্গে যুদ্ধ করে উপকূল অঞ্চলের মানুষকে বেঁচে থাকতে হয়। ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, সাইক্লোন, বন্যা ও প্লাবনের হাত থেকে উপকূলকে বাঁচাতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করা প্রয়োজন।
‎
‎আজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে উপকূলীয় উন্নয়ন ফাউন্ডেশন আয়োজিত ভয়াল ২৯ এপ্রিল ৯১ স্মরণে ‘উপকূল বাঁচলে বাংলাদেশ বাঁচবে’ শীর্ষক জাতীয় সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন মন্ত্রী।
‎
‎মন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ভৌগোলিকভাবে পৃথিবীর ছয়টি মারাত্মক দুর্যোগ প্রবণ এলাকার অন্যতম। ভৌগোলিক অবস্থানের কারণে বাংলাদেশের মানুষের সঙ্গে বন্যা, খরা, ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাসের মত প্রাকৃতিক দুর্যোগের পরিচয় স্মরণাতীতকাল থেকেই। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড় বাংলাদেশের ইতিহাসের ভয়াবহতম ঘূর্ণিঝড় যা আঘাত হেনেছিলো উপকূলীয় ভূখণ্ডের কক্সবাজার, মহেশখালী, কুতুবদিয়া, বাঁশখালী, আনোয়ারা, চকরিয়া, সন্ধীপ, সীতাকুণ্ড ও হাতিয়ায়।
‎
‎এ্যানি চৌধুরী আরও বলেন, ১৯৯১ সালের ২৯ এপ্রিল ঘূর্ণিঝড় যখন আঘাত হেনেছিলে তখন সরকারের বয়স ছিলো মাত্র তিন মাস। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে সরকার অত্যান্ত দূরদর্শিতার সাথে পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছিলো।
‎
‎তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের খাল খনন কর্মসূচিকে পুনরুজ্জীবিত করছে। আগামী ৫ বছরে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী, খাল, পুকুর এবং জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে। এছাড়াও ৫ বছরে ২৫ কোটি বৃক্ষ রোপন করা হবে যা উপকূলীয় অঞ্চলে সবুজ বেস্টনী তৈরী করবে বলে জানান মন্ত্রী।
‎
‎উপকূলীয় উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড মোহাম্মদ কামাল হোসাইন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব ও মূল প্রবন্ধ পাঠ করেন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-৪ আসনের সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী, কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মোঃ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ, চট্টগ্রাম-১৬ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ মাওলানা জহিরুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৯ আসনের সংসদ সদস্য আবু সুফিয়ান।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক আকবর খান এর উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত জাতীয় সেমিনার ও স্মরণ সভায় প্যানেল আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপকূলীয় উন্নয়ন ফাউন্ডেশন এর সহ সভাপতি অধ্যক্ষ ডক্টর মোঃ সানা উল্লাহ, কোস্টাল জার্নালিস্ট ফোরাম অব বাংলাদেশ এর চেয়ারম্যান মুহাম্মদ আতা উল্লাহ খান, মহেশখালী সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান জয়নাল আবেদীন, সাবেক জেলা যুগ্ম-জজ ডক্টর সাজ্জাদ হোসাইন।
স্মরণ সভায় আরো বক্তব্য রাখেন কুতুবদিয়া দরবার শরীফের শাহ আকতার আলম কুতুবী, সাংবাদিক মাহবুবুল মাওলা রিপন, শাহাবুদ্দিন চৌধুরী, সাবেক কাউন্সিলর সালামত উল্লাহ বাবুল, খোরশেদ আলম প্রমূখ ।
জাতীয় সেমিনার শেষে নিহতদের স্মরণে দোয়া ও আপ্যায়নের মাধ্যমে স্মরণ সভা শেষ হয়।




হঠাৎ মৌলভীবাজারে শিলাবৃষ্টি !

মৌলভীবাজারে শিলাবৃষ্টিতে সবজি ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা করছে স্থানীয়রা

শুক্রবার,
২৮ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,
১৪ মার্চ ২০২৫ইং,
জেলা প্রতিনিধি :

হঠাৎ শিলাবৃষ্টিতে মৌলভীবাজারের বড়লেখা ও জুড়ী উপজেলায়। এ শিলাবৃষ্টিতে কিছু অংশে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

১৩ মার্চ বৃহস্পতিবার, রাত ৯টার পর জেলার এ দুটি উপজেলায় শিলাবৃষ্টি হয়। বৃষ্টিতে তরমুজ ও পেঁয়াজ জাতীয় ফসলের ক্ষয়ক্ষতির শঙ্কা বেশি বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

জানা গেছে রাতে হঠাৎ করে প্রবল শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এতে ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করছছে স্থানীয় কৃষকরা। বিশেষ করে বর্তমানে শীতকালীন সবজির ক্ষতি হয়েছে। রাতে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করা যায়নি। তবে জুড়ীতে শিলাবৃষ্টি বেশি সময় স্থায়ী হয়নি যার কারণে ফসলের ক্ষতির পরিমাণ খুব একটা হবে না।

বড়লেখা উপজেলা থেকে আমাদের প্রতিনিধি জানান, রাতে বড়লেখা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় প্রচুর শিলাবৃষ্টি হয়েছে। ফাল্গুন মাসের একেবারে শেষের দিকে এসে এ বৃষ্টিতে টিনের ঘরের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। আমাদের দাসের বাজার ইউনিয়নের অনেক গরীবের ঘরের চাল বৃষ্টিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বড়লেখা উপজেলার পৌর এলাকা, পাখিয়ালা, মুড়িরগুল, পানিধার, মুছেগুলসহ হাওরপারের এলাকাগুলোতে শিলাবৃষ্টি হয়েছে। শিলাবৃষ্টিতে ফসলের কী পরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে সেটি এখনও নিরূপণ করা যাচ্ছে না।

জুড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল আলম খান বলেন, শিলাবৃষ্টি হলে বোরো ধানের ক্ষতি হাবার শঙ্কা নেই। তবে তরমুজ জাতীয় ফসলের ক্ষতির শঙ্কা রয়েছে। তবে জুড়ীতে তেমন শিলাবৃষ্টি হয়নি যা কৃষকের ক্ষতি করতে পারে।

তিনি বলেন, বড়লেখা উপজেলায় শিলাবৃষ্টি হয়েছে। এরকম কিছু ছবি আমার কাছে কয়েকজন দিয়েছেন। ছবিতে যে রকম শিলাবৃষ্টি দেখা গেছে এরকম হলে কৃষকের শীতকালীন সবজির ক্ষতির শঙ্কা রয়েছে।




এই বসন্তে রাস্তার পাশে ফুটে আছে দৃষ্টিনন্দন ভাঁটফুল,

শুক্রবার,
২৮ ফাল্গুন ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,
১৪ মার্চ ২০২৫ইং,

ডেস্ক নিউজ:
প্রকৃতিতে এখন বসন্তকাল। রাস্তার ধারে, পথে-ঘাটে, বনে-বাদাড়ে অযতœ-অবহেলায় জন্ম নেয় ভাঁটফুল। এই ফুলকে কেউ কেউ ঘেটু ফুল বা বনজুঁই হিসেবেও চেনেন।

ভাঁটফুল ভারবিনাসিয়া পরিবারের অন্তর্গত গুল্মজাতীয় বহুবর্ষজীবী সপুষ্পক উদ্ভিদ। বাংলাদেশ, ভারত ও মিয়ানমার অঞ্চলে এ ফুলের আদি নিবাস। বৈজ্ঞানিক নাম হলো ঈষবৎড়হফবহফৎড়হ ারংপড়ংঁস (ক্লেরনডেনড্রন ভিসকোসাম) ।

এর অনেক ওষুধি গুন রয়েছে। এতে প্রচুর পরিমাণে ফ্ল্যাভোনয়েড থাকে তাই এটি ক্যানসার দমনে সহায়ক। এ ছাড়া কৃমি, চুলকানি, কোলেস্টেরল, ব্লাড সুগার ও উদরাময় প্রভৃতি রোগ নিরাময়ে এটি সাহায্য করে।সনাতন ধর্মাবলম্বীরা ভাঁটফুল দিয়ে ভাঁটি পূজার আয়োজন করেন।

এটি গ্রামবাংলার অতি পরিচিত ফুলের মাঝে একটি। বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বাংলাদেশের অনেক অঞ্চলে এ বুনোফুল ফোটে। তবে শুধু ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়ই নয়, চৈত্র থেকে বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাস পর্যন্ত প্রায় সারাদেশেই ভাঁটফুলের সুবাস ও সৌন্দর্য আমাদের মাতিয়ে রাখে।




প্রবল শীতে কবি সালাউদ্দিন বাদলের কম্বল বিতরণ।

রোববার,
২১ পৌষ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,
০৫ জানুয়ারি ২০২৫ ইং

স্টাফ রিপোরটারঃ

শিক্ষানুরাগী সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব, মানবিক নেতা কবি সালাউদ্দিন বাদল শীতার্ত অসহায় মানুষের মাঝে কম্বল বিতরণ করেন। আজ দুপুরে কবি তার নিজ বাসভবনে এলাকার প্রায় ৩০০ অসহায় দুস্ত মানুষের মাঝে এই শীত বস্ত্র বিতরন করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন সমাজসেবী মোহাম্মদ নাসির উদ্দিন, বিশিষ্ট টিভি উপস্থাপক সমাজসেবী ও সাংবাদিক শেখ বোরহান উদ্দিন বাবু , কণ্ঠশিল্পী ফেরদৌসী দিনার, সমাজসংগঠক জেসি আক্তার,সমাজকর্মী মনির হোসেন, কণ্ঠশিল্পী আলেয়া মাহবুব, কণ্ঠশিল্পী বঙ্কিম মন্ডল প্রমুখ।

কবি সালাউদ্দীন বাদল একজন সাদা মনের মানুষ। প্রতি বছরই একাধিক বার দুস্ত অসহায় শীতার্ত মানুষের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরন করেন তিনি। এই ধারাবাহিকতায় আজ ৩০০ শীতার্ত অসহায় মানুষকে কম্বল বিতরন করেন। এক সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে তিনি এই প্রচন্ড শীতে অসহায়, দুস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানোর জন্য সমাজের বৃত্তবানদের প্রতি আহবান জানান। একি সাথে তিনি সকলের কাছে দোয়া প্রার্থনা করেন যেনো সারা জীবন তিনি এলাকার গরিব অসহায় দুস্ত মানুষের পাশে থেকে খেদমত করতে পারেন।




নতুন বছরের শুরুতে শৈত্যপ্রবাহ, যা জানাল আবহাওয়া অধিদপ্তর

দেশের বিস্তৃত অঞ্চলজুড়ে শীত থাকলেও আপাতত শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাওয়ার কোনো সম্ভাবনা নেই। তবে বছরের বাকি দিনগুলোতে আবহাওয়ার তেমন কোনো পরিবর্তনের পূর্বাভাস নেই। তবে নতুন বছর শুরু হতে পারে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ দিয়ে বলে এক পূর্বাভাসে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বলা হয়েছে, নতুন বছর শুরু হতে পারে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ দিয়ে। যা শেষ পর্যন্ত তীব্র শৈত্যপ্রবাহে বিস্তার লাভ করতে পারে।

আজ রবিবার আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে এসব তথ্য জানা যায়। আরও বলা হয়েছে, তেঁতুলিয়া ছাড়া দেশের সব অঞ্চলে আগামী কয়েকদিন ১০-১৬ ডিগ্রির মধ্যে তাপমাত্রা ওঠা-নামা করতে পারে। আর তেঁতুলিয়াতে আগামী কয়েকদিনে তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামতে পারে। এছাড়া আগামী ২৮, ২৯ ও ৩০ ডিসেম্বর রাজশাহী এবং রংপুর বিভাগে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, তাপমাত্রা ৮ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে থাকলে তাকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ, ৬ থেকে ৮ ডিগ্রির মধ্যে থাকলে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বলে। আর তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে নেমে গেলে তাকে বলে তীব্র শৈত্যপ্রবাহ। এতে পূর্বাভাস অনুযায়ী, নতুন বছর শুরুতে দেশের আলাদা আলাদা অঞ্চলে শৈত্যপ্রবাহের ভিন্নতা দেখা দিতে পারে।




ডিসেম্বরের শুরুতে বৃষ্টির আভাস, বাড়বে শীত

আবহাওয়াবিদ মো. শাহীনুল ইসলাম এক পূর্বাভাসে জানিয়েছেন, বঙ্গোপসাগরের দক্ষিণে আন্দামান নিকোবর দ্বীপপুঞ্জ এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টির শঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে ডিসেম্বরের শুরুর দিকে দেশে বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে শীতও বাড়বে।

সোমবার সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে তিনি এমনটাই জানিয়েছেন। শাহীনুল ইসলাম আরও জানিয়েছেন, দুই থেকে তিন দিন পর দেশের তাপমাত্রা সামান্য বাড়তে পারে। আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে দক্ষিণ আন্দামান সাগরে লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস রয়েছে। এর প্রভাবে ডিসেম্বরের ৬-৭ তারিখের দিকে দেশে বৃষ্টিপাত হতে পারে। তবে এখনো লঘুচাপটি সৃষ্টি হয়নি।

এদিকে, উপ-মহাদেশীয় উচ্চচাপ বলয়ের বর্ধিতাংশ বিহার ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। লঘুচাপের বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। আগামী ২৪ ঘণ্টায় দক্ষিণ আন্দামান সাগর এবং তৎসংলগ্ন এলাকায় একটি লঘুচাপ সৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।




এফবিআই সার্ভার থেকে হাজার হাজার ভুয়া মেইল,সাইবার হামলার আশঙ্কা

মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই তাদের একটি অভ্যন্তরীণ সার্ভার থেকে হাজার হাজার ভুয়া ই-মেইল পাঠানোর ঘটনা তদন্ত করছে এবং একটি সম্ভাব্য সাইবার আক্রমণের ব্যাপারে সতর্ক করেছে। মার্কিন সরকারের এই সংস্থাটি বলেছে, শনিবার সকালে ঘটে যাওয়া এই ঘটনা একটি ‌‘চলমান পরিস্থিতি’। তবে এর বেশি কিছু সংস্থা থেকে জানানো হয়নি।

ভুয়া ইমেইলটির উৎসস্থল মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বলে প্রেরকের ঠিকানায় উল্লেখ আছে। যুক্তরাষ্ট্রের হোমল্যান্ড সিকিউরিটি দাবি করেছে, এ ধরনের একটা হুমকি আসতে পারে, সে ব্যাপারে তারা সতর্ক করেছিল। তারা যে সতর্কবার্তা দিয়েছিল সেটার টাইটেল ছিল ‘আর্জেন্ট : থ্রেট অ্যাকটর ইন সিস্টেম’।

অলাভজনক সংস্থা স্প্যামহাউস বলেছে, ই-মেলগুলোতে প্রাপকদের উদ্দেশ্যে বলা হয়েছে, তারা একটি ‘স্পর্শকাতর ধারাবাহিক হামলার’ লক্ষ্য হতে যাচ্ছেন আর এসব হামলা করবে ‘ডার্ক ওভারলোড’ নামে একটি চাঁদাবাজ গোষ্ঠী।
স্প্যামহাউস টুইট করে বলেছে, ‘তারা অনেক বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। কারণ, এই মেইলগুলো সত্যিকার অর্থে এফবিআই অবকাঠামোর ভেতর থেকে আসছে’। তারা এটাও বলেছে, মেইলটা কে পাঠিয়েছে তার নাম যেমন নেই সেখানে কোনো যোগাযোগের তথ্য দেওয়া হয়নি।

মার্কিন গণমাধ্যম বলেছে, এক লাখের বেশি মেইল পাঠানো হয়েছে। একটা বিবৃতিতে শনিবার এফবিআই বলেছে, তারা ভুয়া ইমেইল সম্পর্কে অবগত আছে যেটা @ic.fbi.gov অ্যাকাউন্ট থেকে পাঠানো হয়েছে।

এফবিআই আরও বলেছে, সমস্যাটা ধরতে পারার সঙ্গে সঙ্গে যে হার্ডওয়্যারটা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, সেটা অফলাইন করা হয়েছে এবং জনগণকে বলা হয়েছে, তারা যেন অজানা কোনো সেন্ডারের কাছ থেকে ইমেল পেলে সতর্ক থাকেন।

একই সঙ্গে যদি সন্দেহজনক কোনো কার্যকলাপ চোখে পড়ে সেটা সরকারকে জানাতে হবে। তবে এটা এখনো পরিষ্কার না যে হ্যাকাররা এটা করেছে নাকি এমন কোনো ব্যক্তি করেছে যার এফবিআই-এর সার্ভারে প্রবেশাধিকার আছে।

সূত্র : বিবিসি বাংলা




সকাল থেকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি, রাজধানীতে শীতের আমেজ

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বাভাবিক মৌসুমী লঘুচাপে আজ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হয়েছে। এর ফলে কয়েকদিনের গরম ভাব কেটে গেছে। সকালের বৃষ্টির ফলে শীতের আমেজ বিরাজ করছে।

আবহাওয়া অফিস জানায়, মেঘলা আবহাওয়ায় তাপমাত্রা কিছুটা বেড়েছে। শনিবার কোথাও কোথাও হালকা বা গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি হতে পারে। মেঘ কেটে গেলে কয়েকদিন পর রোদেলা ও শুষ্ক আবহাওয়ায় তাপমাত্রা কমবে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত নিম্নচাপটি দুর্বল হয়ে উত্তরপশ্চিম দিকে সরে গিয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ এবং পরে লঘুচাপ হিসেবে উত্তর তামিলনাড়ু ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি গুরুত্ব হারাবে।




অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ের আকার ধারন করবে ‘ইয়াস’

দিনবদল নিউজ ডেস্ক:

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের গতিপথের চিত্র প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। সেখানে দেখা গেছে ২৫ মে মঙ্গলবার, ইয়াস প্রবল ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নেবে। এদিনই এটি অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে। অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় আকারেই বুধবার ভোরে ইয়াসের চোখ বা কেন্দ্রটি ভারতের উপকূলের কাছে যাবে এবং স্থলভাগে উঠবে। বুধবার সারাদিন তাণ্ডব চালিয়ে এ দিন শেষভাগে এটি প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেবে। এরপর বৃহস্পতিবারের শুরুর দিকে ঘূর্ণিঝড় থেকে এটি গভীর নিম্নচাপে রূপ নেবে। বৃহস্পতিবার শেষ দিকে এটি নিম্নচাপে পরিণত হবে।

চিত্রে আরও দেখা গেছে, ঘূর্ণিঝড়ের চোখ বা কেন্দ্রটি বঙ্গোপসাগর থেকে সোজা ভারতের দিকে।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের একটি সম্ভাব্য গতিপথও তৈরি করেছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর। সে অনুযায়ী, ঘূর্ণিঝড়টি কেন্দ্র আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে ভারতের উড়িষ্যায়। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ আঘাত হানতে পারে পশ্চিমবঙ্গে। উড়িষ্যা-পশ্চিমবঙ্গের চেয়ে কম প্রভাব পড়বে বাংলাদেশে। বাংলাদেশ অংশে খুলনা উপকূল বিশেষ করে সুন্দরবনে এর বেশি প্রভাব পড়তে পারে। এছাড়া মিয়ানমারেও এর হালকা প্রভাব পড়তে পারে।

মঙ্গলবার ভোরে ইয়াস সম্পর্কিত ৯ নম্বর বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত ঘূর্ণিঝড় ইয়াস উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর ও আরও ঘনীভূত হয়ে প্রবল ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে বর্তমানে একই এলাকায় অবস্থান করছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের ৬৪ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের একটানা সর্বোচ্চ গতিবেগ ঘণ্টায় ৮৯ কিলোমিটার, যা দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া আকারে ১১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে। প্রবল ঘূর্ণিঝড় কেন্দ্রের নিকট সাগর খুবই বিক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছে।

চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, মংলা ও পায়রা সমুদ্রবন্দরকে ২ নম্বর দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে। উত্তর বঙ্গোপসাগর ও গভীর সাগরে অবস্থানরত সব মাছ ধরার নৌকা ও ট্রলারকে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত নিরাপদ আশ্রয়ে থাকতে বলা হয়েছে। অনুকূল আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে প্রবল ঘূর্ণিঝড়টি আরও ঘনীভূত হয়ে উত্তর-উত্তরপশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে ২৬ মে ভোর নাগাদ উত্তর-পশ্চিম বঙ্গোপসাগর এলাকায় পৌঁছতে পারে।

এটি আজ সকাল ৬টায় চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর থেকে ৫৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, কক্সবাজার সমুদ্রবন্দর থেকে ৫২০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে, মংলা সমুদ্রবন্দর থেকে ৫১৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে এবং পায়রা সমুদ্রবন্দর থেকে ৪৮০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে অবস্থান করছিল বলেও জানানো হয়েছে বিশেষ বিজ্ঞপ্তিতে।




ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় আওয়ামীলীগের সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল

বিশেষ প্রতিনিধি:

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস মোকাবিলায় সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল গঠন করেছে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটি। ২৪ মে সোমবার আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়, ইয়াস-এর গতিবিধি সার্বক্ষণিক মনিটরিং করে এর ক্ষয়ক্ষতি মোকাবিলায় প্রয়োজনীয় তথ্য-উপাত্ত সংগ্রহের লক্ষ্যে আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় এবং দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের সার্বিক তত্ত্বাবধানে আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ উপ-কমিটি সার্বক্ষণিক মনিটরিং সেল গঠন করেছে।

সংশ্লিষ্ট সবাইকে এ বিষয়ে মনিটরিং সেলের সদস্যদের সাথে জরুরী যোগাযোগ করার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে। মনিটরিং সেলের সদস্যরা হলেন, ডা. হেদায়েতুল ইসলাম বাদল (০১৬১৭-০০০০১৭), আখলাকুর রহমান মাইনু (০১৯১১-৩৯৪৩১৪), ড. মোয়াজ্জেম হোসেন মাতব্বুর আমিনুল (০১৭১১-৮২৬৫৩১), হারুন অর রশীদ (০১৭১১-৫৮২৪৭৫), মাহবুব রশীদ (০১৭১১-০০৫৭১৭), মিজানুর রহমান (০১৭১৬-৫৮০৮৯৬), আব্দুল বারেক (০১৭১১-২৮১৮৯২), বেলাল মোহাম্মদ নুরী (০১৮১৯-৯৪০২৮৩), আমিনুর রশীদ লিটন (০১৮২৭-১৭৪৫৫৮), অরিন্দ হালদার (০১৭৭৯-২৪৭৬৪৪), গোপাল সরকার (০১৭১৫-৮১৪৪৯৪, আব্দুল্লাহ আল মাসুম ০১৬৭০-৬৬০৭৭০) ও খালিদ হোসাইন খান বিপুর (০১৯১৫-২২৬৩২৮) ।