বাংলাদেশ এখন ঋণ নেবে না, ঋণ দেবে: অর্থমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি:

২০২১-২২ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) হার ৭ দশমিক ২ শতাংশ ধরা হয়েছে। করোনাকালে জিডিপির এই প্রবৃদ্ধি অর্জন কঠিন হলেও সম্ভব বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল। তিনি বলেছেন, আগামীতে আমরা ঋণ নেবো না, দেবো।

আজ ৪ জুন শুক্রবার বাজেট পরবর্তী ভার্চুয়াল সংবাদ সম্মেলনে তিনি একথা বলেন।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘অতীতে আমরা যা বলেছি তা অর্জন করেছি। এটা অর্জন করতে যে সমস্ত নেটওয়ার্ক দরকার সেগুলো খুব শক্তিশালী। সামষ্টিক অর্থনীতির গতিমুখীতা অত্যন্ত অগ্রসরমুখী। দেশ স্বাভাবিক হলে আবারও বাংলাদেশের অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়াবে। আমরা প্রবৃদ্ধি অর্জন করে দেখাবো।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন নিয়ে সারা দুনিয়ায় আলোচনা চলছে। ২০১৯ সালের জুলাইয়ের ৩০ তারিখে আমাদের ফরেন এক্সচেঞ্জের রিজার্ভ ছিল ৩২ পয়েন্ট ৭ বিলিয়ন ডলার, একবছর পর সেটা ৩২ থেকে ৩৬ বিলিয়নে চলে আসল। ১ বছরের মাঝে চার বিলিয়ন বাড়লে। এর পর গত ডিসেম্বরে সেটা ৪৩ পয়েন্ট ১ বিলিয়ন ডলারে পৌঁছায়। আর গতকাল সেটা ছিল ৪৫ দশমিক ১ বিলিয়ন ডলার।’




কমলো মাংসের দাম

ডেস্ক রিপোর্ট:

রাজধানীর বাজারগুলোতে ঈদের আগে অস্বাভাবিক হারে বেড়ে যাওয়া ব্রয়লার মুরগি এবং গরু ও ছাগলের মাংসের দাম কিছুটা কমেছে।

আজ ২১ মে শুক্রবার, এমন তথ্য পাওয়া গেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, চাহিদা কম থাকায় এখন মাংসের দাম কিছুটা কমেছে। সামনে মুরগির দাম আরও কমতে পারে। তবে গরু ও ছাগলের মাংসের দাম কমার সম্ভাবনা কম।

এদিকে মুরগি এবং গরু ও ছাগলের মাংসের দাম কমলেও সবজির দাম অনেকটাই অপরিবর্তিত রয়েছে। সেই সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে চিনি ও সয়াবিন তেল।

বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, ব্যবসায়ীরা গরুর মাংস বিক্রি করছেন ৫৮০ থেকে ৬০০ টাকা, যা ঈদের আগের দিন ৬৫০ টাকায় উঠেছিল। আর ৯৫০ টাকায় ওঠা খাসির মাংস ৭০০ থেকে ৮৫০ টাকার মধ্যে পাওয়া যাচ্ছে।

অপরদিকে ঈদের আগে ১৬০ টাকায় উঠে যাওয়া ব্রয়লার মুরগির কেজি কমে ১৪০ টাকায় নেমেছে। সোনালি মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২২০ থেকে ২৬০ টাকা, যা ঈদের আগে ৩২০ টাকায় উঠেছিল।

ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কমলেও অপরিবর্তিত রয়েছে লাল লেয়ার মুরগি। আগের মতো লাল লেয়ার মুরগির কেজি বিক্রি হচ্ছে ২৪০ থেকে ২৫০ টাকায়।




কমলো পেঁয়াজের দাম

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঈদের পরপরই ভারতের পেঁয়াজের দাম কেজিপ্রতি ৫ টাকা পর্যন্ত বেড়ে গিয়েছিল। এর প্রভাব পড়ে দেশি পেঁয়াজের বাজারেও। এতে খুচরা বাজারে ভারতীয় এবং দেশি উভয় ধরনের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে একই দামে। বাজারে তখন উভয় ধরনের পেঁয়াজ বিক্রি হয়েছে ৪৫ থেকে ৫০ টাকায়। যা ঈদের আগেও ৪০ থেকে ৪৫ টাকার মধ্যে ছিল।

পেঁয়াজের আমদানিরকারক আবদুল মাজেদ বলেন, করোনার বিধিনিষেধে ভারত থেকে পেঁয়াজ আনা যাচ্ছে না। ঈদের পর পর দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ কম ছিল। গ্রামগঞ্জের আড়ৎগুলো বন্ধ ছিল। সেই সময় দাম কিছুটা বেড়েছে। কিন্তু বর্তমানে প্রচুর দেশি পেঁয়াজের সরবরাহ থাকায় দাম কমে এসেছে।

তিনি বলেন, দেশি পেঁয়াজের দাম ওই সময়ও বাড়েনি মোকামে। কিন্তু ভারতীয় পেঁয়াজের দাম বেড়ে যাওয়ায় খুচরা পর্যায়ে দেশি পেঁয়াজও বাড়তি দামে বিক্রি হয়েছে।

রাজধানীর রামপুরা, তালতলা, শান্তিনগরসহ কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। খুব ভালো মানের বাছা দেশি পেঁয়াজ কিনতে দাম কিছুটা বেশি লাগছে। আর আমদানি করা পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ টাকায়।

অন্যদিকে, কাঁচাবাজারে ঈদের পর থেকে বেড়ে যাওয়া সবজির দাম কিছুটা কমেছে। তবে মাছ-মাংসের দাম কমেনি।

কাঁচাবাজারের ব্যবসায়ীরা বলছেন, বন্ধ থাকা আড়ৎ, দোকানপাট সব কিছু খুলেছে। গ্রাম থেকে সবজির সরবরাহ বেড়েছে ধীরে ধীরে। ফলে বাড়তি দাম কমে আসছে।




আবারও স্বর্ণের দাম ভরিতে বাড়ল ২৩৩৩ টাকা

সানজিদা সপ্না:

স্বর্ণের দাম প্রতি ভরিতে ২৩৩৩ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস)। বিশ্ববাজারে দাম বাড়ায় জরুরি সভা করে এই দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। ১০ মে সোমবার, দুপুর ১টা থেকে নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।

সূত্র জানায়, সোমবার বাজুসের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা করে প্রতি গ্রাম স্বর্ণের দাম ২০০ টাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এতে ভরিতে স্বর্ণের দাম বেড়েছে ২৩৩৩ টাকা।

এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা আমাদের প্রতিনিধিকে বলেন, জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনা করে ঈদের আগে স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে।

‘বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম বাড়ার প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে। তবে ক্রেতাদের স্বার্থের কথা চিন্তা করে আমরা ঈদের আগে স্বর্ণের দাম না বাড়ানোর পক্ষে ছিলাম। কিন্তু জরুরি অবস্থা বিবেচনা করে স্বর্ণের দাম বাড়াতে হচ্ছে।’

বাজুসের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আজ থেকে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ২ হাজার ৩৩৩ টাকা বাড়িয়ে ৭১ হাজার ৪৪৩ টাকায়, ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬৮ হাজার ২৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের স্বর্ণ ৫৯ হাজার ৫৪৪ টাকায় ও সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৪৯ হাজার ২২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।




দরিদ্র মানুষের জন্য আগামী বাজেট: অর্থমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি:

আগামী অর্থবছরের বাজেট দেশের দরিদ্র মানুষের জন্য নিবেদিত থাকবে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

আজ বুধবার (২১ এপ্রিল) দুপুরে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

দরিদ্রদের নিয়ে চালানো দুটি গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জরিপের বিষয়ে তুলে ধরে জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘গরিব মানুষের জন্য আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে তাদেরকে গরিব থেকে বের করে নিয়ে আসা। যারা অতিরিক্ত গরিব আছে তারা গরিব হবে এবং যারা গরিব আছে তাদেরকে আমরা মূলস্রোতধারায় নিয়ে আসব। সেভাবেই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আর গবেষণা করে যদি তারা কোনো তথ্য দিয়ে থাকে সেটা পরিসংখ্যান ব্যুরো দেখবেন। তাদের অ্যাসেসমেন্টে আমরা গ্রহণ করব। সেটা এখনো তৈরি হয়নি, হলে আমরা অবশ্যই আপনাদের জানাবো।’

দরিদ্রদের মূলস্রোতে আনতে বাজেটে বড় একটি বরাদ্দ দরকার, সেক্ষেত্রে নতুন করে সামাজিক সুরক্ষাখাতে বাড়তি কোনো বরাদ্দ রাখবেন কি-না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমাদের আগামী বাজেট নিবেদিত থাকবে এ দেশের দরিদ্র মানুষের জন্য। এরাই অগ্রাধিকার পাবে। সুতরাং আমরা ’মানুষের জীবন-জীবিকার জন্য বাজেটে জায়গা করে দেবো।’

গতবছর দরিদ্রদের অর্থ বিতরণে গোলমাল হয়েছে, এবছর ৩৫ লাখ মানুষকে আড়াই হাজার টাকা করে দেয়ার বিষয়ে সিদ্ধান্ত কী জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মিসম্যাচটা হওয়ার কারণ হলো- আমাদের যেসব প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর বা পিছিয়েপড়া জনগণের কথা বলছেন, তাদের যে আইডিটাকার্ড বা মাধ্যম রয়েছে সেখানে সরাসরি ট্রান্সফার করে দেই। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে সেটি ট্রান্সফারের উপযুক্ত থাকে না। সেজন্য একটু বিলম্ব হয়। কিন্তু আমরা কাজগুলো করছি। যাদেরকে আমরা আড়াই হাজার টাকা করে দেবো, সরকারের সিদ্ধান্ত হচ্ছে এই টাকা সরাসরি ট্রান্সফার করা। সরাসরি ট্রান্সফার করতে গেলে সিস্টেম ডেভেলপ করতে হবে। আর একবার যদি সিস্টেমে চলে আসে তাহলে ভবিষ্যতে এর চেয়ে সহজ কাজ আর হবে না। তখন আমরা কম সময়ে অনেক বেশি কাজ করতে পারব।’

প্রধানমন্ত্রী ইতিবাচক সাড়া দিয়েছেন সুতরাং এই আড়াই হাজার টাকা বিতরণের কাজ শিগগির শুরু হবে বলেও জানান তিনি।




বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্ভার ডাউন ক্লিয়ারিং চেক লেনদেন বন্ধ, ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ

মোঃ শফিকুল ইসলাম :

বাংলাদেশ ব্যাংকে আইটি বিপর্যয়ের কারণে ব্যাংকিং সেক্টরের আর্থিক খাতে আন্তঃব্যাংক চেক লেনদেন বন্ধ রয়েছে , একই সঙ্গে ইলেকট্রনিক ফান্ড ট্রান্সফারের (ইএফটি) মাধ্যমে টাকা লেনদেনও বন্ধ রয়েছ।আর্থিক খাতে লেনদেনের অন্যতম বড় এ দুটি মাধ্যমে দৈনিক গড়ে ১৩ হাজার কোটি টাকা লেনদেন হয়ে থাকে।

ডাচ বাংলা ব্যাংক রামপুরা শাখার ডেপুটি ম্যানেজার দিনবদল নিউজকে বলেন, গত ১৩ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সার্ভার ডাউন হয়ে যাওয়ায় কোন চেক ক্লিয়ারিং হয়নি। এতে করে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ ও ব্যবসায়ীরা।

পরে বাংলাদেশ ব্যাংকের এক দায়িত্বশীল কর্মকর্তার সাথে কথা বলে জানা যায় , গত ১৩ এপ্রিল কেন্দ্রীয় ব্যাংকের দুটি ডেটা সেন্টারের মধ্যে সংযোগকারী ফাইবার অপটিক্যাল কেবল বিচ্ছিন্ন হওয়ায় সার্ভার ডাউন হয়ে গেছে। ‘মাইক্রোসফট ও ভিএমওয়্যার’ প্রযুক্তি টিম সমস্যা সমাধানে কাজ করছে। কখন ঠিক হবে বলতে পারছি না, তবে যেকোনো মুহূর্তে এটি ঠিক হয়ে যাবে।




করোনায় কৃষকরা কাজ করতে না পারায় চালের সরবরাহ কম হয়েছে : অর্থমন্ত্রী

করোনার কারণে কৃষকরা ঠিকমতো কাজ করতে না পারায় চলতি বছর চালের সরবরাহ কম হয়েছে, ফলে বাজারে চালের দাম বেশি বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল।

আজ বৃহস্পতিবার (১৫ এপ্রিল) দুপুরে গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি প্রাক-বাজেট আলোচনা শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

৮-১০ লাখ টন চাল আমদানির অনুমতির পরও বাজারে চালের দাম অনেক বেশি, এর কারণ জানতে চাইলে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘ধান, চাল এবং গম প্রকৃতির ওপর নির্ভরশীল। আমরা দাবি করি- আমরা খাদ্যশস্যে স্বাবলম্বী। খাদ্যশস্যে আমরা স্বাবলম্বী হতে পারি সেই বছর যে বছর আমাদের প্রকৃতি স্বাভাবিক থাকে। যদি প্রাকৃতিক কোনো দুর্যোগ আসে সেটা আমরা মেইনটেইন করতে পারি না। আমাদের এখানে যে পরিমাণ জমি, দক্ষতা ও সক্ষমতা আছে তা যথাযথ কাজে লাগাতে পারলে আমরা সফল সেই বছর।’

তিনি বলেন, ‘গত বছরও আমাদের অনেক বোরো নষ্ট হয়েছে, সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের জন্য একটি প্যাকেজ নেয়া হচ্ছে, সেভাবেই কাজটি করা হচ্ছে। ভারতেও সেভাবে কৃষিতে সফলতা পায়নি। আমাদের পাশের যেসব দেশ যেমন থাইল্যান্ড তাদেরও ঘাটতি আছে। করোনাভাইরাসের কারণে সারাবিশ্বই আমাদের চেয়ে অনেক দেশ বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল। এর কারণে কৃষিকাজ কৃষকরা করতে পারেনি। স্বাভাবিক কাজ যেমন ব্যাহত হয়েছে তেমনি কৃষিও ব্যাহত হয়েছে। এর কারণে সরবরাহ কমে গেছে, ফলে চালের দামটা বেশি।’

আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, ‘আমাদের কৃষি খাতের যে যে জায়গায় হাত দেয়া উচিত সেখানে আমরা সহযোগিতা করব। কৃষি আমাদের লাইফলাইন। সুতরাং সব ধরনের কৃষিজাত প্রোডাক্টে আমরা আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করব। এবং আমাদের যারা শিক্ষিত কৃষিতে আসতে চায় তাদের উৎসাহিত করার জন্য কিছু কিছু প্রণোদনা রেখে আমরা চেষ্টা করব। আর কৃষি ম্যানুয়াল থেকে ম্যাকানাইজড হবে, সেটা আমরা অলরেডি কাজ শুরু করেছি। গতবার বাজেটেও এ বিষয়ে আমাদের বক্তব্য ছিল, কিছু অর্থও আমরা সেই খাতে রেখেছিলাম। আমি মনে করি আমাদের কৃষি অনেক ভালো কাজ করছে এবং কৃষিকে আরও গতিশীল, বেগবান ও শক্তিশালী করার জন্য যা যা প্রয়োজন সরকার তা করবে।’

অর্থের অপচয়রোধসহ বিভিন্ন বিষয়ে গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের পরামর্শের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘বাজেট প্রণয়নের জন্য আমাদের একটি টিম আছে, সেই টিম কাজগুলো করবে। আমরা পরামর্শগুলো পেয়েছি, সেগুলো আমরা বিবেচনা করব। আমরা টিম নিয়ে আবার একসাথে বসব, বসে সেখানে সিদ্ধান্ত নেবো যে, এর মধ্যে কোনগুলো বাজেট প্রণয়নে কাজে লাগাব। যতটা আমাদের সাধ্যে কুলায় সেভাবেই গ্রহণযোগ্য পরামর্শ আমরা গ্রহণ করব।’




কমে গেলো স্বর্ণের দাম

বিশ্ববাজারে বড় ধরনের দরপতনের মধ্যে পড়েছে স্বর্ণ। ফেব্রুয়ারিজুড়ে ৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ দরপতনের পর চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহেও স্বর্ণের দামে বড় পতন হয়েছে। এমন টানা দরপতনের মধ্যে পড়ায় ৯ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে চলে গেছে স্বর্ণের দাম।

স্বর্ণের পাশাপাশি গত সপ্তাহজুড়ে বড় দরপতন হয়েছে রুপা ও প্লাটিনামের। গত এক সপ্তাহে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে ১ দশমিক ৮৮ শতাংশ। রুপার দাম কমেছে ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ। প্লাটিনামের দাম কমেছে ৪ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের এ দরপতনের ধারা অব্যাহত থাকলে শিগগিরই দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম আরও কমানো হতে পারে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) দায়িত্বশীলরা।

এ বিষয়ে বাজুস সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমার কারণে ইতোমধ্যে বাংলাদেশে স্বর্ণের দাম কমানো হয়েছে। দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর পরও আমরা দেখছি, গত কয়েক দিন ধরে বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম নিম্নমুখী। বিশ্ববাজারে দাম কমার এ প্রবণতা অব্যাহত থাকলে আমরাও স্বর্ণের দাম কমাবো।

২ মার্চ অনুষ্ঠিত বাজুসের কার্যনির্বাহী কমিটির সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ৩ মার্চ থেকে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৫১৬ টাকা কমিয়ে ৭১ হাজার ১৫১ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের স্বর্ণ ৬৮ হাজার ১ টাকা, ১৮ ক্যারেটে ৫৯ হাজার ২৫২ এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ ৪৮ হাজার ৯৩১ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে।

এর আগে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি ভরিতে স্বর্ণের দাম ১ হাজার ৯৮৩ টাকা কমানো হয়। সে হিসাবে দুই মাসের মধ্যে দেশের বাজারে ভরিতে স্বর্ণের দাম সাড়ে ৩ হাজার টাকা কমেছে।

স্বর্ণের দাম কমলেও রুপার পূর্বনির্ধারিত দাম বহাল রয়েছে। ক্যাটাগরি অনুযায়ী ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫১৬ টাকা। ২১ ক্যারেটের রুপার দাম ১ হাজার ৪৩৫, ১৮ ক্যারেটের ১ হাজার ২২৫ এবং সনাতন পদ্ধতির রুপার দাম ৯৩৩ টাকা।

শেষ কার্যদিবসে প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম ৩ দশমিক ৭২ ডলার বাড়ার পরও সপ্তাহের প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম কমেছে প্রায় ৩৪ ডলার। এতে সপ্তাহের ব্যবধানে স্বর্ণের দাম কমেছে ১ দশমিক ৮৮ শতাংশ। আগের সপ্তাহে ১ হাজার ৭৩৪ দশমিক ৩৯ ডলারে থিতু হওয়া প্রতি আউন্স স্বর্ণের দাম গত সপ্তাহ শেষে ১ হাজার ৭০০ দশমিক ৯১ ডলারে নেমে এসেছে।

বিশ্ববাজারে স্বর্ণের এই দরপতনের বিষয়ে বাজুস সাধারণ সম্পাদক দিলীপ কুমার আগরওয়ালা বলেন, মহামারি করোনাভাইরাস ভয়াবহ রূপ নিলে বিনিয়োগ অনেকটা একমুখী হয়ে পড়েছিল। বিনিয়োগকারীরা স্বর্ণ কিনে মজুদ করে। এখন ধীরে ধীরে অর্থনীতি সচল হয়ে উঠেছে। বিনিয়োগকারীরাও অন্যান্য খাতে বিনিয়োগ বাড়িয়েছেন। স্বর্ণের দাম কমার এটি একটি কারণ হতে পারে বলে আমার ধারণা।

এদিকে শেষ কার্যদিবসে দশমিক ২৫ শতাংশ কমার মাধ্যমে গেল সপ্তাহে বিশ্ববাজারে রুপার দাম কমেছে ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ। এতে প্রতি আউন্স রুপার দাম দাঁড়িয়েছে ২৫ দশমিক ২৪ ডলার। এই দরপতনের ফলে মাসের ব্যবধানে বিশ্ববাজারে রুপার দাম ৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ কমে গেছে।




১০ হাজার কোটি টাকা ক্ষুদ্র ঋণ দিবে সরকার

করোনাভাইরাস দ্বিতীয় তরঙ্গের সম্ভাব্য প্রভাব মোকাবিলা করার জন্য আরেকটি উদ্দীপনা প্যাকেজ ঘোষণা করা যেতে পারে। জানা গেছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ এ বিষয়ে একটি নীতি নির্ধারণে কাজ করছে। সূত্রটি বলেছে যে এই আয়তন দশ হাজার কোটি রুপি যেতে পারে।
**********************************
সম্প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত তিন দিনের কর্মসূচিতে করোনাভাইরাসকে মোকাবেলায় সরকারের নেওয়া বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরা হয়েছে। এরই মধ্যে পরিকল্পনামন্ত্রী এম। এম। আর একটি চুক্তি ঘোষণার সম্ভাবনা থেকে মনন। তিনি বলেছিলেন যে এই ইভেন্টে করোনার দ্বিতীয় তরঙ্গের সম্ভাব্য ক্ষয়ক্ষতি নির্ধারণের জন্য আরও একটি উদ্দীপনা প্যাকেজ ঘোষণা করা যেতে পারে। প্রধানমন্ত্রী এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের এক কর্মকর্তা, যিনি নাম প্রকাশ না করার জন্য অনুরোধ করেছেন, তিনি বলেছিলেন যে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে সবুজ সংকেত পাওয়ার পরে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ একটি সভা করেছে। সভায় প্রণোদনা প্যাকেজ নীতি নিয়ে আলোচনা করা হয়।

তিনি বলেছিলেন যে পূর্ববর্তী উদ্দীপনা প্যাকেজের আওতায় বিতরণ করা loansণের সুদের হার আরও নমনীয়। তবে এবার সুদের হার সর্বোচ্চ 14 ​​শতাংশ নির্ধারণ করা যেতে পারে। এই প্যাকেজটির আকার 10,000 কোটি টাকায় ধরা হয়েছিল।

তিনি বলেছিলেন যে করোনার প্রভাব মোকাবেলায় দেশের হোম, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগে (সিএমএসএমই) দ্রুত প্ররোচনা loansণ দেওয়ার জন্য প্যাকেজটি তৈরি করা হচ্ছে। এই জন্য, policyণ নীতি প্রায় চূড়ান্ত। এই খাতে, একজন ক্লায়েন্ট 50,000 টাকা পর্যন্ত loanণের জন্য যোগ্য হতে পারেন।
জানা গেছে যে কেবল ব্যাংকিং চ্যানেলের বাইরে ক্ষুদ্রrocণ প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কর্মক্ষম মূলধন খাতকে প্রণোদনা loansণ দেওয়া হবে। এই loanণের সর্বোচ্চ সুদের হার হবে বার্ষিক 14 শতাংশ। তবে ভোক্তা পর্যায়ে ৯ শতাংশ সুদ orrowণগ্রহীতাদের জন্য প্রয়োগ করা হবে। সরকার বাকি ৫ শতাংশ ভর্তুকি দেবে। তহবিলের মেয়াদ পাঁচ বছর। তবে সরকার এক বছর পর্যন্ত সুদে ভর্তুকি দেবে।




সরকারি কর্মচারীদের বেতন না বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিচ্ছে যুক্তরাজ্য

করোনা মহামারির কারণে আগামী বছর যুক্তরাজ্যের লাখ লাখ সরকারি কর্মচারীর বেতন বাড়বে না। কোভিড-১৯ সংকটের কারণে দেশের অর্থায়নের যে ব্যাপক ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা মোকাবিলা করার প্রচেষ্টা হিসেবে চ্যান্সেলর ঋষি সুনাক আগামী সপ্তাহে সরকারি ব্যয় পর্যালোচনায় এই পদক্ষেপের ঘোষণা করবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। এতে কোটি কোটি পাউন্ড সাশ্রয় হবে বলে মনে করা হচ্ছে।

নতুন এই ঘোষণা এলে দেশটির সরকারি শিক্ষক, পুলিশ, বেসামরিক কর্মচারী এবং সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের বেতন আগামী বছর থেকে স্থবির হয়ে যাবে। অর্থাৎ প্রায় ৫৫ লাখ কর্মী। তবে মহামারির এই সময়ে চিকিৎসক, নার্স এবং অন্য এনএইচএস কর্মীরা কাজের স্বীকৃতি হিসেবে এই বেতন স্থবিরতার অন্তর্ভুক্ত হবে না। ইনডিপেনডেন্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

জনসাধারণের বেতন নির্দিষ্ট করার যেকোনো পদক্ষেপ অত্যন্ত বিতর্কিত বিষয়। তবে সুনাক যুক্তি দেখিয়েছেন, মহামারির এই সময়ে বেসরকারি খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

গবেষণা সংস্থা পলিসি স্টাডিজ সেন্টার (সিপিএস) জানিয়েছে, চ্যান্সেলর যদি তিন বছরের সরকারি খাতে বেতন স্থির করে দেন, তবে ২৩ বিলিয়ন পাউন্ড সাশ্রয় করতে পারবেন। বিশ্লেষকেরা বলছেন,