ইন্টারনেট বিল নিয়ে সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করলো বিটিআরসি

ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধের আগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা (বিটিআরসি)। আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টানা তিনদিন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকলে গ্রাহকদের বিল দিতে হবে না। কিন্তু নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টানা ১৫ দিন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকলে গ্রাহকদের বিল দিতে হবে না।

সম্প্রতি বিটিআরসি ও ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবির মধ্যে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। আইএসপিএবির সাধারণ সম্পাদক ইমদাদুল হক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একসময় নিয়ম ছিল টানা ২১ দিন ব্রডব্যান্ড সেবা বন্ধ থাকলে গ্রাহকদের বিল দিতে হবে না। কিন্তু বিটিআরসি বাস্তবতা অনুধাবন না করেই এবং আমাদের সঙ্গে বৈঠক না করেই সেটাকে তিনদিনে নামিয়ে আনে। এরপর আমরা তাদের সঙ্গে বৈঠক করে বলি কোনো জায়গায় আন্ডার গ্রাউন্ড লাইন কাটা গেল, এমটিপিএন ইন্টারনেট সংযোগ বন্ধ থাকলো- তখন আমরা ওখানে (বিটিআরসিকে) বিল দেবো না, এটাও নিশ্চিত করতে হবে। তারপর অনেক এলাকায় বিভিন্ন সংস্থা ক্যাবল কেটে দেয়, ফাইবার অপটিক্যাল লাইন কেটে দেয়; তখন একদিনের মধ্যে তা সমাধান করে দিবে এর গ্যারান্টি চাই বিটিআরসির কাছে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তাদের বাস্তবতা অনুধাবনের অনুরোধ জানাই। এর প্রেক্ষিতে বিটিআরসি এই সিদ্ধান্ত নেয়।

নতুন নির্দেশনায় বলা হয়েছে, টানা পাঁচদিন অব্যাহতভাবে ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মোট বিলের ৫০ ভাগ নিতে পারবে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান। আর টানা ১০ দিন ইন্টারনেট সেবা বিচ্ছিন্ন থাকলে মোট বিলের ২৫ ভাগ নেওয়া যাবে। এছাড়া টানা ১৫ দিন ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা বন্ধ থাকলে গ্রাহকদের বিল দিতে হবে না।
এদিকে বিটিআরসির নতুন এই সিদ্ধান্তের পর বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, গ্রাহকের স্বার্থ ক্ষুণ্ন হয় এমন নির্দেশনা বিটিআরসি দিতে পারে না। এক বিবৃতিতে তিনি বলেছে, আশা করছি বিটিআরসি এ সকল নির্দেশনা প্রত্যাহার করে ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবার কোয়ালিটি অব সার্ভিস নির্ধারণ করে একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা প্রণয়ন করবে। যে নীতিমালায় গ্রাহকস্বার্থ রক্ষা হবে, পাশাপাশি অপারেটররা জবাবদিহিতামূলক সেবা প্রদান করতে বাধ্য থাকবে।




তেলের দাম ও পরিবহন ব্যয় বাড়ানো গণবিরোধী সিদ্ধান্ত

০৮নভেম্বর, ২০২১ ইং,
২৯ কার্তিক , ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,
জাতীয় পার্টি চেয়ারম্যান ও বিরোধী দলীয় উপনেতা গোলাম মোহাম্মদ কাদের এমপি বলেছেন, সরকার অযৌক্তিকভাবে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আমরা দাবি করেছিলাম তেলের দাম কমাতে। কিন্তু সরকার তেলের দাম না কমিয়ে উল্টো সড়ক ও নৌপথের ভাড়া বাড়িয়ে সাধারণ মানুষের স্বার্থ বিরোধী অবস্থান নিয়েছে। তেলের দাম ও পরিবহন ব্যয় বাড়ানো গণবিরোধী সিদ্ধান্ত। আমরা ডিজেল, কেরোসিন এর বর্ধিত দাম কমানোর দাবি করছি। পাশাপাশি সড়ক ও নৌপথের বর্ধিত ভাড়াও কমানোর দাবি জানাচ্ছি।

আজ এক বিবৃতিতে জাতীয় পার্টি চেয়াম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের বলেন, গেল ৩ নভেম্বর রাতে হঠাৎ করেই ডিজেল ও কেরোসিনের দাম লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়ে ৮০ টাকা নির্ধারণ করে সরকার। এই সিদ্ধান্তে পরিবহন সংশ্লিষ্টরা আন্দোলনে নামলে সরকার তেলের দাম না কমিয়ে বাস ভাড়া ২৭ ভাগ এবং লঞ্চ ভাড়া ৩৫ ভাগ বাড়িয়ে দেয়। এতে সাধারণ মানুষ অসহনীয় ভোগান্তির শিকার হবে। তেলের দাম বাড়ার সাথে পরিবহনসহ জীবন যাত্রার ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে কয়েক গুন।

বিবৃতিতে জাতীয় পার্টি চেয়াম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের আরও বলেন, করোনাকালে কয়েক কোটি মানুষ কর্মহীন হয়ে মানবেতর জীবন-যাপন করছে। এমন বাস্তবতায় তেলের দাম বাড়ানো একেবারেই অগ্রহণযোগ্য সিদ্ধান্ত। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতও এই মুহুর্তে ডিজেল ও কেরোসিনের দাম কমিয়ে দিয়েছে। তাই জীবনযাত্রার ব্যয় স্বাভাবিক করতে জ্বালানি তেল ও গণপরিবহনের ভাড়া কমানো অত্যান্ত জরুরী।




বৈশ্বিক মূল্যবৃদ্ধিতে ডিজেলের দাম বেড়েছে : প্রতিমন্ত্রী

০৬নভেম্বর, ২০২১ ইং,
২৭ কার্তিক , ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,
ডিজেলের দাম বাড়ার কারণ জানালেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। তিনি বলেছেন, ‌‘পাচার রোধে ও বৈশ্বিক মূল্যবৃদ্ধিতে জ্বালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে।’

আজ শনিবার সাংবাদিকদের সঙ্গে ভার্চুয়ালি এক মতবিনিময়ে প্রতিমন্ত্রী এসব কথা বলেন। পরে মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সার্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনা করে বৃহত্তর জাতীয় স্বার্থে সরকার গত ৪ নভেম্বর দেশে ডিজেল ও কেরোসিনের মূল্য পুনঃ নির্ধারণ করেছে। যদিও আশপাশের অন্য দেশের তুলনায় বাংলাদেশে ডিজেলের মূল্য এখনো কম।’
তিনি জানান, ‘আজ ভারতের কলকাতায় প্রতিলিটার ডিজেলের মূল্য ছিল ৮৯.৭৯ রুপি বা ১০৪ টাকা। ২৬টি স্থল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন যে পরিমাণ পণ্যবাহী ট্রাক বাংলাদেশে ঢোকে, তাও বিবেচনার বিষয়। আর পাচারের আশঙ্কা তো আছেই।’

‘বিদ্যুৎ চালিত যানবাহনের দিকে যেতে হবে। বিশেষ করে গণপরিবহন বিদ্যুৎ চালিত করা গেলে দেশে পরিবেশবান্ধব যানবাহন নিশ্চিত হবে। বিদ্যুৎ চালিত যানবাহনের ইঞ্জিনের দক্ষতা বেশি ও সাশ্রয়ীও। তেল আমদানি খরচও কমে যাবে’, বলেন নসরুল হামিদ।

তিনি বলেন, ‘আমাদের ইলেকট্রিক যানবাহনের দিকে যেতে হবে। বিশেষ করে পাবলিক পরিবহনগুলো ইলেকট্রিক করা গেলে দেশে পরিবেশবান্ধব যানবাহন নিশ্চিত হবে। ইলেকট্রিক যানবাহনের ইঞ্জিনের দক্ষতাও বেশি, সাশ্রয়ীও। তেল আমদানি খরচও কমে যাবে।’




১৯ প্রতিষ্ঠান পেল রাষ্ট্রপতির পুরস্কার

০৪নভেম্বর, ২০২১ ইং,
২৫ কার্তিক , ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,
দেশে বেসরকারি খাতে শিল্প স্থাপন, কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ এবং উদ্যোক্তাদের উদ্বুদ্ধ, আকৃষ্ট ও উৎসাহিত করার লক্ষ্যে ছয় ক্যাটাগরিতে ১৯টি শিল্প প্রতিষ্ঠান পেল রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার-২০১৯।  

ছয় ক্যাটাগরির মধ্যে বৃহৎ শিল্পে ৪টি, মাঝারি শিল্পে ৪টি, ক্ষুদ্র শিল্পে ৩টি, মাইক্রো শিল্পে ৩টি, কুটির শিল্পে ২টি এবং হাইটেক শিল্পে ৩টি পুরস্কার দেওয়া হয়েছে। ১টি করে ক্রেস্ট এবং সম্মাননাপত্র দিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে পুরস্কৃত করা হয়।  

আজ বৃহস্পতিবার ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে শিল্প মন্ত্রণালয় আয়োজিত রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০১৯ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চ্যুয়ালি অংশ নেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। 

রাষ্ট্রপতির পক্ষে বিশেষ অতিথি হিসেবে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বিজয়ী প্রতিষ্ঠানগুলোর কর্ণধার ও প্রতিনিধিদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। এসময় বিশেষ অতিথি ছিলেন শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন ও শিল্প প্রতিমন্ত্রী কামাল আহমেদ মজুমদার। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব করেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব জাকিয়া সুলতানা।

পুরস্কার প্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- বৃহৎ শিল্প ক্যাটাগরিতে যৌথভাবে ১ম হয়েছে বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড এবং ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি লিমিটেড, ২য় হয়েছে মীর সিরামিক লিমিটেড এবং ৩য় হয়েছে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিক্স লিমিটেড।




বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় ২৫০০ ডলার ছাড়িয়েছে

০৪নভেম্বর, ২০২১ ইং,
২৫ কার্তিক , ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,
বাংলাদেশের মানুষের মাথাপিছু আয় আড়াই হাজার ডলার ছাড়িয়ে গেছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ হিসাবে দেশের মাথাপিছু আয় এখন ২ হাজার ৫৫৪ ডলার।

মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) হিসাব করার জন্য সম্প্রতি নতুন ভিত্তিবছর চূড়ান্ত করেছে। ২০১৫-২০১৬ ভিত্তিবছর ধরে এখন থেকে জিডিপি, প্রবৃদ্ধি, বিনিয়োগ, মাথাপিছু আয় গণনা করা শুরু হয়েছে। এতদিন ২০০৫-২০০৬ ভিত্তিবছর ধরে এসব গণনা করা হতো।

বিবিএস সূত্রে জানা গেছে, নতুন ভিত্তি বছরের হিসাবে ২০২০-২০২১ অর্থ-বছরে মাথাপিছু আয় ২ হাজার ২২৭ ডলার থেকে বেড়ে ২ হাজার ৫৫৪ ডলারে উন্নীত হয়েছে। মাথাপিছু আয় বেড়েছে ৩২৭ ডলার। ডলারের বর্তমান বাজার অনুযায়ী, মাথাপিছু আয় বেড়ে গেছে ২৯ হাজার ৪৩০ টাকা।




শিল্পায়নে সরকারের কার্যকর উদ্যোগ অর্থনৈতিতে অবদান রাখছে : রাষ্ট্রপতি

০৩ নভেম্বর, ২০২১ ইং,
২৪ কার্তিক , ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,
রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ বলেছেন, শিল্পায়নে সরকারের বিভিন্ন কার্যকর উদ্যোগ কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। আগামীকাল ৪ নভেম্বর ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০১৯’ দিবস উপলক্ষে আজ এক বাণীতে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, শিল্পোন্নয়নে উল্লেখযোগ্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ শিল্প মন্ত্রণালয় থেকে ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার ২০১৯’ প্রদান একটি প্রশংসনীয় উদ্যোগ।

রাষ্ট্রপতি বলেন, শিল্পায়ন একটি জ্ঞানভিত্তিক ও সৃজনশীল প্রয়াস। টেকসই ও পরিবেশবান্ধব শিল্পায়নের ওপর জাতির সামগ্রিক অগ্রগতি ও সমৃদ্ধি নির্ভর করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সরকার বিগত এক যুগে বাংলাদেশে শিল্পায়ন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও বিনিয়োগ প্রসারে নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়ন, খাতভিত্তিক প্রকল্প বাস্তবায়ন, শিল্পখাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, দক্ষ ও প্রশিক্ষিত জনশক্তি তৈরি, রপ্তানি পণ্য বৈচিত্রকরণ, বিনিয়োগ সহায়ক কর ও শুল্ক কাঠামো নির্ধারণ, উদ্যোক্তাদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও পুরস্কার প্রদান, সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগের জন্য বিশেষ প্রণোদনাসহ সরকারের বিভিন্ন উদ্যোক্তাবান্ধব ও সৃজনশীল কর্মসূচির ফলে বাংলাদেশ দক্ষিণ এশিয়ায় বিনিয়োগের সবচেয়ে আকর্ষণীয় গন্তব্যে পরিণত হয়েছে।
তিনি বলেন, এ সময়ে তৃণমূল পর্যায়ে এসএমই শিল্প বিকশিত হয়েছে। আয়বর্ধক কর্মকান্ডে নারীর অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য হারে বেড়েছে, প্রসার ঘটেছে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিসের। ফলে জনগণের মাথাপিছু আয় ও ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পেয়েছে এবং শিল্প-কারখানায় পণ্য উৎপাদন ও বিপণন ব্যবস্থা শক্তিশালী হয়েছে। শিল্পায়নের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি এবং অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জনে সরকারের এ সকল উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।

আবদুল হামিদ বলেন, চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের প্রেক্ষাপটে বিশ্বব্যাপী উৎপাদন প্রক্রিয়ায় জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তি, ন্যানো টেকনোলজি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ নতুন নতুন প্রযুক্তির প্রয়োগ বাড়ছে। ফলে দেশে উৎপাদিত শিল্পপণ্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে তীব্র প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হচ্ছে। এ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রপ্তানি প্রবৃদ্ধির পাশাপাশি রপ্তানি পণ্যের বহুমুখীকরণে গুরুত্ব দেয়া আবশ্যক। বেসরকারি খাতে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে শিল্প মন্ত্রণালয় নিয়মিত বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে ‘রাষ্ট্রপতির শিল্প উন্নয়ন পুরস্কার’ প্রদান করে আসছে।

তিনি সম্মাননাপ্রাপ্ত সকল শিল্পোদ্যোক্তাকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি আশা করেন, এ উদ্যোগ জ্ঞানভিত্তিক শিল্পায়নের চলমান ধারাকে সুসংহত করবে এবং এর মাধ্যমে সামগ্রিক জাতীয় অর্থনৈতিক অগ্রগতির ধারা আরো বেগবান হবে।




অ্যাপলকে টপকে বিশ্বের সবচেয়ে দামি কোম্পানি মাইক্রোসফট

০১ নভেম্বর, ২০২১ ইং,
২২ কার্তিক , ১৪২৮ বঙ্গাব্দ,অ্যাপলকে হটিয়ে বিশ্বের সবচেয়ে দামি কোম্পানি হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে মাইক্রোসফট। সরবরাহ চেইনে সংকটের কারণে ৬০০ কোটি ডলার আয় কমায় পিছিয়ে গেছে অ্যাপল।

শুক্রবার বিশ্বের শীর্ষ কোম্পানি মাইক্রোসফটের বাজার মূলধন দাঁড়িয়েছে ২ দশমিক ৪৯ ট্রিলিয়ন ডলার। দ্বিতীয় স্থানে নেমে আসা অ্যাপলের বাজার মূলধন ছিল ২ দশমিক ৪৬ ট্রিলিয়ন ডলার। খবর সিএনবিসি।

আইফোন বিক্রি গত বছরের চেয়ে ৪৭ শতাংশ বাড়লেও বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের চেয়ে কম ছিল। অন্যদিকে বৈশ্বিক সরবরাহ চেইনে সংকটের কারণে সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে অ্যাপলের আয় কমেছে ৬০০ কোটি ডলার। ডিসেম্বর প্রান্তিকেও এ সংকট বহাল থাকছে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন অ্যাপলের সিইও টিম কুক।
প্রথম কোম্পানি হিসেবে ১ ট্রিলিয়ন ও ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজার মূলধনের রেকর্ড করেছে অ্যাপল। যদিও ২০১৮ সালের দিকে উভয় কোম্পানিরই বাজার মূলধন ছিল ৮০ হাজার কোটি ডলারের কাছাকাছি।

কয়েক বছর ধরে বাজার মূলধনে একে অন্যকে ছাড়িয়ে যাচ্ছে অ্যাপল ও মাইক্রোসফট। গত জুনে ২ ট্রিলিয়ন ডলারের বাজার মূলধনের রেকর্ড গড়ে মাইক্রোসফট। অ্যাপল তার চেয়ে প্রায় ১০ মাস আগে ২০২০ সালের আগস্টে ২ ট্রিলিয়ন ডলার বাজার মূলধনের রেকর্ড ছুঁয়েছিল। আইপ্যাড, আইফোন ও ম্যাকের ডিফল্ট ব্রাউজার স্ট্যাটাস পেতে চলতি বছর অ্যাপলকে ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার প্রদান করতে পারে গুগল। এতে ফের ফুলেফেঁপে উঠতে পারে অ্যাপলের বাজার মূলধন।




১১ আগস্ট থেকে ব্যাংক লেনদেন স্বাভাবিক।

০৯ আগস্ট ২০২১ইং, সোমবার,
২৫ শ্রাবণ ১৪২৮ বঙ্গাব্দ।

নাসির আহমেদ:

আগামী ১১ আগস্ট বুধবার, থেকে স্বাভাবিক নিয়মে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ সময় লেনদেন চলবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত আর ব্যাংক-পরবর্তী আনুষঙ্গিক কাজ চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

৯ আগস্ট সোমবার, বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন থেকে এ নিয়ে একটি নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ১১ আগস্ট বুধবার, থেকে স্বাভাবিক ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এসময় লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। লেনদেন-পরবর্তী কার্যক্রম চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত।

সেখানে আরও বলা হয়েছে, অফিসের কর্মপরিবেশে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি সব ক্ষেত্রে মাস্ক পরিধান নিশ্চিত করতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে অনুসরণ করতে হবে।




আগামী ১ ও ৪ আগস্ট ব্যাংক কার্যক্রম বন্ধ

ডেস্ক রিপোর্ট:

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় আগামী রোববার (১ আগস্ট) ও বুধবার (৪ আগস্ট) ব্যাংক বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এছাড়া আগামী ৫ আগস্ট পর্যন্ত ব্যাংকিং কার্যক্রমের নতুন সূচি নির্ধারণ করা হয়েছে।

আজ বুধবার (২৮ জুলাই) বাংলাদেশ ব্যাংকের অফসাইট সুপারভিশন বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের জারিকৃত প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, করোনাভাইরাস জনিত রোগ (কোভিড-১৯) সংক্রমণের বিদ্যমান পরিস্থিতি বিবেচনায় ১ ও ৪ আগস্ট সব ব্যাংক বন্ধ থাকবে এবং ২, ৩ ও ৫ আগস্ট নতুন সময়সূচি অনুযায়ী সীমিত পরিসরে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হবে। এ সময়ে ব্যাংক লেনদেন হবে সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত।

ব্যাংকিং লেনদেন সময়সূচি লেনদেন পরবর্তী আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চলেব বিকেল ৪টা পর্যন্ত।




চলতি অর্থবছরে জিডিপির হার হবে দক্ষিণ এশিয়ায় সবার ওপরে: অর্থমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিনিধি:

অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল জানিয়েছেন, চলতি ২০২০-২১ অর্থবছরে দেশে জিডিপির হার হবে ৬ দশমিক ১ শতাংশেরও বেশি, যা হতে যাচ্ছে দক্ষিণ এশিয়ায় সবার ওপরে।

আজ বুধবার (৯ জুন) দুপুরে অর্থমন্ত্রীর সভাপতিত্বে ভার্চুয়ালি অর্থনৈতিক বিষয়ক সংক্রান্ত ও সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়, বৈঠক শেষে তিনি সাংবাদিকদের এ কথা জানান।

জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৫ দশমিক ১ হবে বলে বিশ্বব্যাংক যে প্রতিবেদন দিয়েছে সে বিষয়ে অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘প্রথমে দেখতে হবে বিশ্বব্যাংক যা বলে এখন পর্যন্ত সেটা ঠিক হয়েছে কি-না। যদি কিছু প্লাস-মাইনাসও হয় তারপরেও আমরা সেখানে মিল খুঁজে পাইনি। ২০২১-২২ অর্থবছর সম্পর্কে আমাদের প্রজেকশন আছে সেটি বাস্তবায়ন করতে পারব। এখন চলতি অর্থবছর যেটি আছে আমরা সেখানেও ৬ দশমিক ১ প্রবৃদ্ধির হার বলেছি।’

‘অর্থবছরের শেষের দিকে মে-জুন মাসে সামষ্টিক অর্থনীতির গতিধারা যেভাবে পজিটিভলি টার্নওভার করেছে, আমরা বিশ্বাস করি ৬ দশমিক ১ এর ওপরে আমরা অর্জন করতে পারব। সেই অর্জনটি সাউথ এশিয়ার সবার ওপরে হবে। মাত্র কয়েকদিনের ব্যাপার, আপনারা দেখবেন ঠিক হয় কি-না।’