সাইবার ঝুঁকি এড়াতে বন্ধ কয়েকটি ব্যাংকের ওয়েবসাইট

ঢাকা

বৃহস্পতিবার

২২ অক্টোবর ২০২৬ ইং

৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

সাজ্জাদ সদয় | তারারদেশ নিউজ:

 

প্রোগ্রামিং ভাষা পিএইচপির দুটি গুরুতর নিরাপত্তা ত্রুটি শনাক্ত হওয়ার পর সম্ভাব্য সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট। নিরাপত্তাঝুঁকি যাচাই ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার পর ওয়েবসাইটটি পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

 

বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, বিষয়টি শুধু বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বিশ্বব্যাপী সতর্কতামূলক ব্যবস্থার অংশ হিসেবে ওয়েবসাইটটি বন্ধ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র আরিফ হোসেন খানও জরুরি নিরাপত্তাজনিত সমস্যার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

ঝুঁকিতে থাকতে পারে সার্ভার ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

 

কেন্দ্রীয় ব্যাংক সূত্র জানায়, ওয়েবসাইটের নিরাপত্তা দুর্বলতা শনাক্ত ও সমাধানে কাজ করছেন সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তিবিদরা। একই কারণে পিএইচপিভিত্তিক কয়েকটি ব্যাংকের ওয়েবসাইটও সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।

 

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম এএফপির প্রতিবেদন অনুযায়ী, পিএইচপির নিরাপত্তা ত্রুটি কাজে লাগিয়ে হামলাকারীরা পাসওয়ার্ড ছাড়াই দূর থেকে সার্ভারে অননুমোদিত নির্দেশনা কার্যকর করতে পারে। এতে সার্ভারের ফাইল, ডেটাবেজ ও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ঝুঁকিতে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

 

এ পরিস্থিতিতে ফ্রান্স, নেদারল্যান্ডস ও বেলজিয়ামের বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং ডিজিটাল সেবাও সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছে।

 

সব ওয়েবসাইট ঝুঁকিতে নয়

 

পিএইচপি ব্যবহার করা সব ওয়েবসাইটই যে এই নিরাপত্তা ত্রুটির কারণে ঝুঁকিতে রয়েছে, তা নয়। ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত পিএইচপির সংস্করণ, নিরাপত্তা হালনাগাদ এবং সার্ভারের সুরক্ষাব্যবস্থার ওপর ঝুঁকির মাত্রা নির্ভর করে।

 

সরকারের অ্যাসপায়ার টু ইনোভেট (এটুআই) প্রকল্পের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ন্যাশনাল পোর্টাল ফ্রেমওয়ার্কের আওতাধীন প্রায় ৩৬ হাজার ৫০০টি ওয়েবসাইট পিএইচপিতে তৈরি নয়। ফলে সেগুলো এই নির্দিষ্ট ত্রুটির কারণে সরাসরি ঝুঁকিতে পড়ার কথা নয়। তবে অন্যান্য সরকারি ওয়েবসাইটে ব্যবহৃত প্রযুক্তি যাচাই করা হচ্ছে।

 

সাইবার নিরাপত্তায় সতর্কতা জারি

 

সরকারের সাইবার নিরাপত্তাসংশ্লিষ্ট সংস্থা বিজিডি ই-গভ সার্ট এ বিষয়ে সতর্কতা জারি করেছে। সংস্থাটি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে সার্ভারে পিএইচপির ব্যবহার ও সংস্করণ শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা হালনাগাদ নিশ্চিত করার পরামর্শ দিয়েছে।

 

তাৎক্ষণিকভাবে নিরাপত্তা হালনাগাদ করা সম্ভব না হলে সার্ভারে প্রবেশাধিকার সীমিত করা এবং অননুমোদিত সংযোগ পর্যবেক্ষণের মতো পদক্ষেপ নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

 

নিরাপত্তাঝুঁকি পর্যালোচনা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট পুনরায় চালু করা হবে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

 

তারারদেশ নিউজ




তেলের সংকটের মধ্যেই বাড়ল আটা-ময়দার দাম

ঢাকা

শুক্রবার

১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ ইং

২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ডেস্ক রিপোর্ট | তারারদেশ নিউজ:

 

দাম বাড়ানোর পরও রাজধানীর বাজারে স্বাভাবিক হয়নি বোতলজাত সয়াবিন তেলের সরবরাহ। এর মধ্যেই বেড়েছে আটা ও ময়দার দাম। ফলে নিত্যপণ্যের বাজারে নতুন করে চাপ তৈরি হয়েছে ভোক্তাদের ওপর।

 

শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর বিভিন্ন খুচরা বাজার ঘুরে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে এসব তথ্য জানা গেছে।

 

দোকানে মিলছে না পর্যাপ্ত সয়াবিন তেল

 

ব্যবসায়ীদের অভিযোগ, অর্ডার দেওয়ার পরও কোম্পানিগুলো চাহিদা অনুযায়ী বোতলজাত সয়াবিন তেল সরবরাহ করছে না। অনেক দোকানে তেল না থাকায় ক্রেতাদের ফিরে যেতে হচ্ছে।

 

সম্প্রতি সরকার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৫ টাকা বাড়ানোর অনুমোদন দেয়। এরপর ২ সেপ্টেম্বর কোম্পানিগুলো প্রতি লিটারের দাম ১৯৯ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০৪ টাকা নির্ধারণ করে।

 

আটা-ময়দার দামেও ঊর্ধ্বগতি

 

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতি কেজি খোলা আটা ৪৮ থেকে ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এক মাস আগে এর সর্বনিম্ন দাম ছিল ৪৫ টাকা।

 

খোলা ময়দা এখন ৬৫ থেকে ৭০ টাকা এবং প্যাকেটজাত ময়দা ৭৫ থেকে ৮৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। এক মাস আগে প্যাকেটজাত ময়দার দাম ছিল ৬৫ থেকে ৭৫ টাকা।

 

শনিবার থেকে বাড়ছে বেকারি পণ্যের দাম

 

আটা-ময়দার দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে বেকারি পণ্যের বাজারেও। বাংলাদেশ ব্রেড, বিস্কুট ও কনফেকশনারি প্রস্তুতকারক সমিতি জানিয়েছে, শনিবার থেকে বিভিন্ন ধরনের বেকারি পণ্যের দাম সর্বোচ্চ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানো হবে।

 

কিছু পণ্যের ক্ষেত্রে দাম অপরিবর্তিত রেখে ওজন কমিয়ে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সংগঠনটির সভাপতি জালাল উদ্দিন বলেন, তেল, গ্যাস ও বিদ্যুতের বাড়তি খরচের কারণে উৎপাদন ব্যয় বেড়েছে।

 

ডিম-মুরগি ও সবজির দামও চড়া

 

বাজারে অন্যান্য নিত্যপণ্যের দামও স্বস্তিদায়ক নয়। বর্তমানে প্রতি ডজন ফার্মের ডিম ১৫০ টাকা এবং ব্রয়লার মুরগি ১৯০ থেকে ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

এ ছাড়া বিভিন্ন সবজির দামও চড়া। লম্বা বেগুন ৭০ টাকা, গোল বেগুন ১০০ টাকা, করলা ও বরবটি ৮০ টাকা এবং টমেটো ১২০ থেকে ১৪০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

 

বাজারের এই পরিস্থিতিতে নিম্ন ও মধ্যম আয়ের মানুষের ব্যয় আরও বাড়ছে। ক্রেতাদের ভাষ্য, তেল, আটা-ময়দা, ডিম, মুরগিসহ একাধিক প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম একসঙ্গে বাড়ায় সংসার চালানো কঠিন হয়ে পড়ছে।

 

তারারদেশ নিউজ




সৌদি আরব বাংলাদেশের খাদ্য, এআই ও জ্বালানি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী: এল-খেরেইজি

ঢাকা

০৫ আগষ্ট ২০২৬ ইং
২১ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

শেখ সাজ্জাদ| তারারদেশ নিউজ:

বাংলাদেশে খাদ্য, কৃষিভিত্তিক শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই), নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে সৌদি আরব বিনিয়োগে আগ্রহী বলে জানিয়েছেন দেশটির উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়ালিদ এল-খেরেইজি।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ আগ্রহের কথা জানান।

সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এ সাক্ষাতে বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আরও উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, জ্বালানি সহযোগিতা ও জনশক্তি খাতে অংশীদারত্ব জোরদারের বিষয়ে আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ শাহরিয়ার এ তথ্য জানিয়ে বলেন, বৈঠকে উভয় পক্ষ দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার বিষয়ে একমত হন।

এসময় সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে বর্তমানে বিনিয়োগের জন্য ইতিবাচক পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে সৌদি আরব দুই দেশের অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করতে আগ্রহী। তিনি সম্ভাবনাময় বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে সৌদি সরকারের আগ্রহের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন।

তিনি সৌদি আরবের উন্নয়নে বাংলাদেশি কর্মীদের গুরুত্বপূর্ণ অবদানের প্রশংসা করেন। পাশাপাশি জাতিসংঘের ৮১তম সাধারণ পরিষদের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান নির্বাচিত হওয়ায় প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।

জবাবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, বাংলাদেশ ও সৌদি আরবের সম্পর্ক পারস্পরিক আস্থা, দীর্ঘদিনের বন্ধুত্ব ও অভিন্ন স্বার্থের ভিত্তিতে গড়ে উঠেছে। বর্তমান সরকার সৌদি আরবের সঙ্গে একটি কৌশলগত, বহুমাত্রিক ও দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারত্ব গড়ে তুলতে চায়।

সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, সৌদি আরব বাংলাদেশে প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, সি-ফুড, ট্রপিক্যাল ফুড, কৃষিভিত্তিক শিল্প, তথ্যপ্রযুক্তি, এআই, নবায়নযোগ্য জ্বালানিসহ বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী।

প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে সৌদি বিনিয়োগ আরও বাড়ানোর আহ্বান জানিয়ে বলেন, দেশে এখন বিনিয়োগের জন্য অনুকূল পরিবেশ রয়েছে। বিশেষ করে সৌরবিদ্যুৎ খাতে সৌদি বিনিয়োগের ওপর গুরুত্ব আরোপ করে তিনি বলেন, বাংলাদেশ পরিচ্ছন্ন জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে ব্যাপক কর্মসূচি বাস্তবায়ন করছে। এ খাতে সৌদি কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ উভয় দেশের জন্যই লাভজনক হবে।

বৈঠকের শেষে সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে সৌদি আরব সফরের আমন্ত্রণ জানান। প্রধানমন্ত্রী আমন্ত্রণের জন্য ধন্যবাদ জানিয়ে সুবিধাজনক সময়ে সৌদি আরব সফরের আশা প্রকাশ করেন।

এসময় সৌদি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ছিলেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল সুলাইমান বিন আবদুল আজিজ আল-ইয়াহইয়া, কনস্যুলারবিষয়ক উপমন্ত্রী ড. মোহাম্মদ আল-শাম্মারি, মানবসম্পদ ও সামাজিক উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী মুহান্নাদ বিন আহমেদ আল-ইসা, বাংলাদেশে নিযুক্ত সৌদি রাষ্ট্রদূত ড. আবদুল্লাহ বিন আবিয়াহ এবং সৌদি আরবের পররাষ্ট্র ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পশ্চিম এশিয়া অনুবিভাগের মহাপরিচালক।




কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট পাঁচ সংগঠনের সাথে হামদর্দের মতবিনিময় ও সমঝোতা চুক্তি সম্পন্ন

সালাম মাহমুদ: পর্যটন নগরী কক্সবাজারের ব্যবসায়ী ও পর্যটন সংশ্লিষ্ট পাঁচটি সংগঠনের সাথে হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ এর এক মতবিনিময় হোটেল কল্লোল এ মঙ্গলবার (১২ মে) সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হয়। মতবিনিময়ে অংশগ্রহণকারী পাঁচ সংগঠন হল কক্সবাজার চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি, কক্সবাজার হোটেল রিসোর্ট ওনার্স এসোসিয়েশন, ট্যুর অপারেটর এসোসিয়েশন অব কক্সবাজার (টোয়াক), বাংলাদেশ রেস্টুরেন্ট ওনার্স এসোসিয়েশন কক্সবাজার জেলা, কক্সবাজার হোটেল মোটেল গেস্ট হাউজ অফিসার্স এসোসিয়েশন। হামদর্দ ল্যাবরেটরীজ (ওয়াক্ফ) বাংলাদেশ এর পরিচালক-তথ্য আমিরুল মোমিনিন মানিক এর সভাপতিত্বে ও সালাম মাহমুদ এর সঞ্চালনায় এ সভায় বক্তব্য প্রদান করেন, কক্সবাজার হোটেল রিসোর্ট ওনার্স এসোসিয়েশন এর সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার, সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান, হামদর্দের বিক্রয় ও বিপণন বিভাগের উপ-পরিচালক (মেডিক্যাল) ডা. আবু তৈমুর চৌধুরী, সাংবাদিক হাফিজ রহমান প্রমুখ। মতবিনিময় সভায় আলোচনার ভিত্তিতে পাঁচটি সংগঠনের সাথেই হামদর্দের সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়।




শুরু হলো গুলশানে ৩ দিন ব্যাপী প্রিমিয়াম হোল্ডিং এর পিঠা উৎসব ও একক আবাসন মেলা

রাজধানীর গুলশান-১ কর্পোরেট অফিসে দেশের অন্যতম সেরা আবাসন কোম্পানী প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড প্রতি বছরের মতো এবারো বাংলা ও বাঙালীর ঐতিহ্য শীতকালকে উপলক্ষ করে ০৮-১০ জানুয়ারী ২০২৬ শুরু হয়েছে একক আবাসন মেলা এবং পিঠা উৎসব। ৮ জানুয়ারী সকালে পিঠা উৎসবের শুভসুচনা করেন কোম্পানির চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুল হুদা। কেক কেটে একক আবাসন মেলার যাত্রা শুরু করেন কোম্পানির ব্যবস্হাপনা পরিচালক রওশন আল মাহমুদ। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিচালক নাজনীন আখতার, উপদেষ্টা নূরুল ইসলাম, হেড অব বিজনেস রেজাউল করিম মার্কেটিং বিভাগের জেনারেল ম্যানেজার সোহাগ খান ও সায়মন আরাফাত, মার্কেটিং বিভাগের গ্রুপ লিডার শিমুল সরকার ও মহিন ইসলাম সহ কোম্পানির সকল স্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ। মধ্যবৃত্তের আবাসন চাহিদা মেটানোর প্রত্যয় নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড। ৪ টি চমৎকার আবাসন প্রকল্প প্রিমিয়াম টাউন,প্রিমিয়াম গার্ডেন, প্রিমিয়াম ভ্যালি ও প্রিমিয়াম রোজ ভ্যালি। আস্থা ও বিশ্বাসের সাথে এগিয়ে চলছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড। কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক বলেন, সবাই দেয় আসা কিন্তু আমরা দেই নিশ্চয়তা। তিনি বলেন,প্রিমিয়াম যেটা বলে সেটাই করে, গত দুই বছরে গ্রাহকদের সবচেয়ে বেশি রেজিষ্ট্রেশন প্রদান করেছেন প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড, যা বিশ্বাস ও স্বচ্ছতার বড় নিদর্শন। ইতিমধ্যেগ্রাহকদের প্রিয় হয়ে উঠেছে আমাদের প্রকল্পগুলো। প্রিমিয়াম টাউন থেকে ৫ কাঠার একটি প্লট নিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত ব্যাংক কর্মকর্তা। সন্মানিত গ্রাহক বলেন এই প্রকল্প থেকে প্লট নেবার দুটো কারন চারপাশে সরকারি রাস্তা এবং ম্যানেজমেন্টের কমিটমেন্ট। শত শত গ্রাহকের আস্থা তৈরি করছে প্রিমিয়াম হোল্ডিং লিমিটেড। বিশেষ করে, প্রবাসীদের কাছেও আস্হা অর্জন করেছে শতভাগ। একক আবাসন মেলা সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত। মেলা চলবে আগামী ১০ জানুয়ারী পর্যন্ত।




আইএমএফের কিস্তির টাকা পাওয়া নিয়ে অনিশ্চয়তা, বারবার বৈঠকেও ব্যর্থ !

শনিবার,

১৩ বৈশাখ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
২৬ এপ্রিল ২০২৫ ইং,

শেখ সাজ্জাদ :

আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) ঋণ কর্মসূচির আওতায় ২৩৯ কোটি ডলার পাওয়া নিয়ে এক ধরনের অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত আগের তিনটি কিস্তিতে ২৩১ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। বাকি দুটি কিস্তিতে আরও ২৩৯ কোটি ডলার পাওয়ায় কথা রয়েছে। ডিসেম্বরে চতুর্থ কিস্তির অর্থ পাওয়ার কথা থাকলেও এখন পর্যন্ত সেই অর্থ পাওয়া যায়নি।

কিস্তির টাকা পেতে যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বসন্তকালীন যৌথসভার দ্বিতীয় দফা বৈঠক হয়েছে তবুও বিষয়টি সুরাহা হয়নি। ২১ এপ্রিল শুরু হওয়া ছয় দিনব্যাপী এই বৈঠক ২৬ এপ্রিল শনিবার শেষ হয়। দুই দফা বৈঠকে বাংলাদেশ ও আইএমএফের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্বব্যাংক-আইএমএফের বসন্তকালীন বৈঠক উপলক্ষে অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ, বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুরসহ ১২ সদস্যের প্রতিনিধিদল আইএমএফ প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন।

বসন্তকালীন বৈঠকের এক ফাঁকে আইএমএফের কর্মকর্তাদের সঙ্গে গত বুধবার বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের আলাদা বৈঠক হয়। প্রধান উপদেষ্টার আন্তর্জাতিক বিষয় সংক্রান্ত বিশেষ দূত লুৎফে সিদ্দিকীও আইএমএফের সঙ্গে বৈঠক করেন।

দুই কিস্তির বাড়তি ঋণ পাওয়া প্রসঙ্গে ওয়াশিংটনে নিযুক্ত বাংলাদেশের প্রেস মিনিস্টার গোলাম মর্তুজা সাংবাদিকদের বলেন, দুই দফা বৈঠকেও বিষয়টি এখনো সুরাহা হয়নি। তবে আইএমএফ টাকা দেবে ধরে নিয়েই কিন্তু বৈঠক হয়েছে। যে শর্তের বিষয়ে আলোচনা চলছে তা নিয়ে একমত হতে পারেনি কোনো পক্ষ।

চতুর্থ কিস্তিতে অর্থ পেতে শর্ত ছিল চারটি। সেগুলো হলো- অর্থনীতির বহিঃচাপ সামাল দিতে রাজস্ব আদায় জোরদার করা, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আরও সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি, বিদেশি মুদ্রার বিনিময় হার পুরোপুরি বাজারভিত্তিক করা এবং জলবায়ু পরিবর্তন প্রশ্নে সবুজ প্রবৃদ্ধি নিশ্চিতে নীতিমালার বাস্তবায়ন। এর মধ্যে বিনিময় হার ও রাজস্ব আহরণ বিষয়ে শর্ত পূরণের অগ্রগতি নিয়ে আইএমএফ সন্তুষ্ট হতে পারেনি।

এ প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, তাদের সঙ্গে ঐকমত্য না হলেই যে খুব একটা সমস্যা হবে বিষয়টি তাও নয়। আমরা কিন্তু খুব একটা ভঙ্গুর অবস্থায় নেই, যা হয় তা হবে, বাংলাদেশের অর্থনীতি যেভাবে চলছে সেভাবে চলবে।




এসএমইদের দক্ষতার উন্নয়ন ও বিনিয়োগ প্রাপ্তিতে সহায়তা করবে আইএফআরএস

শনিবার,
৭ চৈত্র ১৪৩১ বঙ্গাব্দ,
২২ মার্চ ২০২৫ইং,

দিনবদল ডেস্ক :

ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (ডিসিসিআই) সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেছেন, আইএফআরএসে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো পাবেন এসএমই খাতের উদ্যোক্তারা। যার মাধ্যমে এ খাতের উদ্যোক্তাদের আর্থিক লেনদেনে স্বচ্ছতা আনায়নের পাশাপাশি এসএমইদের অর্থনীতির আনুষ্ঠানিক খাতের সঙ্গে সম্পৃক্তকরণে সহায়তা মিলবে।

২২ মার্চ শনিবার , রাজধানীর মতিঝিলে ডিসিসিআই আয়োজিত ‘এসএমইদের জন্য ইন্টারন্যাশনাল ফাইনান্সিয়াল রিপোটিং স্ট্যান্ডার্ড (আইএফআরএস) বাস্তবায়ন’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফাইনান্সিয়াল রিপোটিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. আমির উদ্দিন।

এতে স্বাগত বক্তব্যে ঢাকা চেম্বারের সভাপতি তাসকীন আহমেদ বলেন, আমাদের জিডিপিতে এসএমইদের অবদান ২৫ শতাংশের বেশি।

তিনি বলেন, এসএমই উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন, দক্ষতা উন্নয়ন, আর্থিক প্রতিবেদন- এসব তৈরিতে ভুল-ভ্রান্তি কমাতে এবং স্থানীয় ও বৈদেশিক বিনিয়োগ প্রাপ্তিতে আইএফআরএস সহায়ক ভূমিকা পালন করবে।

ডিসিসিআই সভাপতি আরও বলেন, আইএফআরএস এর মাধ্যমে এসএমই উদ্যোক্তাদের কমপ্লায়েন্স বাড়বে। সেই সঙ্গে এ খাতের উদ্যোক্তাদের অধিক হারে করজালের আওতায় নিয়ে আসার মাধ্যমে কর আহরণের হার বাড়বে। সর্বোপরি আইএফআরএস বাস্তবায়নে এসএমই উদ্যোক্তাদের দক্ষতা উন্নয়নে আরও বেশি করে প্রশিক্ষণ দেওয়ার ওপর জোরারোপ করেন তাসকীন আহমেদ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে ফাইনান্সিয়াল রিপোটিং কাউন্সিলের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবু ইউছুফ বলেন, আন্তর্জাতিক মান বজায়ে রেখে এসএমইদের জন্য আইএফআরএস অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে আমাদের সব এসএমইদের ক্ষেত্রে এর বাস্তবায়ন বেশ চ্যালেঞ্জিং বিষয়। আইএফআরএস বাস্তবায়নে এসএমইদের আগ্রহী করে তুলতে তাদের দক্ষতা বাড়ানোর কোন বিকল্প নেই।

তিনি আরও বলেন, কর দেওয়ার ক্ষেত্রে কমপ্লায়েন্স বাড়ানো এবং পুঁজিবাজার থেকে মূলধন সংগ্রহ এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষরের ক্ষেত্রে আগ্রাধিকার ভিত্তিতে সুবিধা প্রাপ্তির লক্ষ্যে এসএমইদের আইএফআরএস বাস্তবায়নে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক মো. আমির উদ্দিন বলেন, বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে স্থানীয় উদ্যোক্তাদের ভাবমূর্তি উন্নয়নে আইএফআরএস বাস্তবায়নে মনোযোগী হতে হবে। তবে এটি বস্তবায়নে বিশেষ করে কুটির ও ক্ষুদ্র উদ্যেক্তাদের দক্ষতা বাড়াতে প্রশিক্ষণ দেওয়া একান্ত আবশ্যক।

বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রামস বিভাগের পরিচালক নওশাদ মোস্তফা এ সময় বলেন, বাংলাদেশে পরিচালিত ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর হিসাবরক্ষণের জন্য পর্যাপ্ত হিসাবরক্ষক (অ্যাকাউন্ট্যান্টস) না থাকায় ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রাতিষ্ঠানিক হিসাবরক্ষণে নানাবিধ প্রতিবন্ধকার মুখোমখি হতে হয়। সরকারি-বেসরকারি খাতের সংশ্লিষ্ট সবার সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে এটি বাস্তবায়নে এগিয়ে আসতে হবে এবং উদ্যোক্তাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম যেন ক্ষতিগ্রস্থ না হয়, তা বিবেচনায় নিয়ে এফআরসিএস বাস্তবায়নে আরো মনোযোগী হতে হবে।তিনি জানান, বর্তমানে ৮০টি দেশে এফআরসিএস বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

এসএমই ফাউন্ডেশনের জেনারেল ম্যানেজার মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন বলেন, এসএমই ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে উদ্যোক্তাদের অ্যাকাউন্টিং সফটওয়্যার দেওয়া হলেও দক্ষতা এবং আগ্রহের অভাবের কারণে অনেক ক্ষেত্রেই তা বাস্তবায়িত হয়নি। এফআরসিএস এর অধিকতর বাস্তবায়নে তিনি সহজীকরণ ও প্রশিক্ষণ প্রদানের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

মুক্ত আলোচনায় ডিসিসিআই এর আহ্বায়ক লুৎফুল হাদী বলেন, বর্তমানে দেশে প্রায় ২২০০ চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টস আছেন, যার মধ্যে প্রায় ৬০০ জন এই কাজে সম্পৃক্ত রয়েছেন। এছাড়াও বিভিন্ন কোর্স সম্পন্ন করে প্রায় ৪০ হাজার প্রফেশনাল এ পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন। তবে এই খাতে আরও অ্যাকাউন্টিং প্রফেশনালের প্রয়োজন রয়েছে।

ডিসিসিআই এর ঊর্ধ্বতন সহ-সভাপতি রাজিব এইচ চৌধুরী, সহ-সভাপতি মো. সালিম সোলায়মানসহ পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।




ভারতে টানা ২ দিন স্বর্ণের বাজারে দরপতন

ভারতে টানা দু’দিন স্বর্ণের বাজারে দরপতন দেখা গেল। আজ বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দিনে এমসিএক্স সূচকে ১০ গ্রাম গোল্ড ফিউচার্সের দাম ০.০৭ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ৪৮,০২৩ রুপিতে। অন্যদিকে, এক কিলোগ্রাম সিলভার ফিউচার্সের দর ঠেকেছে ৬১,৫৯০ রুপিতে।

এ নিয়ে ভারতে মহামারীর রেকর্ড দরের থেকে থেকে ৮,১০০ রুপির মতো কমেছে স্বর্ণের দাম। গত বছর আগস্টে ১০ গ্রাম সোনার দাম ঠেকেছিল ৫৬,১৯১ রুপিতে। যা ভারতীয় বাজারে সোনার সর্বোচ্চ স্তর ছিল।

‘লাইভ মিন্টে’ শেয়ার ইন্ডিয়ার রিসার্চের প্রধান এবং ভাইস-প্রেসিডেন্ট রবি কুমার জানিয়েছেন, ওমিক্রনের সংক্রমণ নিয়ে ধোঁয়াশা আছে। তার জেরে সোনার দামে হেরফের হচ্ছে। ওমিক্রনের ভয়াবহতা বুঝতে লগ্নিকারীরা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার দিকে তাকিয়ে আছেন। আপাতত স্বল্পকালীন সময় ১০ গ্রাম সোনা ৪৭,০০০ রুপি থেকে ৪৬,৮০০ রুপিতে দাঁড়িয়েছে। যদি ওমিক্রনের সংক্রমণ মারাত্মক আকার ধারণ করে, তাহলে ১০ গ্রাম সোনার দাম ৫২,৫০০ রুপিতে পৌঁছে যেতে পারে।
সূত্র : হিন্দুস্তান টাইমস।




মন চাইছে আত্মহত্যা ক‌রি, কোন দে‌শে আছি?

ডি‌সেম্বর বানান বাংলায় লেখার কারণে একটি ব্যাংক ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বারের চেক ফেরত দিয়েছে। এ নিয়ে ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। আজ বৃহস্পতিবার মন্ত্রী তার ভেরিফাইড ফেসবুক পেইজে এ নিয়ে একটি পোস্ট করেন।

আজ বেলা ১১টা ৩৯ মিনিটে পোস্ট করা ওই স্ট্যাটাসে তিনি লিখেছেন, মন চাইছে আত্মহত্যা ক‌রি। এক‌টি চে‌কে আমি ডি‌সেম্বর বাংলায় লি‌খে‌ছি বলে কাউন্টার থে‌কে চেক‌টি ফেরত দিয়েছে। কোন দেশে আছি? এমন পোস্ট করার পর এটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়ে যায়।

বিষয়টি নিয়ে মন্ত্রী গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘কোনো প্রতিষ্ঠানকে খাটো করতে এই স্ট্যাটাস দিইনি। ভাষার মর্যাদা রক্ষায় এটি করেছি। কারণ, বাংলাদেশই একমাত্র ভাষাভিত্তিক রাষ্ট্র। ভাষার জন্যই এই রাষ্ট্রের জন্ম। আগে প্রযুক্তিগত দিক থেকে বাংলা কিছুটা পিছিয়ে থাকলেও এখন সেই অবস্থা নেই।’
এদিকে, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েই থেমে জাননি মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার, তিনি স্ট্যাটাসে আসা নানা মন্তব্যের জবাবও দিয়েছেন। একই সঙ্গে এসব বিষয়ে সবাইকে প্রতিবাদ করতে বলেছেন। পোস্টটি প্রকাশের তিন ঘণ্টার মধ্যে ৭ হাজারের বেশি মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে।




‘পদ্মাসেতুতে ২০২২ সালের ৩০ জুন যান চলাচল শুরু’

পদ্মা সেতুর ৮৭ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। ২০২২ সালের ৩০ জুনের মধ্যে যান চলাচলের জন্য খুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম।

মন্ত্রিসভার বৈঠক শেষে সোমবার দুপুরে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রণালয় ও বিভাগগুলোর ২০২০-২১ অর্থব-ছরের কার্যাবলী সম্পর্কিত বার্ষিক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।